Home Blog Page 21

হকিতে শক্তিশালী পাইপলাইন তৈরির কাজ শুরু ফেডারেশনের

0

বাংলাদেশ হকিতে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার পাশাপাশি জাতীয় দলের পাইপলাইন শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন, বাহফে। সেই লক্ষ্যেই মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে হাই পারফরম্যান্স অর্থাৎ এইচপি টিমের খেলোয়াড় তৈরির বাছাই কার্যক্রম।

প্রথম দিনের বাছাই শেষে ক্যাম্পে জায়গা করে নিয়েছেন ১৮জন তরুণ খেলোয়াড়। ৬ সেপ্টেম্বর, রোববার দ্বিতীয় ও শেষ দিনের বাছাই থেকে নির্বাচিত করা হবে আরও ১৪জন খেলোয়াড়।

হকিতে শক্তিশালী পাইপলাইন তৈরির কাজ শুরু ফেডারেশনের

অভিজ্ঞ কোচ আ ন ম মামুনুর রশিদের অধীনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ট্রায়াল। দেশের বিভিন্ন পর্যায় থেকে আসা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ও দক্ষতা যাচাই করেই গঠন করা হবে এইচপি ক্যাম্পের দল। বাছাই কার্যক্রম শেষে ৩২ থেকে ৩৪ জন খেলোয়াড়কে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে।

৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া বাছাই ও ক্যাম্পের কার্যক্রম প্রথম ধাপে এক সপ্তাহের পরিচালনা করা হবে ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এটি কেবল স্বল্পমেয়াদি কোনো আয়োজন নয়। যুব দল এবং অনূর্ধ্ব-২১ দলকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জাতীয় দলের জন্য দক্ষ খেলোয়াড় তৈরিই এই দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

এদিকে দেশের ঘরোয়া হকির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর প্রথম বিভাগ হকি লিগ শুরু হচ্ছে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর। লিগ চলাকালে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের ক্লাব পর্যায়ে খেলার সুযোগ করে দিতে এইচপি ক্যাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

প্রথম বিভাগ লিগ শেষ হওয়ার পর আবারও নির্বাচিত খেলোয়াড়দের নিয়ে শুরু হবে নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ। সেখানে ফিটনেস, টেকনিক, ট্যাকটিকস এবং ম্যাচ পারফরম্যান্সের ওপর দেওয়া হবে বিশেষ গুরুত্ব।

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক সাদেক মনে করেন, জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করতে এমন একটি কার্যকর খেলোয়াড় তৈরির পাইপলাইন গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। ধারাবাহিক এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই দেশের হকিতে তৈরি হবে নতুন প্রজন্মের দক্ষ ও সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়।

বাংলাদেশ জুনিয়র হকি দলের সামেনে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন

0

রবিবারের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী মালয়েশিয়া

চীনের ইনার মঙ্গোলিয়ায় চলমান অনূর্ধ্ব-২০ জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি ২০২৬- এর পুল ‘বি’- এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আগামীকাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ পুরুষ দল। টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী মালয়েশিয়া। চীনের ইনার মঙ্গোলিয়ার মকির মরিন দাওয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় দুপুর একটায় শুরু হবে।

প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক চীনের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে বাংলাদেশ। ফলে রেসে টিকে থাকতে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই বাংলাদেশের যুবাদের। টুর্নামেন্টের শীর্ষ ৬টি দল জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য অন্তত সেরা ছয়ে থেকে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা।

ঐতিহাসিকভাবে মালয়েশিয়া জুনিয়র হকি দল শক্তিশালী হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ তাদের কঠিন চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। ২০২৪ সালের জুনিয়র এশিয়া কাপে মালয়েশিয়ার সাথে ২-২ গোলে ড্র করেছিল বাংলাদেশ। এছাড়া চলতি বছরের মে মাসে অনূর্ধ্ব- ১৮ এশিয়া কাপে মালয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশের যুবারা। তবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামার আগে ইনজুরির কারণে নির্ভরযোগ্য ফরোয়ার্ড ইসমাইলের দল থেকে ছিটকে পড়া টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য কিছুটা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আজ শনিবার দলের কোন অনুশীলন রাখেননি হেড কোচ জাইলস বোনেট। তবে সকালে ভিডিও সেশন ও বিকেলে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে প্রতিপক্ষের ম্যাচ দেখে সময় কাটিয়েছে ছেলেরা।

একই দিনে মাঠে নামছে নারী দলও

পুরুষ দলের ম্যাচের পরপরই একই ভেন্যুতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী হকি দল। বাংলাদেশ সময় বিকাল তিনটায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের মেয়েরা।

গত জুলাইয়ে ওমানে এএইচএফ কাপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশের মেয়েরা এই টুর্নামেন্টেও ধরে রেখেছে তাদের অবিশ্বাস্য ফর্ম। আজ ৫ সেপ্টেম্বর, শনিবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করেছে তারা। ম্যাচে অধিনায়ক সারিকা রিমন, আইরিন আক্তার ও নাদিরা ইমা দুটি করে এবং কনা আক্তার একটি গোল করেন। প্রথম ম্যাচের এই দাপুটে পারফরম্যান্সের ধারা পাকিস্তানের বিপক্ষেও বজায় রাখতে আত্মবিশ্বাসী লাল-সবুজের নারী দল।

৬ গোলের ম্যাচে চীনের বিপক্ষে হকি দলের ম্যাচ ড্র

0

শক্তিশালী চীনের প্রোভিডেন্স দলের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করে ৩-৩ গোলে ড্র করেছে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল। এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতে চীন সফরের দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে স্বাগতিকদের মূল দলের বিপক্ষে এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

তিয়ানজিনের জিংহাই ডিস্ট্রিক্টের তুয়ানবো স্পোর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলে বাংলাদেশ। শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে এক মুহূর্তের জন্যও নিজেদের গুটিয়ে রাখেনি লাল-সবুজের দল। আক্রমণ ও রক্ষণ, দুই বিভাগেই ছিল দারুণ সমন্বয়।

বাংলাদেশের হয়ে একটি করে গোল করেন আমিরুল ইসলাম, রেজাউল করিম বাবু ও দ্বীন ইসলাম ইমন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলে সুযোগ পেলেই চীনের রক্ষণে চাপ তৈরি করেছে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ডরা। ফলে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জমে ছিল দুই দলের লড়াই।

স্বাগতিক চীনও নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে তিনবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠায়। তবে প্রতিবারই ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত আর কোনো দল ব্যবধান বাড়াতে না পারায় ৩-৩ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।

আসন্ন ২০তম এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে চীন সফরে গেছে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে এমন লড়াকু পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

এশিয়ান গেমসের মূল লড়াইয়ের আগে চীনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে নিজেদের দুর্বলতা ও শক্তির জায়গাগুলো যাচাই করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। এখন এই পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এশিয়ান গেমসের মঞ্চে আরও ভালো করার লক্ষ্য লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

রোববার শুরু হচ্ছে ৩০তম জাতীয় জুনিয়র কুস্তি

0

বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় দুই দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন দেশের বিভিন্ন জেলার প্রায় ২০০ কুস্তিগীর।

রাজধানীর জাতীয় রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে সকাল ১০টায় প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান। এ সময় ফেডারেশনের সহসভাপতি হাসানুজ্জামান বাবলু, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মাজহারুল হক, বাজলুর রহমান ও মো. নাসির উদ্দিনসহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

এবারের জাতীয় জুনিয়র কুস্তি প্রতিযোগিতায় ছেলে ও মেয়েদের জন্য থাকছে সমান সংখ্যক ওজন শ্রেণি। ছেলেদের সাতটি এবং মেয়েদের সাতটি। মোট ১৪টি ওজন শ্রেণিতে লড়াই করবেন প্রায় ২০০ জন খেলোয়াড়।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উঠে আসা তরুণ কুস্তিগীরদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতায় থাকছে তীব্র লড়াইয়ের প্রত্যাশা। জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য কুস্তির নতুন খেলোয়াড় খুঁজে বের করাও এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

প্রতিযোগিতা শুরুর আগে শনিবার বিকেলেই নেওয়া হয়েছে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের দৈহিক ওজন। ফেডারেশন অফিসে আয়োজিত এই ওজন গ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে।

দুই দিনব্যাপী এই আসরে তরুণ কুস্তিগীরদের পারফরম্যান্সের ওপরই থাকবে সবার নজর। প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে দেশের কুস্তিতে নতুন প্রতিভার উত্থান হবে—এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের।

এবার লম্বা সময়ের জন্য ছিটকে গেলেন নেইমার

0

দুর্ভাগ্য যেন পিছুই ছাড়ছে না নেইমার জুনিয়রের। ডান উরুর পেশিতে চোট পাওয়ায় চার থেকে আট সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে। দেশটির সংবাদমাধ্যম গ্লোবো জানিয়েছে, আপাতত প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে থাকার আশঙ্কাই বেশি।

বৃহস্পতিবার কোপা দো ব্রাজিলের ম্যাচে পালমেইরাসের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে ডান উরুতে অস্বস্তি অনুভব করেন নেইমার। পরদিন করা মেডিকেল পরীক্ষায় তাঁর ডান উরুর রেক্টাস ফেমোরিস পেশিতে টাইপ ২বি ইনজুরি ধরা পড়ে।

এই ধরনের চোট থেকে সেরে উঠতে সাধারণত চার থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগে। তবে নেইমারের ক্ষেত্রে চোটের মাত্রা ও পুনর্বাসনের অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করবে মাঠে ফেরার সময়। আপাতত দীর্ঘ সময়ের জন্য তাঁকে হারানোর আশঙ্কাই করছে সান্তোস।

ক্লাবটিতে ফেরার পর থেকেই চোট যেন নেইমারের নিত্যসঙ্গী। গত বছরের জানুয়ারিতে সান্তোসে ফেরার পর বাম উরু, ডান রেক্টাস ফেমোরিস, বাম হাঁটুর মেনিস্কাস ও ডান কাফে চোট পেয়েছেন তিনি। সবশেষ চোটের আগে এবং বিশ্বকাপ চলাকালীনও কাফের সমস্যায় ভুগতে হয়েছিল তাঁকে।

নেইমারের চোট নিয়ে সান্তোসের দুশ্চিন্তার আরেকটি কারণও আছে। এখন পর্যন্ত কোনো চোট থেকেই নির্ধারিত সময়ের আগে ফিরতে পারেননি তিনি। বরং বেশ কয়েকবার সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সময় কিংবা তার চেয়েও বেশি সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে তাঁকে। তাই এবারও তাঁর ফেরার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করতে চায় না ক্লাবটি।

নেইমারকে ছাড়াই রোববার ইন্টারন্যাসিওনালের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে সান্তোসকে। ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে থাকা দলটির জন্য তাঁর অনুপস্থিতি বড় ধাক্কা। কোপা সুদামেরিকানার কোয়ার্টার ফাইনালেও খেলতে পারবেন না এই তারকা ফরোয়ার্ড।

শুধু নেইমার নন, চোটের কারণে আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে হারিয়েছে সান্তোস। পালমেইরাসের বিপক্ষে ম্যাচে ডান গোড়ালিতে চোট পাওয়া ডিফেন্ডার লুকাস ভেরিসিমো ইন্টারন্যাসিওনালের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না।

একই ম্যাচে চোট পেয়েছেন আরেক ফরোয়ার্ড আলভারো বারেয়ালও। বাম উরুর পেছনে ব্যথা অনুভব করার পর পরীক্ষায় তাঁর বাইসেপস ফেমোরিস পেশিতে টাইপ ২এ টিয়ার ধরা পড়ে। নেইমার ও ভেরিসিমোর মতো বারেয়ালও ইতিমধ্যে ক্লাবের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা শুরু করেছেন।

সিপিএল খেলতে গেলেন মিরাজ

0

জাতীয় দলের খেলা নেই। ঘরোয়া ক্রিকেটেও আপাতত ব্যস্ততা নেই। ক্রিকেটের এই খানিকটা নিস্তরঙ্গ সময়েই হঠাৎ ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) থেকে ডাক পেয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে সিপিএলে খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পথে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।

সিপিএলের এবারের আসরে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে খেলবেন মিরাজ। বিমানে বসে তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে আজ শনিবার সকালে তিনি লিখেছেন, ‘নতুন এক চ্যালেঞ্জের জন্য সিপিএলের পথে। গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের সঙ্গে ক্যারিবিয়ান যাত্রা আলিঙ্গন করতে প্রস্তুত।’

সিপিএলে এবারই প্রথম খেলতে যাচ্ছেন মিরাজ। তাই তাঁর জন্য এটি নিঃসন্দেহে নতুন এক অভিজ্ঞতা। অবশ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই সিপিএলের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। ২০১৭ সালে তাঁকে দলে নিয়েছিল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। তবে সে আসরে একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ পাননি তিনি।

এরপর গত বছর পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল) মিরাজকে দলে নিয়েছিল লাহোর কালান্দার্স। সেখানেও মাঠে নামা হয়নি তাঁর। দেশের বাইরে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে প্রথমবার খেলার সুযোগ আসে এ বছরের জুলাইয়ে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে। গল গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে অবশ্য সেই আসরটা ভালো কাটেনি মিরাজের। চার ম্যাচ খেলার পর একাদশ থেকেই বাদ পড়েন তিনি।

এবার অবশ্য নিজেকে নতুন করে প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন মিরাজ। গায়ানা তাঁকে দলে নিয়েছে মূলত মোহাম্মদ নবীর বদলি হিসেবে। আফগানিস্তানের এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ভারতের বিপক্ষে সিরিজের জন্য জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। ফলে গায়ানার হয়ে নিয়মিত খেলার সুযোগ পেতে পারেন মিরাজ।

ক্যারিবিয়ানে পা রাখার আগেই অবশ্য নিজের নতুন দলের দারুণ শুরুর খবর পেয়েছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার। আজ ভোরে জ্যামাইকা কিংসমেনকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স। গতবারের রানার্সআপরা এবারও শুরু করেছে দুর্দান্তভাবে-প্রথম পাঁচ ম্যাচের সব কটিতেই জিতেছে তারা।

দলের এমন দুর্দান্ত শুরুর পর মিরাজের সামনে এখন অপেক্ষা মাঠে নামার। সিপিএলে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরতে পারবেন কি না, সেটিই দেখার।

চোটে জুনিয়র এশিয়া কাপ শেষ ইসমাইল হোসেনের, দলে সাব্বির কনক

0

চীনের বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে চলমান অনূর্ধ্ব-২০ জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি থেকে ছিটকে গেছেন বাংলাদেশ দলের ফরোয়ার্ড মো. ইসমাইল হোসেন। ম্যাচ চলাকালে বাঁ পায়ে চোট পাওয়ার পর মেডিকেল পরীক্ষায় তার গুরুতর চোট ধরা পড়ে।

পরীক্ষায় ইসমাইলের বাঁ গোড়ালির ডিস্টাল ফিবুলায় নন-ডিসপ্লেসড হেয়ারলাইন ফ্র্যাকচার শনাক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে বাঁ হাঁুতেও আঘাত পেয়েছেন তিনি। তবে স্বস্তির খবর, চোটের জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হচ্ছে না। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ইতোমধ্যে ইসমাইলের কনজারভেটিভ রিহ্যাবিলিটেশন বা অস্ত্রোপচার ছাড়াই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে প্রতিযোগিতামূলক হকিতে ফিরতে ইসমাইলের ১০ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। ফলে চলতি জুনিয়র এশিয়া কাপের বাকি ম্যাচগুলোতে আর মাঠে নামা হচ্ছে না এই তরুণ ফরোয়ার্ডের।

ইসমাইলের পরিবর্তে বাংলাদেশ দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সাব্বির হোসেন কনককে। টুর্নামেন্টের বাকি অংশে ইসমাইলের অফিসিয়াল রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি।

দলের গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়কে হারানো নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা। তবে নতুন করে দলে সুযোগ পাওয়া সাব্বিরের কাছ থেকে এখন ভালো পারফরম্যান্সের প্রত্যাশা থাকবে টিম ম্যানেজমেন্টের।

ইসমাইলের দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছে বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজমেন্ট ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন। একই সঙ্গে দলের নতুন সদস্য সাব্বির হোসেন কোনককেও স্বাগত জানানো হয়েছে।

চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা

0

চীনের মকিতে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপ হকিতে দুর্দান্ত জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী হকি দল। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে লাল-সবুজের মেয়েরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল বাংলাদেশের হাতেই।

ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলতে থাকে বাংলাদেশ। দ্রুত পাস আর একের পর এক আক্রমণে চাইনিজ তাইপের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে তারা। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরির পর ডেডলক ভাঙতে সফল হয় বাংলাদেশ। ২০ মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন কনা আক্তার। তার গোলে এগিয়ে গিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এরপর আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের রক্ষণে একের পর এক আঘাত হানতে থাকেন ইমা ও আইরিন আক্তার রিয়া। দুজনের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে আসে জোড়া গোল করে (৩২ ও ৩৪ মিনিট)। ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে চলে যায়। চাইনিজ তাইপে চেষ্টা করেও বাংলাদেশের আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ তৈরি করে প্রতিপক্ষের বৃত্তে ঢুকে পড়তে থাকে বাংলাদেশের মেয়েরা। গোলের ব্যবধান বাড়ানোর পাশাপাশি রক্ষণেও ছিল শৃঙ্খলিত পারফরম্যান্স। ফলে চাইনিজ তাইপে তেমন কোনো কার্যকর সুযোগই তৈরি করতে পারেনি।

চতুর্থ কোয়ার্টারে বাংলাদেশের আক্রমণ যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। এ সময় সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক সারিকা রিমন। দুর্দান্ত দক্ষতায় ৩৫ ও ৩৮তম মিনিটে পরপর দুটি গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

পরে ৫১ ও ৫৭ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে আরও দুই গোল পায় বাংলাদেশ।

শেষ পর্যন্ত কনা আক্তারের এক গোল, ইমা ও আইরিন আক্তার রিয়ার জোড়া গোল এবং অধিনায়ক সারিকা রিমনের জোড়া গোলে ৭-০ গোলের বিশাল জয় পায় বাংলাদেশ।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই এমন দাপুটে জয় বাংলাদেশের মেয়েদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ। বড় ব্যবধানে জয়ের ফলে গোল ব্যবধানেও শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে লাল-সবুজের দলটির। এখন এই জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে পরের ম্যাচগুলোতেও দাপট দেখিয়ে টুর্নামেন্টে আরও দূর এগিয়ে যাওয়াই বাংলাদেশের লক্ষ্য।

ইউএস ওপেনের শেষ ষোলতে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সাবালেঙ্কা ও আলকারাজ

0

নিউইয়র্কে ইউএস ওপেনের জমজমাট লড়াইয়ে দারুণ ছন্দে এগিয়ে চলেছেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আরিনা সাবালেঙ্কা ও কার্লোস আলকারাজ। শুক্রবার তৃতীয় রাউন্ডের বাধা পেরিয়ে দুজনই জায়গা করে নিয়েছেন শেষ ষোলোতে।

বেলারুশের সাবালেঙ্কা উজবেকিস্তানের কামিলা রাখিমোভাকে সরাসরি সেটে ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়েছেন। ম্যাচে ১০টি এস মেরেছেন তিনি এবং একবারও ব্রেক পয়েন্টের মুখোমুখি হননি। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও নিউইয়র্কে এসে দারুণ ছন্দে ফিরেছেন দুইবারের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন।

আরিনা সাবালেঙ্কা

ম্যাচে সাবালেঙ্কার সবচেয়ে বড় অস্বস্তি অবশ্য প্রতিপক্ষ নয়, কোর্টে ভেসে আসা গাঁজার তীব্র গন্ধ। এ নিয়ে চেয়ার আম্পায়ারের কাছে অভিযোগও করেন তিনি।

শেষ ষোলোতে সাবালেঙ্কার প্রতিপক্ষ ঘরের মেয়ে টেলর টাউনসেন্ড।

অন্যদিকে দীর্ঘ চোটের বিরতির পর ইউএস ওপেনে দুর্দান্তভাবে ফিরেছেন আলকারাজ। চীনের উ ইয়িবিংকে ৬-৩, ৬-৪, ৬-১ গেমে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছেন স্প্যানিশ তারকা। ম্যাচ শেষে আলকারাজ জানান, শারীরিকভাবে নিজেকে যতটা দুর্বল ভাবছিলেন, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক ভালো অবস্থায় আছেন।

কার্লোস আলকারাজ

চতুর্থ রাউন্ডে আলকারাজের প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের টমি পল। কাজাখস্তানের আলেকজান্ডার বুবলিককে পাঁচ সেটের লড়াইয়ে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছেন তিনি।

এদিকে সাবেক চ্যাম্পিয়ন দানিল মেদভেদেভও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। ফ্রান্সের আর্থার রিন্ডারকনেখটকে ৬-৪, ৬-৪, ৬-৪ গেমে হারিয়ে কোনো সেট না হেরেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছেন রাশিয়ান তারকা।

নারী এককে জয় পেয়েছেন জেসিকা পেগুলাও। ২০২১ সালের ফাইনালিস্ট লেইলা ফার্নান্দেজের বিপক্ষে প্রথম সেটে ১-৬ গেমে হেরে গেলেও পরের দুই সেট ৬-৪, ৬-৩ ব্যবধানে জিতে ম্যাচ বের করে নেন পেগুলা। ২০২৪ সালের রানার্সআপ পেগুলার সামনে এখন বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে ওঠার সুযোগও রয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনের ১১তম বাছাই মার্তা কোস্তিউক ৬-৩, ৬-২ গেমে একাতেরিনা আলেকজান্দ্রোভাকে হারিয়েছেন।

শুক্রবার রাতের সেশনে ইউএস ওপেনে আবারও একসঙ্গে কোর্টে নামছেন টেনিসের কিংবদন্তি দুই বোন সেরেনা ও ভেনাস উইলিয়ামস। ২০২২ সালের পর ফের একসঙ্গে ইউএস ওপেনে খেলবেন তারা।

খেলোয়াড় নিবন্ধন শেষ, ঘরোয়া লিগে নেপালিদের সরব উপস্থিতি

0

বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের নতুন মৌসুম আগস্টেই শুরু হওয়ার কথা ছিল কিন্তু আটকে ছিল ফিফা নিষেধাজ্ঞা আর খেলোয়াড় নিবন্ধনের কারণে। অবশেষে পরশু শেষ হয়েছে খেলায়াড় নিবন্ধন। তবে বাংলাদেশের ক্লাবগুলোতে সাফ অঞ্চলের ফুটবলারদের চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে নেপালের ফুটবলারদের দিকে বেশি ঝুঁকেছে ক্লাবগুলো। বিদেশি এবং সাফ কোটা মিলিয়ে এবার মোট ৬৫ জন ভিনদেশি ফুটবলার নিবন্ধিত হয়েছে, যাঁদের মধ্যে সাফ কোটার ১৯ জন ফুটবলারের মধ্যে ১৪ জনই নেপালের! বলা যায় খেলোয়াড় নিবন্ধনে ঘরোয়া লিগে এবার নেপালিদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় খেলোয়াড়দের দাবি: গত মৌসুম থেকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে সার্কভুক্ত দেশের ফুটবলাররা ‘স্থানীয় খেলোয়াড়’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তবে  প্রথমবার (গত আসর) সাফ কোটায় সর্বোচ্চ ৫ জন খেলোয়াড় নিবন্ধনের সুযোগ থাকলেও এবার স্থানীয় খেলোয়াড়দের দাবি মেনে সেটি ৩ জন করা হয়েছে। কোটা কমলেও গতবারের তুলনায় এবার এই অঞ্চলের ফুটবলারের নিবন্ধন বেশী হয়েছে।

গত মৌসুমে লিগের প্রথম পর্বের জন্য সাফ কোটায় ১১ জন (৮ জনই ছিলেন নেপালের) নিবন্ধিত হয়েছিলেন। এবার তা ৭জন বেড়েছে। বিদেশি কোটায় অবশ্য গতবারের মতো এবারও সর্বোচ্চ ৪ জন করে খেলোয়াড় নিতে পেরেছে দলগুলো। গত মৌসুমে সাফ কোটার বাইরে বিদেশি কোটায় নিবন্ধন করেছিলেন ৩৭ জন।

ঘরোয়া লিগের ক্লাব ১৩টি: গতবার ১০টি ক্লাব খেলেছিল এবার ৩টি বেড়ে হয়েছে ১৩টি। এর মধ্যে ৯টি ক্লাব সাফ কোটার খেলোয়াড় নিয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার, গত মৌসুমে সাফ কোটায় কোনো খেলোয়াড় না নেওয়া বাংলাদেশ লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস এবার তিনজন নেপালি ফুটবলার দলে নিয়েছে। যাঁদের মধ্যে আছেন নেপাল জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড অঞ্জন বিস্তা, মানিশ দাঙ্গি ও ডিফেন্ডার রহিত চাঁদ।

বসুন্ধরা কিংস তাদের পুরোনো ব্রাজিলিয়ান তারকা রবসন রবিনহোকে ফিরিয়েছে, সঙ্গে নতুন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস দা সিলভা এবং নাইজেরিয়ার ফরোয়ার্ড ওবুগহ এমেকাকে নিয়েছে। আর স্থানীয়দের মধ্যে দলটিতে থেকে গেছেন তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, রাকিব হোসেন, মোহাম্মদ হৃদয়, তাজ উদ্দিন, সোহেল রানা, নাবিব নেওয়াজ এবং মেহেদী হাসান।

মোহামেডান সাফ কোটায় কোনো ফুটবলার নেয়নি। বিদেশি কোটায় তারা দলে ফিরিয়েছে মালির স্ট্রাইকার সুলেমান দিয়াবাতে এবং নাইজেরিয়ার দুজনকে। উজবেকিস্তানের মোজাফফরভকে রেখে দিয়েছে সাদা–কালোরা।

নেপালি ফুটবলারদের প্রতি আগ্রহ: সাবেক স্ট্রাইকার জাহিদ হাসান এমিলি বলেন- নেপালের ফুটবলারদের তুলনামূলক কম টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। আবার নেপালিরা এখানে তুলনামূলক বেশি টাকা পাচ্ছেন নিজেদের দেশের চেয়ে। ফলে ওরাও আগ্রহী হচ্ছে বাংলাদেশে খেলতে।

লিগে প্রথমবার নতুন দেশের বিদেশী ফুটবলার: এবার বিভিন্ন দলের খেলোয়াড় তালিকায় কয়েকটি চমক জাগানিয়া দেশের নাম যেমন- ওয়ান্ডারার্স অস্ট্রেলিয়ার ফরোয়ার্ড বাইলে জন ও ইন্দোনেশিয়ার ফরোয়ার্ড আইদিল উসমান দাইরাকে দলভুক্ত করেছে। ব্রাদার্স আয়ারল্যান্ডের ডিফেন্ডার উইলিয়াম ওদুয়া এবং পিডব্লিউডিতে জার্মানির ডিফেন্ডার উলরিচ বালোকিকে দেখা যাবে।

বাংলাদেশ লিগের ১৩টি দল: আরামবাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, বসুন্ধরা কিংস, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম সিটি, সিটি ক্লাব, ঢাকা আবাহনী, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স, ফর্টিস, ফকিরেরপুল, মোহামেডান, ডিডব্লিউডি, রহমতগঞ্জ।