কোহলিকে টপকে গেলেন গিল

কোহলিকে টপকে গেলেন গিল

কোহলিকে টপকে গেলেন গিল

ভারতের ব্যাটিং গড়ে বিরাট কোহলিকে টপকে গেলেন গিল । আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৫৪ রানের ইনিংসটির পর শুবমান গিলের ব্যাটিং গড় এখন ৫৯.০৯, একটি মানদণ্ডে যা ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বুধবার লাক্ষ্নৌতে ১১০ বলে ১৫৪ রানের ইনিংস খেলেন গিল। এই পারফরম্যান্সেই তিনি ছাড়িয়ে গেছেন কোহলির গড়। ৬৩ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৯ সেঞ্চুরিতে ৩ হাজার ১৯১ রান এখন গিলের, ব্যাটিং গড় ৫৯.০৯। ওয়ানডে ইতিহাসে অন্তত ২ হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ গড় আপাতত এটিই। তার ৩১১ ম্যাচে ১৪ হাজার ৭৯৭ রান করা কোহলির গড় ৫৮.৭১।

এই ম্যাচের আগে গিলের গড় ছিল ৫৭.৩। কোহলি ছাড়াও তার ওপরে ছিলেন নিউ জিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল (৫৮.৪৭)। আফগানদের বিপক্ষে ২২ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসটিতে দুজনকেই ছাড়িয়ে গেছেন ভারতীয় অধিনায়ক।

অন্তত ২ হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ব্যাটিং গড়ে এই তিনজনের পরে আছেন মাইকেল বেভান। ওয়ানডে ইতিহাসে ‘ফিনিশার’ খ্যাতি পাওয়া প্রথম ব্যাটসম্যান সাবেক এই অস্ট্রেলিয়ান বাঁহাতি ৬ হাজার ৯১২ রান করেছেন ৫৩.৫৮ গড়ে। আরেক কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স ৯ হাজার ৫৭৭ রানে ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৫৩.৫ গড়ে। বাবর আজমের গড় এখন ৫৩.৪৩।

নেদারল্যান্ডসের সাবেক তারকা টেন ডেসকাটের পরই গিল

তবে ২ হাজার রান থেকে কমিয়ে মানদণ্ড যদি ধরা হয় দেড় হাজার রান, তাহলে গিলের গড় আপাতত দুইয়ে। এখানে শীর্ষে যিনি, তিনিও এখন আছেন ভারতের ড্রেসিং রুমে। রায়ান টেন ডেসকাটে ৩৩ ওয়ানডেতে ১ হাজার ৫৪১ রান করেছেন ৬৭ গড়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেদারল্যান্ডসের হয়ে খেলা সাবেক এই অলরাউন্ডার এখন ভারতের সহকারী কোচ।

ক্যারিয়ার যতদিন না থামছে, ব্যাটিং গড়ের ওঠানামাও ততদিন চলবে। আপাতত গিল সবার ওপরে থাকলেও সামনে নেমে যেতে পারেন, কিংবা পৌঁছে যেতে পারেন নতুন উচ্চতায়। তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ গড় ছিল ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারিতে। সেদিন নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর ২১ ম্যাচ শেষে তার ব্যাটিং গড় ছিল ৭৩.৭৬।

কোহলি-বেভান-ডি ভিলিয়ার্সদের মতো ২০০-৩০০ ম্যাচ খেলার পরই বোঝা যাবে, ওয়ানডে ইতিহাসে কোন উচ্চতায় থাকবেন গিল। কোহলির ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ গড় ছিল ২৩৯ ম্যাচ শেষে। ২০১৯ সালের ১৪ অগাস্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর তার গড় ছিল ৬০.৩১।

আফগানদের বিপক্ষে এই ইনিংসে ৭৭ বলে সেঞ্চুরি করেন গিল, দেড়শতে পা রাখেন ১০৮ বলে। পরে নাঙ্গেয়ালিয়া খারোটের বলে রিভার্স সুইপ খেলে যখন আউট হন, ভারতের ইনিংসের সাত ওভারের বেশি বাকি ছিল।

Exit mobile version