প্রবাসী ফুটবলার
বাংলাদেশের ফুটবলে প্রবাসী ফুটবলার আসা শুরু হয়েছিল অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়াকে দিয়ে এরপর তারিক কাজি। তার পরের অধ্যায়টা শুরু হয় হামজা চৌধুরীর আগমনে, বর্তমানে শমিত সোম, ফাহিমদুল ইসলামরা তো এখন লাল-সবুজের তারকা ফুটবলার। মূলতঃ হামজা চেীধুরীর জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্তির পরই দেশের ফুটবলে তৈরী হয় নতুন জোয়ার আর সেই জোয়ারে ভেসে আসছে ইউরোপ, আমেরিকা থেকে ফুটবলের নতুন নতুন ফুটবল ভেলা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ফাহাদ করিম তিনি এই প্রবাসী ফুটবলার দলে ভিড়ানোর অন্যতম কারিগর তিনি বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সাথে যোগাযোগ করে দেশের ফুটবলকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। তার কথায় বোঝা যাচ্ছে ‘বাফুফের পাইপ লাইনে আরো ৫ প্রবাসী ফুটবলার’ রয়েছে যারা সবুজ সংকেতের অপেক্ষায়।

যেসব প্রবাসী ইউরোপ-আমেরিকাতে বসবাস করছেন তাদের মধ্যে থাকা প্রবাসী ফুটবলাররা এখন স্বপ্ন দেখছেন বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়ানোর। এরই মধ্যে বয়সভিত্তি দলে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার যোগ দিয়েছেন। আগামী নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে আরও পাঁচ প্রবাসী ফুটবলার দেখা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন ফাহাদ করিম।
ফিফা উইন্ডো: সেপ্টেম্বর ফিফা উইন্ডো এবং সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে প্রবাসী ফুটবলার যোগ করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। বর্তমানে অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে ফুলহামের উইঙ্গার ফারহান আলী এবং ইংল্যান্ডে খেলা ফরোয়ার্ড জায়ান হাকিমের, তাদের ব্যাপারে ফিফা ও এএফসি থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বাফুফে। কিছুদিনের মধ্যে এ দুই প্রবাসীর বাংলাদেশি হওয়ার সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এছাড়া আরও তিন ফুটবলারের মধ্যে ২জন ইংল্যান্ডের এবং একজন জাপানের বলে জানিয়েছে বাফুফের সহসভাপতি ফাহাদ করিম।
বাংলাদেশ ফুটবল কোচ টমাস ডুলি নতুনদের ট্রায়ালে ডাকেন কিনা, সেটার অপেক্ষায় আছে ফেডারেশন। যে কারণে ৩জনের নাম এখনই প্রকাশ করতে চাচ্ছেন না ফাহাদ করিম, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে ৫ প্রবাসীর মধ্যে কোচ কয়জনকে নেবেন, সেটা তাঁর এখতিয়ার। তবে আমি বলতে পারি, এই পাঁচজন বাফুফের ক্যাম্পে থাকবেন।’
ফাহাদ করিমের এই চেষ্টা সফল হলে আমার মনে হয় দেশের ফুটবল নতুন একটা লুক পাবে এবং দক্ষিন এশিয়ার সেরা টিম হওয়ার ব্যাপারে আর কোন সন্দেহ থাকবেনা আর তখন প্রধান লক্ষ হবে এশিয়া কাপে খেলা তারপর…..


