মোহামেডান ও কিংস শেষ চারে উঠল বিশাল জয়ে

মোহামেডান ও কিংস শেষ চারে উঠল বিশাল জয়ে

মোহামেডান ও কিংস শেষ চারে উঠল বিশাল জয়ে, ছবি : সংগৃহীত

ফেডারেশন কাপে মঙ্গলবার মোহামেডান ও কিংস শেষ চারে উঠেছে বিশাল জয় নিয়ে। ডরিয়েলটনের চার গোলে কিংস অ্যারেনায় পুলিশ এফসিকে ৪-১ গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের সেরা হয় বসুন্ধরা কিংস। আর ময়মনসিংহে সৌরভ দেওয়ানের হ্যাটট্রিকে আরামবাগকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে গ্রুপ রানার্সআপ হয় মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।

ফেডারেশ কাপে মোহামেডান ও কিংস শেষ চারে ওঠার ক্ষেত্রে মঙ্গলবারের ম্যাচ দুটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে মোহামেডানকে জিততেই হতো শেষ চার সুনিশ্চিত করতে হলে। হা্রলে বিদায় নিতে হতো আর ড্র করলে নানা সমীকরণ মেলানোর ব্যাপার ছিল। বসুন্ধরা কিংসের ক্ষেত্রেও হিসেবটা ছিল একই।

মোহামেডান ও কিংস শেষ চারে

কারণ, ‘বি’ গ্রুপে শেষ রাউন্ডের আগে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ছিল পুলিশ। ৫ পয়েন্ট ছিল বসুন্ধরা কিংস, মোহামেডান ও ফর্টিস এফসির। পরের পর্বে ওঠার হাতছানি ছিল সবার সামনেই। শেষ পর্যন্ত সমান ৮ পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যে এগিয়ে বসুন্ধরা কিংস গ্রুপ সেরা আর মোহামেডান রানার্সআপ হয়ে পরের রাউন্ডে উত্তীর্ণ হলো।

পারিশ্রমিক না পাওয়ায় লিগের ম্যাচে বসুন্ধরা কিংসের সব বিদেশি ফুটবলার খেলেননি। তবে ব্রাজিলিয়ান ডরিয়েলটন একাই জিতিয়েছেন কিংসকে। তার চার গোলে বাংলাদেশ পুলিশ এফসির বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানের সহজ জয় পেয়েছে কিংস।

হ্যাটট্রিকের পর ডরিয়েলটন, ছবি : সংগৃহীত

কিংস অ্যারেনায় লিড নেয়ার সুযোগ পেয়েছিল পুলিশ। ৩৫ মিনিটে বক্সে ইউসুফের হাতে বল লাগলে পেনাল্টি পেলেও গোল করতে পারেননি পুলিশের ফরোয়ার্ড পাওলো এনরিক। উল্টো প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সে ঢুকে পড়া ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে ইসমাইল ফাউল করলে পেনাল্টি থেকে ডরিয়েলটন গোল করেন।

৫২ মিনিটে রাকিব হোসেনের পাস ধরে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ-দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন ডরিয়েলটন। এরপর আরও দুই ডিফেন্ডারের বাধা ডিঙিয়ে ডান পায়ের নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই ফরোয়ার্ড। ৩০ মিনিট পর রাকিবের আড়াআড়ি ক্রসে লাফিয়ে উঠে হেডে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। শেষ দিকে আরও এক গোল করেন তিনি।

ময়মনসিংহের ভাষা শহীদ রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোল পেতে ৩৯ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে মোহামেডানকে। দুর্বল আরামবাগের বিপক্ষে ঝলসে ওঠে মরিয়া দলটি। নিজেদের মধ্যে বল আদান-প্রদান করে মাঝমাঠ থেকে ক্রস বাড়ান কেকে। ছুটে গিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন জুয়েল।

মোহামেডানের গোল উদযাপন, ছবি : সংগৃহীত

বিরতির পর ৭৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মোহামেডান। আরামবাগের ডিফেন্ডার কাজী রাহাত সতীর্থকে বল দিতে গিয়ে পাস ভুল করলে মোহামেডানের সৌরভ তা পেয়ে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন। কিছুক্ষণ পরেই বক্সের ভেতর থেকে নিচু জোরালো শটে আবার গোল করেন তিনি। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে বাম পায়ের কোনাকুনি শটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সৌরভ।

Exit mobile version