সিয়াটলে মিশরের চমক – ১৯ মিনিটেই স্তব্ধ বেলজিয়াম

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬

মিশরের চমক ১৯ মিনিটেই স্তব্ধ বেলজিয়াম

মিশরের চমক ১৯ মিনিটেই স্তব্ধ বেলজিয়াম

বিশ্বমঞ্চের ‘জি’ গ্রুপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছিল এক স্তব্ধ করে দেওয়া মুহূর্ত। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সিয়াটল স্টেডিয়ামে (লুমেন ফিল্ড) ইউরোপের শক্তিশালী দল বেলজিয়াম এবং আফ্রিকার পরাশক্তি মিশরের মধ্যকার বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচটি মাঠে গড়াতেই গ্যালারিতে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে পৌঁছায়। তবে ম্যাচের শুরুতেই সব আলো কেড়ে নেয় ‘দ্য ফারাওস’ খ্যাত মিশর। ম্যাচের ১৯ মিনিটেই সিয়াটলে মিশরের চমক । বেলজিয়ামকে চমকে দিয়ে ১-০ গোলের লিড লুফে নেয় মোহাম্মদ সালাহর দল।

এদিন মাঠের লড়াই শুরুর আগে থেকেই মিশর শিবিরে ছিল বাড়তি আত্মবিশ্বাস। দলের প্রধান আক্রমণভাগ তথা লিভারপুলের মহাতারকা মোহাম্মদ সালাহকে শুরুর একাদশে রেখেই রণকৌশল সাজিয়েছিলেন মিশরীয় কোচ। আর কোচের সেই আস্থার প্রতিদান দিতে বেশি সময় নেয়নি দল।

ম্যাচের ১৯তম মিনিটে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগের একটি অসতর্ক মুহূর্তের সুযোগ নেয় মিশর। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে যান মিশরের প্রতিভাবান মিডফিল্ডার ইমাম আশুর। চোখের পলকে, কোনো ভুল না করে বক্সের বাইরে থেকে এক দূরপাল্লার জোরালো ও চোখ ধাঁধানো শটে বেলজিয়ামের জাল কাঁপিয়ে দেন তিনি। আশুরের এই জাদুকরী গোল সিয়াটলের গ্যালারিতে থাকা মিশরীয় সমর্থকদের উল্লাসে ভাসিয়ে দেয়।

ট্যাকটিক্যাল ব্রেকডাউন: বেলজিয়ামের রক্ষণভাগের ব্যাক-পাস বা ক্লিয়ারেন্সের একটি ভুল বল ডি-বক্সের বাইরে ফাঁকায় পেয়ে যান ইমাম আশুর। কোর্তোয়া পজিশন নেওয়ার আগেই তাঁর নেওয়া বুলেট গতির শটটি জালে জড়ায়।

অন্যদিকে, ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে প্রথমার্ধেই বড় ধাক্কা খায় বেলজিয়াম। তবে আজকের ম্যাচে বেলজিয়ামের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ধরা পড়েছে তাদের আক্রমণভাগে। দলের অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার ও প্রধান গোলমেশিন রোমেলু লুকাকুকে ছাড়াই আজ মাঠে নামতে হয়েছে রেড ডেভিলসদের।

লুকাকুর অনুপস্থিতিতে বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ড লাইন মিশরের জমাট রক্ষণভাগ ভাঙতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহর চতুর পাসিং এবং মাঝমাঠে ইমাম আশুরের দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণের ওপর ভর করে ম্যাচের প্রথমার্ধের পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন মিশরের হাতে। খেলা শুরুর আগেই যারা বেলজিয়ামকে ফেভারিট ভাবছিলেন, সিয়াটলের মাঠে মিশরের এই আগ্রাসী রূপ তাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

Exit mobile version