তদন্ত নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলার অনুমতি পেলেন না রিজওয়ান

ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনসিসিআইএ) তদন্ত এবং লর্ডস টেস্টের পর মোবাইল ফোন জব্দের ঘটনায় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে তাঁর সেই আবেদন নাকচ করে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। একবার নয়, দুই দফায় অনুমতি চেয়েও সাড়া পাননি রিজওয়ান।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও স্পোর্টসের এক প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় চুক্তির ৪.১ ধারা অনুযায়ী গণমাধ্যমের সামনে কথা বলার অনুমতি চেয়ে পিসিবির কাছে আবেদন করেছিলেন রিজওয়ান। বিতর্কিত অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) দেওয়া চিঠির প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে কেন্দ্রীয় চুক্তির ১৬ নম্বর ধারায় থাকা ‘পারস্পরিক সহযোগিতা’র নীতির কথাও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। তবে তাঁর কোনো যুক্তিই পিসিবি গ্রহণ করেনি।

জিও স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজওয়ানের উদ্দেশ্য ছিল না বোর্ড বা অন্য কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা। পুরো ঘটনার বিস্তারিত এবং এ বিষয়ে নিজের অবস্থান দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতেই তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন।

এর আগে লাহোর হাইকোর্টে রিজওয়ানের আইনজীবী কাজী উমায়ের আলী মোবাইল ফোন জব্দের বিষয়ে একটি তথ্য জানিয়েছিলেন। প্রধান বিচারপতি আলিয়া নিলমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানির সময় তিনি বলেন, কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ ছাড়াই লর্ডস টেস্টের পর হোটেলের লবিতে রিজওয়ানকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিন ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দেওয়ার কথা বলে তাঁর মোবাইল ফোন জব্দ করা হলেও সেটি এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি।

অনলাইন বেটিং, জুয়া এবং ইংল্যান্ড সিরিজ চলাকালে ড্রেসিংরুম থেকে তথ্য ফাঁসের অভিযোগের তদন্ত করছে এনসিসিআইএ। মোবাইল ফোন জব্দের আইনি বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রিজওয়ান। বিষয়টি জানতে তিনি আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটের (আকসু) কাছে গেছেন।

চলতি মাসের শুরুতে রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হক এনসিসিআইএর কার্যালয়ে হাজির হয়েছিলেন। সেখানে তাঁদের প্রায় দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তদন্তের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসেনি।

spot_imgspot_img
spot_img

Related Articles