ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে উড়ছে ব্রেন্টফোর্ড। এবার তাদের সামনে বিধ্বস্ত চেলসি। প্রথমার্ধে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেও দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণভাগের একের পর এক ভুলে ব্রেন্টফোর্ডের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে লন্ডনের ক্লাবটি। গটেক কমিউনিটি স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের হয়ে গোল করেন জেইডন অ্যান্থনি, ইগর থিয়াগো ও ফাবিও কারভালহো। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে চেলসির রক্ষণভাগের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা শেষ পর্যন্ত তাদের বড় পরাজয়ের কারণ হয়।
নতুন মৌসুমে দলকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে চেলসি একাদশে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয় ঘটিয়েছিল। জর্ডান হেন্ডারসন ও ড্যানি ওয়েলবেক প্রিমিয়ার লিগে প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে জায়গা পান। চেলসি কোচ জাবি আলোনসোর দল প্রথমার্ধে শারীরিক লড়াইয়ে ব্রেন্টফোর্ডের সঙ্গে সমানে সমান ছিল। দ্বিতীয় বলের দখল নেওয়া এবং মাঝমাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ও তারা ভালো অবস্থানে ছিল। কিন্তু আক্রমণভাগে সেই আধিপত্যকে গোলের সুযোগে রূপ দিতে পারেনি সফরকারীরা।
ম্যাচের শুরুতেই গোলের সুযোগ তৈরি করে চেলসি। ড্যানি ওয়েলবেকের বুদ্ধিদীপ্ত পাস থেকে পেদ্রো নেতো শট নেন, তবে ব্রেন্টফোর্ড গোলরক্ষক কাওহিম কেলেহার তা ঠেকিয়ে দেন। চেলসির আক্রমণে কোল পালমার ও মরগান রজার্স সক্রিয় থাকলেও চোটের কারণে অনুপস্থিত জোয়াও পেদ্রোর অভাব স্পষ্ট ছিল। তাঁর জায়গায় খেলতে নামা ওয়েলবেক আক্রমণভাগে আগের মতো সংযোগ তৈরি করতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬১ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে ব্রেন্টফোর্ডকে এগিয়ে দেন জেইডন অ্যান্থনি। মিকেল দামসগার্ডের নেওয়া কর্নারে চেলসির রক্ষণে একাধিক খেলোয়াড় অরক্ষিত ছিলেন। ইয়ানিক শুস্টার হেডে বল বাড়িয়ে দিলে অ্যান্থনি কাছ থেকে গোল করেন।
এরপর ৭০ মিনিটের কাছাকাছি সময়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রেন্টফোর্ড। দামসগার্ডের বাড়ানো থ্রু-পাসে কেভিন শাডে চেলসির দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে গোলের সুযোগ পান। তাঁর শট গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ঠেকালেও ফিরতি বলে ইগর থিয়াগো গোল করেন। অতিরিক্ত সময়ে শাডের নিচু ক্রস থেকে ফাবিও কারভালহো জোরালো শটে তৃতীয় গোলটি করেন। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের বদলে রক্ষণভাগের ভুলে বড় পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় চেলসিকে।


