সবার আগে পিএসএল ফাইনালে পেশোয়ার জালমি। মঙ্গলবার করাচিতে বাবর আজমের শতকে কোয়ালিফায়ারে ৭০ রানে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে হারিয়েছে তারা। তিন বাংলাদেশি তানজিদ হাসান তামিম, নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম খেলেছেন এই দলটির হয়ে।
শীর্ষে থেকেই কোয়ালিফায়ারে এসে পিএসএল ফাইনালে পেশোয়ার পা রেখেছে। প্রাথমিক রাউন্ডে তারা ১০ ম্যাচে আট জয়ে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে শীর্ষে ছিল। এবার তারাই সবার আগে ফাইনালে পা রাখল। আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইসলামাবাদ আরেকটি সুযোগ পাবে দ্বিতীয় এলিমিনেটর ম্যাচ খেলে ফাইনাল ওঠার।
মঙ্গলবার করাচিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে সাত উইকেটে ২২১ রান তোলে পেশোয়ার। বাবর আজম স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১৩তম সেঞ্চুরি করেন। তিনি ৫৯ বলে ১২টি চার, ৪টি ছক্কায় ১০৩ রান করেন।
ওপেনিং জুটিতে মোহাম্মদ হারিসের সঙ্গে ৭২ রানের জুটি গড়েন বাবর। দ্বিতীয় উইকেটে কুসল মেন্ডিসের সঙ্গে যোগ করেন আরো ৮৪ রান। এতেই বড় সংগ্রহের ভিত পায় পেশোয়ার।
কুসল ২৬ বলে ৫টি চার, ১টি ছয়ে ৪১ ও হারিস ১৬ বলে ৫টি চার, ২টি ছয়ে ৩৫ রান করেন। শাদাব খান চার ওভারে ৪২ রানে ৩টি ও রিচার্ড গ্লিসন ২টি উইকেট নেন।
পিএসএল ফাইনালে পেশোয়ার
জবাবে ইসলামাবাদ ১৮.৪ ওভারে ১৫১ রানেই গুটিয়ে যায়। ওপেনিং জুটিতে ডেভন কনওয়ে ও সামির মিনহাস ৫ ওভারেই ৫৮ রান তুলে দেন। তবে কনওয়ে ১৪ বলে ১টি চার ও ২টি ছয়ে ২০ রানে সাজঘরে ফেরার পর আর বড় কোনো জুটি হয়নি।
মিনহাস ২৩ বলে ৭টি চার, ১টি ছয়ে ৪৪ রানে আউট হন। পরের দিকে মহসিন রিয়াজ ২০ বলে ২৫ ও ইমাদ ওয়াসিম ১৫ বলে ২২ রান করলেও বাকিদের ব্যর্থতায় বড় হার দেখেছে ইসলামাবাদ। অ্যারন হার্ডি চার ওভারে মাত্র ২৪ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। এ ছাড়া দুটি করে উইকেট নিয়েছেন সুফিয়ান মুকিম ও মোহাম্মদ বাসিত।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পেশোয়ার- ২২১/৭; ২০ ওভার (বাবর ১০৩, কুসল ৪১, হারিস ৩৫, হার্ডি ২০; শাদাব ৩/৪২, গ্লিসন ২/৪৫)।
ইসলামাবাদ- ১৫১/১০; ১৮.৪ ওভার (মিনহাস ৪৪, রিয়াজ ২৫, ইমাদ ২২, কনওয়ে ২০; হার্ডি ৩/২৪, বাসিত ২/১৯, মুকিম ২/২৫)।
ফল : পেশোয়ার জালমি ৭০ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : বাবর আজম।
