শেষ মুহূর্তে আবারও ত্রাতা কার্লোস এসপি। কিলিয়ান এমবাপ্পের বাড়ানো বল থেকে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করে রিয়াল মাদ্রিদকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দিয়েছেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। দুই গোলের লিড নষ্ট করে বিপাকে পড়া রিয়াল শেষ পর্যন্ত এলচেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষে বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্টে সমতা ফেরাল।
রিয়ালের হয়ে এটি এসপির দ্বিতীয় শেষ মুহূর্তের জয়সূচক গোল। লেভান্তে থেকে গ্রীষ্মে রিয়ালে যোগ দেওয়া এই ফরোয়ার্ড মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই এস্পানিওলের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন। এবারও বেঞ্চ থেকে নেমে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিলেন তিনি।
এলচের মাঠে প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল রিয়াল। ২৫ মিনিটে ফেদেরিকো ভালভার্দেকে ফাউল করায় এলচে বিপদে পড়ে। আরদা গুলের ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে এসে এলচে গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরোর গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। ফলে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল।
৩৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমবাপ্পে। ডান দিক থেকে ইয়ান দিয়োমান্দের ক্রস পেয়ে ফরাসি তারকা গোলরক্ষক দিতুরোকে পরাস্ত করে নিচু শটে বল জালে পাঠান। এ নিয়ে চলতি লা লিগায় ছয় ম্যাচে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা দাঁড়াল সাতটি।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। এগিয়ে থেকেও রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকা রিয়ালকে চাপে ফেলে এলচে। ৭১ মিনিটে লুকাস সেপেদার ক্রস থেকে আবিয়েল ওসোরিও দুর্দান্ত হেডে ব্যবধান কমান। এরপর সমতা ফেরাতে বেশি সময় নেয়নি স্বাগতিকেরা। ৮৩ মিনিটে ওসোরিওর পাস পেয়ে ফের নিনো বক্সের ভেতর যথেষ্ট জায়গা পেয়ে নিচু শটে গোল করেন। ২-২ সমতায় ম্যাচ তখন রিয়ালের হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম।
কিন্তু শেষ হাসি হাসে মাদ্রিদই। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে এলচে গোলের জন্য এগিয়ে আসার সুযোগে পাল্টা আক্রমণে ওঠে রিয়াল। বাঁ দিক দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে এমবাপ্পে ক্রস বাড়ান। সেই বলেই পা ছুঁইয়ে জয়সূচক গোল করেন এসপি।
এই জয়ে রিয়াল মাদ্রিদ লা লিগায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল এবং শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্টে সমান হলো। অন্যদিকে ছয় ম্যাচ শেষে এখনো জয়ের দেখা পায়নি এলচে। ৩-২ ব্যবধানে হারার পর তারা লিগের তলানিতেই রয়ে গেল।


