আন্তর্জাতিক বিরতিতে যাওয়ার আগে স্বস্তিতে নেই রিয়াল মাদ্রিদ। মৌসুমের শুরু থেকেই পারফরম্যান্সে ওঠানামা করা দলটি এবার মাদ্রিদ ডার্বিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে হেরেছে ২-১ গোলে। মাঠের ফলের পাশাপাশি ম্যাচ ঘিরে আরেকটি বিষয় এখন আলোচনায়-দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করতে রিয়াল মাদ্রিদের দেরি।
ম্যাচটি এমনিতেই রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে উত্তপ্ত ছিল। এর মধ্যে বিরতির পর নির্ধারিত সময়ে রিয়ালের খেলোয়াড়েরা মাঠে না ফেরায় দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হয় প্রায় পাঁচ মিনিট দেরিতে। ম্যাচ প্রতিবেদনে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন রেফারি মিগেল আনহেল অর্তিজ আরিয়াস।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়ালের খেলোয়াড়েরা মাঠে ফিরতে দেরি করায় দ্বিতীয়ার্ধ নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পাঁচ মিনিট পরে শুরু হয়। রেফারির প্রতিবেদনে এ ঘটনার উল্লেখ থাকায় এখন স্প্যানিশ ফুটবল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) ৮৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ম্যাচের শুরুতে কিংবা বিরতির পর মাঠে ফিরতে অযথা দেরি করলে কোনো ক্লাবকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ইউরো জরিমানা করা যেতে পারে।
তবে রিয়ালের জন্য শঙ্কার বিষয় শুধু জরিমানা নয়। একই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটলে সেটিকে কোচের অসদাচরণ হিসেবেও বিবেচনা করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোচকে লাল কার্ড দেখানোর পাশাপাশি এক থেকে তিন ম্যাচ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার বিধানও রয়েছে।
অবশ্য এবারই রিয়ালের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি হবে-এমনটা নিশ্চিত নয়। আগের মৌসুমগুলোর নজির বলছে, এ ধরনের অপরাধ প্রথমবার ঘটলে অনেক ক্ষেত্রে সতর্কবার্তা দিয়েই বিষয়টি শেষ করেছে স্প্যানিশ ফুটবলের শৃঙ্খলা কমিটি।
তাই আপাতত বড় কোনো শাস্তির চেয়ে সতর্কবার্তা পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে হচ্ছে। তবে মাঠের ফল যখন এমনিতেই রিয়ালের জন্য অস্বস্তির, তখন শৃঙ্খলাজনিত এই ঘটনা দলটির জন্য নতুন করে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।
আন্তর্জাতিক বিরতির পর নিজেদের ছন্দে ফেরাই এখন রিয়ালের মূল লক্ষ্য। এর মধ্যে মাঠের বাইরের কোনো শাস্তির বিষয় যোগ হলে তা দলটির জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।




