মেগা ম্যাচে মেগা লড়াই। বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে সুইডেনের মুখোমুখি হয়েছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের উপচে পড়া গ্যালারি আর টানটান উত্তেজনায় সুইডেনের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে ফ্রান্স ।
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের শুরু
ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিট দুই দলই রক্ষণ সামলে চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে। ম্যাচের শুরুর দিকে একমাত্র হাফ-চান্স ছিল সুইডিশ স্ট্রাইকার ইসাকের পেনাল্টি বক্সের প্রান্ত থেকে নেওয়া একটি শট। তবে মাঠে দুই দলের আক্রমণাত্মক ফুটবলারদের উপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছিল, গোল পেতে বেশি সময় লাগবে না।
ম্যাচের ৩মিনিট ২০ সেকেন্ডের মাথায় এমবাপ্পে বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর ৩টা ২৭ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে দারুণ এক সুযোগ তৈরি করেছিল সুইডেন। ইয়াসিন আইয়ারির পাসে ইসাক শট নিতে গেলে ফ্রান্সের ডিফেন্ডাররা তাকে ব্লক করে দেন। ফ্রান্সের মিডফিল্ডার আদ্রিয়েন রাবিও দূরপাল্লার শটে সুইডেনের রক্ষণভাগকে কাঁপিয়ে দিলেও তা ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
দুইবার পোস্টের বাধায় গোলবঞ্চিত ফ্রান্স
সুইডেনের ভাগ্য আজ প্রথমার্ধে বেশ ভালোই বলতে হবে। ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে মাইকেল অলিসের নেওয়া এক চোখধাঁধানো ও অবিশ্বাস্য বাইসাইকেল কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে উসমান দেম্বেলে শট নিলেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর আগে এমবাপ্পের আরও একটি প্রচেষ্টাও পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়েছিল। দুই-দুবার পোস্টের কল্যাণে নিশ্চিত গোলের হাত থেকে বেঁচে যায় সুইডেন।
এমবাপ্পের লিড ও মেসির রেকর্ডে হানা
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় অবশেষে ডেডলক ভাঙেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার চমৎকার ফিনিশিংয়ে ১-০ গোলে লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে ফ্রান্স (স্কোরলাইন: ফ্রান্স ১-০ সুইডেন)।
এই গোলের সাথে সাথেই মাত্র ২৭ বছর বয়সী এমবাপ্পে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে লিওনেল মেসির (২৯ ম্যাচে ১৯ গোল) আরও কাছে চলে এলেন। ১৮ ম্যাচে এমবাপ্পের গোল সংখ্যা এখন ১৭টি, যেখানে ম্যাচ প্রতি তার গোলের গড় অবিশ্বাস্য ০.৯৪!
| দল | গোল | অন টার্গেট শট | উল্লেখযোগ্য ঘটনা |
|---|---|---|---|
| ফ্রান্স | 1 | 4 | মাইকেল অলিসের দুর্দান্ত বাইসাইকেল কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসে। |
| সুইডেন | 0 | 1 | আলেক্সান্ডার ইসাকের ভালো একটি সুযোগ নষ্ট। |
স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে এখন টানটান উত্তেজনা। ১ গোলে পিছিয়ে থাকা সুইডেন দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে খেলবে, নাকি এমবাপ্পের ফ্রান্স ব্যবধান আরও বাড়াবে, তা দেখার জন্যই এখন অপেক্ষা ফুটবলপ্রেমীদের।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩














