নারী এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে গেছে বাংলাদেশ। তবে সেই ম্যাচে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন মারুফা আক্তার। তাঁর দারুণ বোলিংয়ের পুরস্কার মিলেছে আইসিসির টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে। ক্যারিয়ারসেরা অবস্থানে উঠে এসেছেন বাংলাদেশের এই পেসার।
নারী ক্রিকেটারদের সাপ্তাহিক র্যাঙ্কিং হালনাগাদ আজ মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে আইসিসি। এতে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারই উন্নতি করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছেন মারুফা।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১১৪ রানের পুঁজি নিয়েও ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ। তাতে বড় অবদান ছিল মারুফার। ৪ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি। এই পারফরম্যান্সে র্যাঙ্কিংয়ে একসঙ্গে ১৯ ধাপ এগিয়েছেন মারুফা। এখন ১৮ নম্বরে আছেন তিনি, বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।
এই প্রথম টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ের সেরা ২০-এ জায়গা করে নিলেন মারুফা। এর আগে এই সংস্করণে তাঁর ক্যারিয়ারসেরা অবস্থান ছিল ২৩ নম্বর, ২০২৪ সালে সেখানে উঠেছিলেন তিনি।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়া সুলতানা খাতুনও এগিয়েছেন র্যাঙ্কিংয়ে। ৯ ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে ৩৭ নম্বরে আছেন এই অফ স্পিনার।
বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের শ্রী চারানি। তাঁর সতীর্থ দীপ্তি শর্মা দুই ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ছয় নম্বরে।
ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে যথারীতি শীর্ষে আছেন অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনি। বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছেন সোবহানা মোস্তারি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চারটি চারে ৩৪ রান করা এই ব্যাটার তিন ধাপ এগিয়ে এখন ৩৬ নম্বরে।
চারটি চারে ২৬ রান করা দিলারা আক্তার এগিয়েছেন পাঁচ ধাপ। বাংলাদেশের এই ওপেনার এখন আছেন ৬২ নম্বরে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাত্র ৪ রান করে আউট হয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা। তবু র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়েছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার ইমেশা দুলানির অবনতির কারণে নিগার এখন ২১ নম্বরে। বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে তিনিই সবার ওপরে।
তিনটি চারে ১৪ রান করা জুয়াইরিয়া ফেরদৌসও ছয় ধাপ এগিয়েছেন। বাংলাদেশের এই ওপেনার যৌথভাবে ৯৬ নম্বরে আছেন।
মেয়েদের টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউস। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে এই তালিকায় সবার ওপরে রাবেয়া খান। তিনি আছেন ৩২ নম্বরে।


