একটানা ছয় হারের পর লখনউ জয়ের দেখা পেয়েছে। বৃহস্পতিবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে মিচেল মার্শের শতকে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৯ রানে হারিয়েছে তারা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের মাঠে এদিন জিতলেই শীর্ষে উঠে যেত, কিন্তু হেরে পিছিয়ে পড়ল বেঙ্গালুরু।
বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ছয় হারের পর লখনউ জিতে অবশেষে ফাড়া কাটাল। অথচ গত মাসেই প্রথম সাক্ষাতে লখনউয়ের বিপক্ষে ৫ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছিল বেঙ্গালুরু। চলতি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) কোনোভাবেই জিততে পারছিল না দলটি।
এদিন টস হেরে লখনউকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বেঙ্গালুরু। ইনিংসের মাঝেই তিন দফা বৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটেছে। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে নির্ধারিত ম্যাচটিতে তিন উইকেটে ২০৯ রান করে তারা। এর পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছেন ওপেনার মিচেল মার্শ। তিনি করেছেন সেঞ্চুরি।

মার্শ ৫৬ বলে ৯টি চার ও ৯টি ছক্কায় করেন ১১১ রান। এ ছাড়া নিকোলাস পুরান ২৩ বলে ৪টি চার, ১টি ছয়ে ৩৮ এবং ঋষভ পান্ত ১০ বলে ৪টি চার, ২টি ছয়ে অপরাজিত ৩২ রান করেন। জশ হ্যাজলউড, ক্রুনাল পান্ডিয়া ও রসিক সালাম উইকেট তিনটি ভাগাভাগি করে নেন।
ছয় হারের পর লখনউ পেল স্বস্তির জয়
বেঙ্গালুরুকে ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথডে ২১৩ রানের টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়। জবাব দিতে নেমে মাত্র ৯ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় তারা। তবে এই ধাক্কা সামাল দেন দেবদূত পাডিক্কাল ও রজত পতিদার। তারা তৃতীয় উইকেটে ৯৫ রান যোগ করে দেন।
পাডিক্কাল ২৫ বলে ৩টি চার, ১টি ছয়ে ৩৪ রান করে বিদায় নেন। কিছুক্ষণ পর জিতেশ শর্মা (১) ও পতিদারও সাজঘরে ফেরেন। পতিদার অর্ধশতক হাঁকিয়ে ৩১ বলে ৩টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৬১ রান করেন।
পরবর্তীতে টিম ডেভিড, ক্রুনাল পান্ডিয়া ঝড়ো ব্যাটিং করেছেন। তবে জিততে পারেনি বেঙ্গালুরু। ডেভিড ১৭ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ রানে সাজঘরে ফিরলে তাদের জয়ের আশা শেষ হয়েছে।

এরপর মূলত পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছেন ক্রুনাল ১৬ বলে ২টি করে চার-ছক্কা হাঁকিয়ে ২৮ রান করে। এ ছাড়া রোমারিও শেফার্ড ১৫ বলে ৩টি চার, ১টি ছয়ে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৯ ওভারে ছয় উইকেটে ২০৩ রান করতে সক্ষম হয় বেঙ্গালুরু।
লখনউয়ের হয়ে প্রিন্স যাদব দুর্দান্ত বোলিং করেন। তিনি চার ওভারে ৩৩ রান খরচা করলেও তুলে নেন ৩টি উইকেট। আর শাহবাজ আহমেদ তিন ওভারে ৩৩ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
লখনউ- ২০৯/৩; ১৯ ওভার (মার্শ ১১১, পুরান ৩৮, পান্ত ৩২*; ক্রুনাল ১/৩১, হ্যাজলউড ১/৪৯, সালাম ১/৫৩)।
বেঙ্গালুরু- ২০৩/৬; ১৯ ওভার (পতিদার ৬১, ডেভিড ৪০, পাডিক্কাল ৩৪, ক্রুনাল ২৮; প্রিন্স ৩/৩৩, শাহবাজ ২/৩৩)।
ফল : ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে লখনউ সুপার জায়ান্টস ৯ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : মিচেল মার্শ।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















