ঘরের মাঠে বিশ্বের সব গুলো দলকেই বাংলাওয়াশ করেছে টাইগাররা! সবশেষে টানা তিন সিরিজেই জিতেছে মেহেদী হাসান সিরাজের দল। এবার অস্ট্রেলিয়া বধের স্বপ্ন টাইগারদের ! দীর্ঘ ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাংলাদেশ কোনো ওয়ানডে সিরিজ খেলবে।
অধিনায়ক মিরাজ অস্ট্রেলিয়া সিরিজ নিয়ে সোমবার মিরপুরে বলেন,
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে অবশ্যই, আমরা সবাই অনেক এক্সাইটেড। দীর্ঘ দিন পর আমরা অস্ট্রেলিয়ার সাথে সিরিজ খেলছি, অধিনায়ক হিসেবে আমিও অনেক এক্সাইটেড। আমার কাছে মনে হয় এটা আমাদের জন্য একটা ভালো একটা চ্যালেঞ্জ শুরু হতে যাচ্ছে এবং আমার কাছে মনে হয় যদি আমরা যদি ভালো জায়গায় ভালো স্টার্টটা করতে পারি তাহলে আমাদের জন্য ভালো হবে।
এছাড়া তিনি বলেন,‘প্রত্যেকটা চ্যালেঞ্জই আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মোসাদ্দেকের ইস্যুটা যেটা বললেন যে হ্যাঁ, ও ডমিস্টিক এ অনেক বছর ধরে পারফর্ম করছে এবং খুব ভালো ক্রিকেটও খেলছে, শেপেও আছে। আমার কাছে মনে হয় দিস ইজ দা রাইট টাইম যে ওকে নেওয়া হয়েছে এবং আমাদের যে জায়গাটা আমরা চিন্তা করেছি, সেই জায়গাটা যদি ও ভালো করতে পারে টিমের জন্য অনেক বেটার হবে।
নাহিদ রানার বিষয়ে তিনি বলেন,
নাহিদ রানার যে পটেনশিয়াল সেটা আমরা সবাই জানি, জোরে বল করতে পারে এবং ভালো জায়গায় বল করতে পারে। সো আমরা ওইভাবেই চিন্তা করেছি যেহেতু সামনে ওয়ার্ল্ড কাপ সাউথ আফ্রিকাতে, সো জোরে বোলারদের আমাদের টিমে থাকাটা খুবই ইম্পরট্যান্ট এবং আমরা ওইভাবেই ওকে চিন্তা করেছি এবং ওইভাবে ওকে সাহস দিয়ে ব্যাক করেছি।
মিডল অর্ডাররা প্রিমিয়ার লিগে খুব ভালো করে এসেছেন। এইটা আপনাকে একটা বিশ্বাস জাগায় কিনা যে হৃদয় যেভাবে রান করছেন, মোসাদ্দেক যেভাবে রান করছেন, সোহানও ভালো করেছেন, লিটনও আবার ন্যাশনাল লিগে ভালো করেছেন। সো এটা একটা বিশ্বাস দেয় কিনা?
মিরাজ বলেন,
অবশ্যই আমি অনেক কনফিডেন্ট এবং মিডল অর্ডারে যেটা আপনি বলেছেন, বিগত দিনে মিডল অর্ডারে কারা খেলেছে এবং অনেক এক্সপেরিয়েন্স প্লেয়াররা খেলেছে। ওই জায়গাটা নিতে তো অবশ্যই একটু সময় লাগবে। আর আমার কাছে মনে হয় যে সেই সময়টা আমরা পেয়েছি এবং নিজেদেরকে গুছিয়ে নিয়েছি। এবং যারা খেলছে তারা ডমিস্টিক এ অনেক ভালো খেলছে এবং টপ পারফর্ম করছে। আপনি যদি দেখেন তৌহিদ হৃদয়, তারপরে মোসাদ্দেক এবং লিটন দাসও খেলছে। সো আমার কাছে মনে হয় যে খুবই ভালো একটা কম্বিনেশন আছে আমাদের এখন।
১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ। এই দলটা আসলে খুব একটা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তবে ব্যতিক্রম বোধহয় রিশাদ, সে বিগ ব্যাশও খেলে এসেছে। সেই এক্সপেরিয়েন্সটা সে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছে কিনা এবং সেটা আসলে কতখানি টিমকে বুস্ট আপ করবে?
মিরাজ বলেন,
সবাই অনেক এক্সাইটেড এবং আমরা সবাই চেষ্টা করব আমাদের সর্বোচ্চটা ভালো করার জন্য। হ্যাঁ, রিশাদ এটা তো অবশ্যই যে ও ডমিস্টিক খেলছে, আপনি দেখেন বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলছে, ও আরও বেশি কনফিডেন্ট হচ্ছে আর ও নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছে। আমার কাছে মনে হয় যে ও যদি আরও বেশি নিজেকে আরও এস্টাবলিশ করতে চায়, তাহলে আরও ভালো পারফর্ম করতে হবে। এবং আপনি একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে যে হ্যাঁ, ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি খেলা, সো আর ওডিআই খেলা, দুইটাই ডিফারেন্ট খেলা। বাট ওকে আরও প্রোঅ্যাক্টিভ হতে হবে যেহেতু ওডিআই ফরম্যাটে ও বেশি ম্যাচ খেলেনি। আমার কাছে মনে হয় যে অপরচুনিটি যখন আসবে তখন ও নিজে বুঝতে পারবে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















