পূর্ণ শক্তি নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নামবে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে বুধবার শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ দল। ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর এবার সংক্ষিপ্ত সংস্করণেও ভালো কিছুর প্রত্যাশা করছেন টাইগার অধিনায়ক লিটন দাস।
প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, এবার পুরো শক্তির দল নিয়েই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। লিটন বলেন, ‘আগের সিরিজে বিশ্রামের কারণে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার ছিল না। এবার তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলামসহ সবাই দলে আছে। পুরো শক্তি নিয়েই আমরা যাচ্ছি। বেঞ্চও অনেক শক্তিশালী হয়েছে, যা দলের জন্য ইতিবাচক।’
ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস টি-টোয়েন্টিতেও কাজে লাগবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তবে তিনি মনে করিয়ে দেন, দুই ফরম্যাটের চাহিদা ভিন্ন। “আমরা তিনটি ওয়ানডেতেই ভালো ক্রিকেট খেলেছি। এটা অবশ্যই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তবে টি-টোয়েন্টি ভিন্ন ফরম্যাট। নির্দিষ্ট দিনে সেরা ক্রিকেট খেলতে পারলেই সাফল্য আসবে,‘ বলেন তিনি।
দলের উন্নতির জায়গা নিয়েও কথা বলেছেন লিটন। বিশেষ করে লোয়ার মিডল অর্ডারের ব্যাটারদের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করেন তিনি। তার মতে, শেষের দিকের ব্যাটাররা সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে দলের ফলাফল আরও ভালো হবে।
অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলা নিয়ে লিটন বলেন, ‘এই ফরম্যাটটাই কঠিন। সব দলই আগ্রাসী ক্রিকেট খেলে। অস্ট্রেলিয়া বড় দল, তারা তাদের স্বাভাবিক খেলাই খেলবে। আমরাও আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করব।’
দলে সৌম্য সরকারের অন্তর্ভুক্তির কারণও ব্যাখ্যা করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তিনি জানান, নিজের ফিটনেস নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা এবং ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের সামান্য অসুস্থতার কারণে বাড়তি বিকল্প হিসেবে সৌম্যকে স্কোয়াডে নেওয়া হয়েছে।
স্পিন আক্রমণ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে লিটন বলেন, একাদশ নির্ধারণে উইকেটের আচরণ ও প্রতিপক্ষের শক্তি-দুর্বলতা বিবেচনা করা হবে। রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ ও সাকলাইন সাজিবের মধ্যে কাকে খেলানো হবে, তা ম্যাচের দিনই চূড়ান্ত হবে।
এদিকে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন লিটন। তার বিশ্বাস, দলটি তখন ভালো ছন্দে ছিল এবং বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারলে ভালো করার সামর্থ্য রাখত। তিনি বলেন, “আমার কাছে মনে হয় আমরা ভালোভাবে প্রস্তুত ছিলাম। সবাই ক্রিকেট খেলার জন্য দারুণ উৎসাহী ছিল।”
