মোসাদ্দেকের কাছে যে প্রত্যাশা মিরাজের । ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করেই প্রায় সাড়ে তিন বছর পর দলে ফিরেছেন ব্যাটিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত! তাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে এই অলরাউন্ডারের কাছে অনেক প্রত্যাশা অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের। সোমবার মিরপুরে ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে অনেক কথাই বলেছেন তিনি।
প্রধান নির্বাচক থাকা কালে গাজী আফরাফ হোসেন লিপু বলেছিলেন, সৈকতের আসলে জায়গা নাই। এখন মোসাদ্দেক টিমে এলেন, আপনাদের প্লেইং রোলটাও সিমিলার। আসলে এখন কিভাবে অপারেট বা প্ল্যান করার প্ল্যানটা কি আপনার মোসাদ্দেককে নিয়ে? কারণ প্লেইং রোল আপনাদের সিমিলার?
এমন প্রশ্নে মিরাজ বলেন,
মোসাদ্দেকের ইস্যুটা যে আমি আর মোসাদ্দেক কিন্তু একসাথে বাংলাদেশ টিমে অনেকদিন খেলেছি এবং আপনারা যদি দেখেন ১৯ সালের ওয়ার্ল্ড কাপও আমরা খেলেছি একসাথে। সো আমার কাছে মনে হয় এটা কোনো ডিফারেন্ট কোনো ইস্যু না। মোসাদ্দেক মোসাদ্দেকের রোলটা প্লে করবে, আমি আমার রোলটা প্লে করব। মোসাদ্দেক হলো ব্যাটিং অলরাউন্ডার, আমি হলো বোলিং অলরাউন্ডার। সো দুইজনের রোলটা ডিফারেন্ট।
এছাড়া মিরাজ বলেন,‘ আমার কাছে মনে হয় যে ও যদি পারফর্ম করতে পারে, এটা আমার জন্য এবং টিমের জন্য অনেক বিরাট হেল্প হবে। দিন শেষে আমরা সবাই চিন্তা করি যে টিমটাকে কোন জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায় এবং আমার কাছে মনে হয় আমি অনেক কনফিডেন্ট ওকে নিয়ে যেভাবে ও ডমিস্টিক ভালো পারফর্ম করেছে। যদি অপরচুনিটি আসে, ভালো করবে।
মোসাদ্দেকের ব্যাপারে একটু শেষে শুধু তার বোলিংটা! আপনি তো এর আগে ক্যাপ্টেন থাকা অবস্থায় অনেককে বোলিং দিয়েছেন, বোলিং দেন নাই এরকম ব্যাপারও ঘটছে। মোসাদ্দেকের বোলিংটা আসলে আপনি কিভাবে দেখছেন? ব্যাটিং অলরাউন্ডার বাট ওর বোলিংটাকে এই সেটআপে কোথায় রাখতে চাচ্ছেন?
মিরাজ বলেন,
আমাদের এরকম একটা যদি অপশন থাকে আমাদের টিমের জন্য অনেক হেল্প হবে। আপনি যখন পাঁচটা বোলার নিয়ে যখন আপনি খেলবেন আর একটা এক্সট্রা বোলার থাকবে তখন অনেক কনফিডেন্ট থাকবে। একটা বোলারের খারাপ দিন যেতেই পারে। সো একটা ব্যাকআপ হিসেবে বোলার থাকলে টিমের ব্যালেন্সটা খুব ভালো থাকে। আর অপরচুনিটি থাকলে অবশ্যই ভালো করার চান্স থাকবে।
আর আমার কাছে মনে হয় যে সে ডমিস্টিক এ অনেক ভালো বোলিং করেছে এবং সে প্রুভেন। আমার কাছে মনে হয় সে ভালো জায়গায় বল করলে ভালো হবে এবং এজ এ ক্যাপ্টেন হিসেবে আমারও অনেক কনফিডেন্ট থাকবে তাকে নিয়ে যদি ভালো বল করে।
