বিশ্বকাপ পুনরুদ্ধারের মিশন দারুণভাবে শুরু করেছে সাবেক চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। মঙ্গলবার রাতে নিউ জার্সিতে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে উড়িয়ে দিয়েছে আফ্রিকান দল সেনেগালকে। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলের সুবাদে তারা ৩-১ গোলে জয় পেয়েছে। চারটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে।
জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল
জোড়া গোলের সুবাদে কিলিয়ান এমবাপ্পে এখন ফ্রান্সের জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করার খেতাবটা নিজের করে নিয়েছেন। ৫৮ গোল তার। মাত্র ২৭ বছর বয়সেই তিনি এই কীর্তি নিজেদের করেছেন। টপকে গেছেন সাবেক তারকা ওলিভার জিরুদকে। ৫৭ গোল ছিল তারা। ততীয় স্থানে আছেন থিয়েরি অঁরি। অন্যরা গোলের হাফ সেঞ্চুরিতেও পৌঁছাতে পারেননি।
সেনেগালের সঙ্গে ফ্রান্সের লড়াইটা একটু পুরানো। আফ্রিকার শক্তি হয়তো ফ্রান্সকে রুখে দেবে এমনই বিশ্বাস ছিল অনেকেরই। ম্যাচ শুরু হতেই তাদের সেই বিশ্বাস ক্রমেই পোক্তা হচ্ছিল। একাধিক আক্রমণ রচনা করলেও গোলের অচলায়তন ভাঙ্গতে পারছিল না সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নর। ফলে প্রথমার্ধে কোনো গোল পায়নি ফ্রান্স।

সেনেগালের সুযোগ নষ্ট
প্রথমার্ধে অবশ্য সেনেগাল একাধিকবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেনি। অন্তত দুইবার সুযোগ নষ্ট করে তারা। একবার নিকোলাস জ্যাকসন অন্যবার ইসামিলা সার। নিকোলাস জ্যাকসন বাইরে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন। আর সারের শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। ফলে গোলশূন্য থাকে প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় শুরুতেই এমবাপ্পে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। এ গোলের সুবাদে এমবাপ্পে জাতীয় দলের হয়ে এতদিন এককভাবে শীর্ষে থাকা অলিভার জিরুদের কীর্তিকে স্পর্শ করেন। তার এই কীর্তির পর ম্যাচে সব নাটকীয়তা জমা থাকে শেষ সময়ে। ইনজুরি সময়ে হয়েছে ম্যাচের দুই গোল। একটা করেছেন সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়ে। অন্যটা ফ্রান্সের এমবাপ্পে। ৯৫মিনিটে এমবায়ের গোলের পরের মিনিটে এমবাপ্পে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন, একই সঙ্গে অলিভার জিরুদের রেকর্ডটা নিজের করে নেন। ফ্রান্সের হয়ে অন্য গোলটা করেন ব্রাডলি বার্কোলা। ৮২ মিনিটে তার এ গোলের সুবাদে ফ্রান্স দুই গোলে এগিয়ে গিয়েছিল।
নরওয়ে শীর্ষে
বিশ্বকাপের ‘আই’ গ্রুপে খেলছে ফ্রান্স ও সেনেগাল। এ ম্যাচে জয়ের ফলে পুরো তিন পয়েন্ট জমা হয়েছে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের ভান্ডারে। তবে গ্রুপ পর্বের সেরা স্থানটি পায়নি তারা, এটি দখলে নিয়ে বিশ্বকাপের আর এক তারকা আর্লিং হালান্ডের নরওয়ে। তারা ইরাককে ৪-১ গোেলে হারিয়ে গোল পার্থক্যে এগিয়ে রয়েছে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩














