Home Blog Page 20

নারী এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সামনে আজ শ্রীলঙ্কা পরীক্ষা

0

নারী এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত জয়ে অভিযান শুরু করা বাংলাদেশ এবার মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কার। গ্রুপ ‘বি’-তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়। সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস।

আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়াকে ৭১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেই জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও জয় তুলে নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠতে চায় জ্যোতির দল। একই সঙ্গে এই ম্যাচটি বাংলাদেশের সেমিফাইনালের পথও অনেকটা সহজ করে দিতে পারে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। বিসিবির প্রকাশ করা এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেই জয় পেয়েছেন তারা। তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটি সেমিফাইনালে ওঠার পথে আরও গুরুত্বপূর্ণ। দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় নিজেদের সেরাটা দিয়ে জয় তুলে নিতে চান বলেও জানান তিনি।

ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বড় জয় পেলেও বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে কিছু দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে দুবাইয়ের কিছুটা মন্থর উইকেটে মানিয়ে নিতে বেশ ভুগেছেন ব্যাটাররা। শুরুতেই উইকেট হারানোর সমস্যাটিও নতুন নয় বাংলাদেশের জন্য। সর্বশেষ ২০ ম্যাচের মধ্যে সাতবারই ২০ রানের আগেই প্রথম দুই উইকেট হারিয়েছে তারা। এতে চাপে পড়তে হয়েছে মিডল ও লোয়ার অর্ডারকে।

ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষেও একই চিত্র দেখা যায়। ১৭ ওভারে ১০৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ দিকে শর্না আক্তারের ১৮ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৩১ রানের ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ১২৯ রান পর্যন্ত যেতে পারে দল।

ব্যাটিংয়ের এই ঘাটতি স্বীকার করেছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিও। তবে ভুলগুলো শুধরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আরও ভালো ক্রিকেট খেলার প্রত্যয় তার। শেষ দিকে শর্নার ব্যাটিংয়ে সন্তুষ্ট হলেও দলের আরও অনেক জায়গায় উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন জ্যোতি। আগের কয়েকটি এশিয়া কাপে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় এবার পুরো পথ পাড়ি দিতে চান তারা। সে জন্য শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে বলেও জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ব্যাটারদের ব্যর্থতা অবশ্য পুষিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের বোলিং। ইন্দোনেশিয়াকে মাত্র ৫৮ রানে অলআউট করে দেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। পেসার মারুফা আক্তার শুরুতেই দুই উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলেন। এরপর বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার ১৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে নামার আগে সতর্ক শ্রীলঙ্কাও। এ বছরের এপ্রিলের সর্বশেষ দ্বিপাক্ষিক সাদা বলের সিরিজে বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। সেই আত্মবিশ্বাস থাকলেও বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আক্রমণ নিয়ে সতর্ক বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু মনে করেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাটিং ইউনিটকে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। বাংলাদেশের বোলার ও ফিল্ডাররা ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফর্ম করেছে উল্লেখ করে তিনি ব্যাটারদের নিজেদের কাজ ঠিকভাবে করার ওপর জোর দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা কাটিয়ে বোলিংয়ের শক্তি কাজে লাগানোই হবে বাংলাদেশের মূল চ্যালেঞ্জ। আর সেই পরীক্ষায় জয় পেলে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে জ্যোতি-রা।

নিকো-নাভারো-সানসেতের গোলে আতলেতিকোকে উড়িয়ে দিল অ্যাথলেটিক

0

লা লিগায় মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেল আতলেতিকো মাদ্রিদ। শনিবার সান মামেসে দারুণ ফুটবল উপহার দিয়ে অ্যাথলেটিক ক্লাব ৩-০ গোলে হারিয়েছে দিয়েগো সিমিওনের দলকে। নিকো উইলিয়ামস, রবার্ত নাভারো ও ওইহান সানসেতের গোলে বড় জয় পেয়েছে বাস্ক ক্লাবটি।

এই জয়ে টানা দ্বিতীয় লিগ জয় তুলে নিয়েছে অ্যাথলেটিক। মৌসুমের প্রথম দুই ম্যাচে হারের পর সাবেক বরুসিয়া ডর্টমুন্ড কোচ এদিন তেরজিচের অধীনে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। চার ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ এখন ৬ পয়েন্ট।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল আতলেতিকোর দখলে। তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পায় সফরকারীরা। অ্যাথলেটিকের রক্ষণ ভেঙে লি কাং-ইন শট নিলে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

এরপরও আক্রমণের ধার ধরে রাখে আতলেতিকো। অ্যাথলেটিক গোলরক্ষক উনাই সিমোনকে বেশ কয়েকবার পরীক্ষায় ফেলেন সফরকারীরা। আলেক্স বায়েনার প্রচেষ্টা দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন সিমোন। এরপর পাবলো বারিওসের শটও পোস্টে লাগে।

প্রথমার্ধে আতলেতিকোর একাধিক সুযোগের বিপরীতে স্বাগতিকদের হয়ে ওইহান সানসেতও গোলের চেষ্টা করেন। তার শক্তিশালী শট অবশ্য গোলের বদলে সাইড-নেটে গিয়ে লাগে। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।

বিরতির পর পুরোপুরি বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে আতলেতিকোকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় অ্যাথলেটিক।

৪৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামস গোল করে এগিয়ে দেন স্বাগতিকদের। এই গোলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার ভাই ইনাকি উইলিয়ামসের। ইনাকির নেওয়া শট ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করলে সেই বল পেয়ে যান নিকো। এরপর নিখুঁত হেডে বল জালে পাঠিয়ে অ্যাথলেটিককে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই দুই মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। আবারও আক্রমণের শুরুতে ছিলেন ইনাকি উইলিয়ামস। তার পাসে রবার্ত নাভারো বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় ফিনিশ করে স্কোরলাইন ২-০ করেন।

পরপর দুই গোল হজম করে ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আতলেতিকো। কোচ দিয়েগো সিমিওনে একাধিক পরিবর্তন আনেন দলে। অসুস্থতার কারণে কিছুদিন মাঠের বাইরে থাকার পর এ ম্যাচে ফিরিয়ে আনা হয় আর্জেন্টাইন তারকা হুলিয়ান আলভারেজকেও।

তবে মাঠে নেমেও ম্যাচের গতিপথ বদলাতে পারেননি আলভারেজ। আতলেতিকোর আক্রমণভাগকে কার্যকরভাবে সামলে নেয় অ্যাথলেটিকের রক্ষণ। দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা সময়ই স্বাগতিকরা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং দুই গোলের লিডও নিরাপদে ধরে রাখে।

শেষদিকে আতলেতিকো ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও অ্যাথলেটিকের রক্ষণে বড় কোনো ফাঁক তৈরি করতে পারেনি। বরং ম্যাচের ৯০তম মিনিটে তৃতীয় গোল করে জয়কে আরও বড় করে তোলে স্বাগতিকরা।

একটি ক্রস ব্লক হওয়ার পর বল আলগা হয়ে গেলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখান ওইহান সানসেত। এরপর ঠান্ডা মাথায় ফিনিশ করে নিজের দলের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। ফলে ৩-০ গোলের বিশাল জয় নিশ্চিত হয় অ্যাথলেটিকের।

ম্যাচের প্রথমার্ধে আতলেতিকো একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাথলেটিকের দুর্দান্ত রূপের সামনে পুরোপুরি নিষ্প্রভ হয়ে যায় সিমিওনের দল। বিশেষ করে বিরতির পর মাত্র দুই মিনিটে নিকো উইলিয়ামস ও রবার্ত নাভারোর গোলই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ স্বাগতিকদের হাতে তুলে দেয়।

এই পরাজয়ের ফলে চলতি লা লিগা মৌসুমে আতলেতিকো মাদ্রিদের অপরাজিত শুরুর অবসান হলো। অন্যদিকে, মৌসুমের শুরুতে টানা দুই ম্যাচ হারের পর অ্যাথলেটিক এখন টানা দুই জয় তুলে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে।

চার ম্যাচ শেষে ৬ পয়েন্ট নিয়ে অ্যাথলেটিকের অবস্থানও শক্ত হয়েছে। আর সান মামেসে ৩-০ গোলের এই জয় নিঃসন্দেহে এদিন তেরজিচের দলের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বড় উপলক্ষ হয়ে থাকল।

রোনালদোর আল-নাসরকে হারিয়ে শীর্ষস্থান কেড়ে নিল আল-ইত্তিহাদ

0

সৌদি প্রো লিগে বড় ধাক্কা খেল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আল-নাসর। জমজমাট ম্যাচে আল-ইত্তিহাদের কাছে ২-১ গোলে হেরে গেছে তারা। পাশাপাশি টানা চার জয়ের পর মৌসুমের প্রথম হারের স্বাদও পেলো ক্লাবটি। একই সাথে হারিয়েছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান।

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে আল-ইত্তিহাদ। ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠেছেন তরুণ ফরোয়ার্ড জর্জ ইলেনিখেনা। মাত্র ২০ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করে আল-নাসরকে বড় চাপে ফেলে দেন।

ম্যাচের মাত্র চতুর্থ মিনিটেই গোলের দেখা পায় আল-ইত্তিহাদ। পেনাল্টি এলাকার ভেতর দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে বল জালে পাঠান ইলেনিখেনা। শুরুতেই ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে রোনালদোর দল।

এরপরও আল-ইত্তিহাদের আক্রমণের ধার কমেনি। ২২তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ইলেনিখেনা। আরও দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠিয়ে স্বাগতিকদের ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। ম্যাচের প্রথমার্ধের অর্ধেক সময় পার হওয়ার আগেই দুই গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে আল-নাসর।

দুই গোল হজমের পর নিজেদের কৌশলে পরিবর্তন আনে আল-নাসর। রোনালদো ও তার আক্রমণভাগের সতীর্থরা গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। শেষ পর্যন্ত ৩৬তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসে। অ্যাঞ্জেলো গ্যাব্রিয়েল আল-নাসরের হয়ে ব্যবধান কমান। গোলটির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল রোনালদোর—পর্তুগিজ তারকার অ্যাসিস্ট থেকেই আসে গোলটি।

এই গোলের পর ম্যাচের চিত্র অনেকটাই বদলে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় আল-নাসর। দীর্ঘ সময় ধরে আল-ইত্তিহাদকে নিজেদের অর্ধে চাপে রাখে তারা। সমতা ফেরানোর জন্য একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকেন রোনালদো, জোয়াও ফেলিক্স ও দলের অন্যান্য আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা।

তবে আল-ইত্তিহাদও নিজেদের রক্ষণে কোনো ফাঁক তৈরি হতে দেয়নি। ম্যাচ যত গড়িয়েছে, ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন তাদের গোলরক্ষক প্রেদ্রাগ রাজকোভিচ। আল-নাসরের একাধিক আক্রমণ ঠেকিয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন তিনি। তার দৃঢ়তায় ২-১ গোলের লিড ধরে রাখতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা।

রোনালদোর সামনে গোল করার সুযোগ এসেছিল। কিন্তু পুরো ম্যাচে গোলের দেখা পাননি পর্তুগিজ মহাতারকা। সমতা ফেরানোর জন্য চেষ্টা চালালেও শেষ মুহূর্তে বারবার আল-নাসরের আক্রমণ থেমে যায় আল-ইত্তিহাদের জমাট রক্ষণে।

শেষ দিকে আল-ইত্তিহাদ অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করে। নিজেদের রক্ষণ শক্ত রেখে আল-নাসরের আক্রমণ সামলে নেয় তারা। ফলে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ গোলের দারুণ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।

এই জয় আল-ইত্তিহাদের জন্য বড় আত্মবিশ্বাসের কারণ হলেও আল-নাসরের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। মৌসুমের শুরুতে দারুণ ছন্দে থাকা রোনালদোর দল এবার বুঝতে পারল, শুধু আক্রমণভাগের তারকাখ্যাতি দিয়ে লিগের শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয় নিশ্চিত করা যায় না। ম্যাচটিতে আল-নাসরের রক্ষণভাগের দুর্বলতাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে আল-ইত্তিহাদের জয়ের মূল কারিগর নিঃসন্দেহে জর্জ ইলেনিখেনা। মাত্র ২০ বছর বয়সে রোনালদোর মতো তারকার দলের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করে ম্যাচের ভাগ্য অনেকটাই নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসেন তিনি।

আল-ইত্তিহাদের গোলরক্ষক রাজকোভিচের গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং দলের রক্ষণাত্মক দৃঢ়তাও শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখে।

ফলে বহুল প্রতীক্ষিত এই লড়াইয়ে আল-ইত্তিহাদের জয় শুধু তিন পয়েন্টের সাফল্য নয়, লিগের শীর্ষ দলগুলোর জন্যও শক্ত বার্তা। আর রোনালদোর আল-নাসরের জন্য অপরাজিত যাত্রা থামার পাশাপাশি শীর্ষস্থান হারানোর এই হার সামনে আরও কঠিন লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দুইবার এগিয়েও শেষ মুহূর্তে পয়েন্ট খোয়াল মেসির মায়ামি

0

দুইবার এগিয়ে গিয়েও জয় ধরে রাখতে পারল না ইন্টার মায়ামি। মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) রবিবার সকালে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছে লিওনেল মেসির দল। ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করায় পূর্ণ তিন পয়েন্টের বদলে এক পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে মায়ামিকে।

ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মায়ামি। ৩২ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোর গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। মাত্র তিন মিনিট পরই আটলান্টাকে সমতায় ফেরান মিগেল আলমিরন।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে আবারও এগিয়ে যায় মায়ামি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করেন লুইস সুয়ারেজ। ফলে বিরতিতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল মেসির দল।

মায়ামির হয়ে প্রথম গোলদাতা কাসেমিরো

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা করে মায়ামি। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার মাত্র তিন মিনিট আগে আটলান্টাকে সমতায় ফেরান ব্রিল এমবোলো। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।

ড্র করেও ইস্টার্ন কনফারেন্সের দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে ইন্টার মায়ামি। ম্যাচের আগে ২২ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট ছিল তাদের; এই ড্রয়ে ২৩ ম্যাচে পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৪৩। ২৩ ম্যাচে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নাশভিল এসসি।

ঘরের মাঠে নরউইচের কাছে হারলো হামজার শেফিল্ড

0

শেফিল্ড ইউনাইটেডের অপরাজিত যাত্রা থামিয়ে নরউইচের দুর্দান্ত জয়

চ্যাম্পিয়নশিপে ঘরের মাঠেই মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেলো হামজা চৌধুরীর শেফিল্ড ইউনাইটেড। ব্রামল লেনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিকদের ৩-১ গোলে হারিয়ে মৌসুমে নিজেদের প্রথম অ্যাওয়ে লিগ জয় তুলে নিয়েছে নরউইচ সিটি। ম্যাচজুড়ে দারুণ নিয়ন্ত্রিত ফুটবল খেলে প্রাপ্য জয়ই পেয়েছে সফরকারীরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল নরউইচ। মাত্র ৮ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। ডাচ উইঙ্গার অ্যান্থনি মুসাবা বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে বল জালে পাঠান। মুসাবার শটটি হামজা ঠেকানোর চেষ্টা করলেও বলের নাগাল পাননি। মুসাবার নেয়া শট শেফিল্ড গোলরক্ষক মাইকেল কুপারের হাতে লেগে ক্রসবারে আঘাত করে গোললাইন পেরিয়ে যায়। ফলে দ্রুতই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় নরউইচ।

এরপর অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে শেফিল্ড ইউনাইটেড। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা লিয়াম কিচিং কর্নার থেকে হেডে গোল করলেও ফাউলের কারণে সেটি বাতিল হয়। তবে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি স্বাগতিকদের। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে টাইরেস ক্যাম্পবেলের পাস থেকে শক্তিশালী শটে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান প্যাট্রিক বামফোর্ড।

নিজের ৩৩তম জন্মদিনে গোল করে বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে তোলেন বামফোর্ড। এরপর ম্যাচে উত্তেজনা আরও বাড়ে। দুই দলই একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করে। তবে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে আবারও এগিয়ে যায় নরউইচ। একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে গোলরক্ষক কুপারের সামনে গিয়ে ঠান্ডা মাথায় ফিনিশ করেন মোহামেদ তোরে। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় নরউইচের ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আক্রমণের ধার ধরে রাখে নরউইচ। মুসাবার একটি শট ভালোভাবে ঠেকিয়ে দেন কুপার। অন্যদিকে শেফিল্ডের বদলি খেলোয়াড় কালভিন ফিলিপস দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করলেও তার প্রচেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

ম্যাচের শেষ দিকে শেফিল্ড ইউনাইটেড যখন সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণে উঠছিল, তখনই নরউইচের হয়ে ব্যবধান বাড়ান আরেক বদলি খেলোয়াড় ম্যাথিয়াস কভিস্টগার্ডেন। সাবেক শেফিল্ড খেলোয়াড় আন্দ্রে ব্রুকসের নেওয়া শট গোললাইন থেকে দুর্দান্তভাবে ব্লক করেন হামজা চৌধুরী। কিন্তু ফিরতি বল পেয়ে গোল করে নরউইচের জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে দেন কভিস্টগার্ডেন।

শেষদিকে বামফোর্ডের সামনে ব্যবধান কমানোর সুযোগ এসেছিল। অলিভার আরব্লাস্টারের পাসে গোলের সুযোগ পেলেও নরউইচের ডিফেন্ডাররা শেষ মুহূর্তে তাকে ভালোভাবে চাপ দিয়ে গোল করতে দেননি।

শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে নরউইচ। এর ফলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মৌসুমের শুরুতে শেফিল্ড ইউনাইটেডের অপরাজিত থাকার রেকর্ডও থেমে গেল।

মৌসুমের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না নরউইচের। প্রথম দুই ম্যাচেই হারের মুখ দেখেছিল তারা। তবে নিজেদের শেষ তিন ম্যাচের মধ্যে এটি তাদের দ্বিতীয় জয়। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলে ১১তম স্থানে উঠে এসেছে নরউইচ।

অন্যদিকে মৌসুমের প্রথম হার হজম করে শেফিল্ড ইউনাইটেড নেমে গেছে ১৪তম স্থানে। প্রথম চার ম্যাচে এক জয়ের বিপরীতে ড্র ছিলো শেফিল্ডের। ৫ম ম্যাচে ঘরের মাঠেই হারতে হলো ‘স্টিল সিটি’কে।

লাউতারোর জোড়া গোলে ইন্টারের নাটকীয় জয়

0

দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে নাপোলিকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মিলান। নাটকীয় এই জয়ে নতুন সেরি আ মৌসুমে নিজেদের চমৎকার শুরু ধরে রাখল মিলান। নির্ধারিত সময়ের পর অধিনায়ক লাউতারো মার্তিনেজের করা গোলেই শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত হয় ইন্টারের।

সান সিরোয় সাবেক এসি মিলান কোচ মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রির নাপোলি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে তারা এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।

৫০তম মিনিটে ইন্টার নিজেদের অর্ধ থেকে আক্রমণ গড়ার সময় বল হারালে সুযোগ পেয়ে যায় নাপোলি। অ্যালিসন সান্তোসের পাঠানো বল ইন্টারের গোলরক্ষক জোসেপ মার্তিনেজ ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বল পেয়ে মাত্তেও পলিতানো শট নেন। নিকোলো বারেল্লার গায়ে লেগে বল আবার পলিতানোর কাছেই ফিরে আসে। দ্বিতীয় চেষ্টায় নিচের কোণে বল পাঠিয়ে নাপোলিকে এগিয়ে দেন তিনি।

এর মাত্র তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে নাপোলি। অ্যালিসন সান্তোসের শটও ইন্টার গোলরক্ষক ঠেকিয়েছিলেন। কিন্তু বল টাচলাইনের বাইরে যাওয়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে নেন জিওভান্নি দি লরেঞ্জো। তাঁর পাস পেয়ে রাসমুস হলুন্ড বাম পায়ের দারুণ শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে এরপর জেগে ওঠে ইন্টার। ৫৬ মিনিটে পিয়েতর জিয়েলিনস্কির ভাসানো ক্রস দেখে মনে হচ্ছিল বলটি দূরের পোস্টের বাইরে চলে যাবে। কিন্তু দুর্দান্তভাবে ফিরে এসে ফেদেরিকো দিমার্কো বলটি ছয় গজ বক্সের দিকে কাটব্যাক করেন। সেখান থেকে লাউতারো মার্তিনেজের আচমকা নেওয়া শট নাপোলির জালে গিয়ে পৌঁছে।

গোলের পর দর্শকের কাছে জোড়া গোলদাতা লাউতারো মার্তিনেজ

এরপর সমতা ফেরানোর আরও কাছে যায় ইন্টার। মার্কাস থুরামের হেড দূরের পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তবে আরেকটি সুযোগে ভুল করেননি ফরাসি ফরোয়ার্ড। ম্যাচ শেষ হওয়ার আট মিনিট আগে কার্লোস অগুস্তোর ক্রস থেকে পাওয়া বলে মাথা ছুঁইয়ে ইন্টারকে ২-২ সমতায় ফেরান থুরাম।

শেষ মুহূর্তে জয় হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় পড়ে নাপোলি। এরপর ইন্টারই চাপ বাড়াতে থাকে। যোগ করা সময়ে কর্নার থেকে পাওয়া বল নাপোলির রক্ষণ ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেনি। ম্যানুয়েল আকানজি বলটি আবার গোলমুখে ফেরান। আর সেখানেই সুযোগ বুঝে বল জালে জড়িয়ে দেন লাউতারো।

গোলের সঙ্গে সঙ্গে সান সিরোর গ্যালারিতে শুরু হয় উচ্ছ্বাস। ০-২ থেকে ৩৪ মিনিটের ব্যবধানে ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে দেয় ইন্টার।

এর আগে ম্যাচের শুরুটাও ছিল বেশ প্রাণবন্ত। অ্যান্ডি দিয়ুফের বক্সের প্রান্ত থেকে নেওয়া নিচু শট ঠেকাতে হয় নাপোলির গোলরক্ষক অ্যালেক্স মেরেতকে। বিরতির ঠিক আগে নাপোলিও এগিয়ে যেতে পারত। বিরতিতে যাওয়ার আগে ইন্টারকে এগিয়ে দিতে পারতেন দিমার্কোও। প্রায় ২০ গজ দূর থেকে তাঁর বাঁকানো ফ্রি-কিক নাপোলির গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। সেই সুযোগের পরই শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় নিশ্চিত করে ইন্টার।

হালান্ডের গোলে সিটির টানা তৃতীয় জয়

0

আর্লিং হালান্ডের প্রথমার্ধের হেডে কভেন্ট্রিকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে জয়ের চেয়েও ম্যাচটির বড় আকর্ষণ ছিল চেলসি থেকে সদ্য যোগ দেওয়া এনজো ফার্নান্দেজের আগাম অভিষেক। নির্ধারিত পরিকল্পনার আগেই মাঠে নেমে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার নিজের সামর্থ্যের ছাপ রেখেছেন।

ফার্নান্দেজকে শুরুতে রাখা হয়েছিল বেঞ্চে। কিন্তু ম্যাচ শুরুর আগে ওয়ার্ম-আপে নিকো ও’রেইলি চোট পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে একাদশে ঢুকে যান ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের এই নতুন সংযোজন। অভিষেকেই প্রাণবন্ত পারফরম্যান্সে মাঝমাঠে রায়ান শেরকির সঙ্গে দ্রুত বোঝাপড়া গড়ে তোলেন তিনি।

১৬ মিনিটে প্রথম সুযোগ

ম্যাচের ১৬ মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায় সিটি। শেরকির পাস থেকে হালান্ডের শট ঠেকিয়ে দেন কোভেন্ট্রি গোলরক্ষক কার্ল রাশওয়ার্থ। কিছুক্ষণ পর আরও বড় সুযোগ আসে। মাঝমাঠ থেকে ফার্নান্দেজ আক্রমণ তৈরি করে হালান্ডকে না দিয়ে বল দেন শেরকিকে। ফরাসি ফরোয়ার্ডের নিচু শট ডান পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

এর দুই মিনিট পরই অবশ্য গোল পেয়ে যায় সিটি। ফার্নান্দেজের পাস থেকে অঁতোয়ান সেমেনিও বাইলাইন থেকে দারুণ ক্রস করেন। গোলরক্ষক রাশওয়ার্থের মাথার ওপর দিয়ে যাওয়া বলের সামনে উঠে অরেলে আমেন্দাকে পেছনে ফেলে হেড করেন হালান্ড। ২৬ মিনিটের সেই গোলেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। চলতি মৌসুমে এটি নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের তৃতীয় গোল।

ম্যানসিটির হয়ে প্রথমবার মাঠে নামা এঞ্জো ফার্নান্দেজ

আধিপত্য সত্ত্বেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি

দ্বিতীয়ার্ধে সিটি বল দখলে আধিপত্য ধরে রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। প্রায় এক ঘণ্টা পর হালান্ডের বল জালে জড়ালেও গোলটি বাতিল হয়। ফার্নান্দেজ অফসাইডে ছিলেন।

ম্যাচের শেষ দিকে অবশ্য চাপের মুখে পড়ে সিটি। পুরো ম্যাচে মাত্র ২২ শতাংশ বল দখলে রাখা কোভেন্ট্রি শেষ দিকে আক্রমণের ধার বাড়ায়। বদলি লুম তশুয়ানা ও এলিস সিমস গোলের সুযোগ তৈরি করেন। ৭০ মিনিটে তশুয়ানার নিচু শট দারুণভাবে ঠেকান সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোনারুমা। শেষ দিকে সিমসের একেবারে কাছ থেকে নেওয়া শটও মুখ দিয়ে ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেন তিনি।

শেষ সময়ে বিপদে সিটি

ম্যাচের শুরুতেও অবশ্য সিটি বিপদে পড়েছিল। আবদুকোদির খুসানভের ব্যাকপাস নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভুল করেন দোনারুমা। পরে বল লাইন থেকে ক্লিয়ার করে পরিস্থিতি সামাল দেন। আরেক দফায় তাইও আওনিইয়ি সেমেনিওর ভুল পাস কেটে গোলের দিকে ছুটলেও তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

টিভিতে আজকের খেলা: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

0

নারী এশিয়ান কাপে আছে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনাল-চেলসির লন্ডন ডার্বি।

আনঅফিশিয়াল ওয়ানডে
বাংলাদেশ এ দল-দ. আফ্রিকা এ দল
দুপুর ১-৩০ মি., ক্রিকেট সিএ টিভি ইউটিউব

নারী এশিয়ান কাপ ক্রিকেট
শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ
রাত ৮-৩০ মি., টি স্পোর্টস

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
এভারটন-ইউনাইটেড

সন্ধ্যা ৭টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

আর্সেনাল-চেলসি
রাত ৯-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

লা লিগা
ভ্যালেন্সিয়া-বার্সেলোনা
সন্ধ্যা ৮-১৫ মি., টি স্পোর্টস, ফ্যানকোড

আলাভেস-ওসাসুনা
রাত ১০-৩০ মি., টি স্পোর্টস, ফ্যানকোড

এস্পানিওল-সেভিয়া
রাত ১টা, টি স্পোর্টস, ফ্যানকোড

ইউএস ওপেন
শেষ ষোলো

রাত ৯টা, স্টার স্পোর্টস ১ ও ২

সিরি আ
জুভেন্টাস-মিলান
রাত ১২-৪৫ মি., জি ফাইভ, বিগিন অ্যাপ

একতরফা ম্যাচে ভারতের কাছে ৭ উইকেটে হারলো পাকিস্তানের মেয়েরা

0

চারানি-রাওয়াতের ঘূর্ণিতে ৫৫ রানে অলআউট পাকিস্তান

নারী এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে একতরফা ম্যাচে ৭ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। দুবাইয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ৫৫ রানে অলআউট করে ভারত ৬৮ বল হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের জয়ের মূল নায়ক দুই স্পিনার এন শ্রী চারানি ও প্রেমা রাওয়াত। দুজনেই শিকার করেছেন তিনটি করে উইকেট।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অবশ্য একেবারে খারাপ করেনি পাকিস্তান। দুই ওপেনার মিলে স্কোরবোর্ডে ২৭ রান যোগ করেন। কিন্তু এরপরই শুরু হয় ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়। মাত্র ২৯ বলের মধ্যে ৮ রান যোগ করতেই ৬ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। ২৭ রানে বিনা উইকেট থেকে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৩৫ রানে ৬ উইকেট।

উইকেট শিকার করে শ্রী চারানির উচ্ছ্বাস!

পাকিস্তানের কোনো ব্যাটারই ভারতীয় বোলারদের সামনে স্বচ্ছন্দে রান তুলতে পারেননি। দীর্ঘ সময় ধরে ডট বল খেলে চাপে পড়ে যায় তারা। দুবাইয়ের পিচে বল বেশ ঘুরছিল। সেই ঘূর্ণির বিপক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলতে গিয়ে একের পর এক উইকেট হারায় পাকিস্তান।

দলের হয়ে একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ গড়েন শাওয়াল জুলফিকার। তিনি ১৪ বলে ১৪ রান করেন। তার আগে ওপেনাররা দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও আর কোনো ব্যাটারই বলপ্রতি অন্তত এক রান করে এগোতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৫৫ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। এটি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তান নারী দলের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।

ভারতের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন বাঁহাতি স্পিনার এন শ্রী চারানি। নিজের প্রথম ওভারেই তুলে নেন দুই উইকেট। তার স্পিনের ফ্লাইট, ড্রিফট, ডিপ ও টার্নে বিভ্রান্ত হয়ে উইকেট হারান পাকিস্তানের ব্যাটাররা। পরে শাওয়াল জুলফিকারকেও এলবিডব্লিউ করে সাজঘরে ফেরান তিনি।

চার ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন চারানি।

তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দেন লেগস্পিনার প্রেমা রাওয়াত। ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন তিনি। তার ২৪ বলের মধ্যে ১৯টিই ছিল ডট বল। পাকিস্তানের ব্যাটাররা তার নিয়ন্ত্রিত লাইন ও লেংথের বিপক্ষে কার্যত কোনো সমাধানই খুঁজে পাননি। সাদাফ শামাসকে বোল্ড করে নিজের তৃতীয় উইকেট পূর্ণ করেন রাওয়াত।

প্রেমা রাওয়াতের ঘূর্ণিতে ঝড়, ৯ রানে ৩ উইকেট শিকার করলেন ভারতীয় স্পিনার।

ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের অসহায়ত্ব ছিল স্পষ্ট। নিজেদের ২০০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নামা পাকিস্তান মাত্র ৩৫ রানেই ৬ উইকেট হারানোর পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

৫৬ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও অবশ্য শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত। পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই দুই উইকেট তুলে নেন। তার শিকার হন শেফালি ভার্মা ও স্মৃতি মান্ধানা।

শেফালিকে সাজঘরে পাঠিয়ে ফাতিমার ‘কোল্ড সেলিব্রেশন’

শেফালি আউট হওয়ার আগে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩ হাজার রান পূর্ণ করেন। তবে সেই মাইলফলক ছোঁয়ার পরপরই ফাতিমা সানার বলে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর স্মৃতি মান্ধানাকেও এলবিডব্লিউয়ের সিদ্ধান্তে আউট করেন ফাতিমা। সিদ্ধান্তটি নিয়ে কিছুটা বিতর্ক থাকলেও এই ম্যাচে কোনো ডিআরএস না থাকায় সেটি পর্যালোচনার সুযোগ ছিল না।

তবে এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর ও দীপ্তি শর্মা। দুজনের ব্যাটে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।

ভারত ৮.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রান করে। হারমানপ্রীত কৌর অপরাজিত থাকেন ১৮ রানে, আর দীপ্তি শর্মাও দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পাকিস্তানের হয়ে ফাতিমা সানা ৩.০ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন।

শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট ও ৬৮ বল হাতে রেখে জয় পায় ভারত।

এই ম্যাচে ভারতের শ্রেষ্ঠত্ব ছিল ব্যাটিংয়ের চেয়ে বোলিংয়ে। শ্রী চারানি ও প্রেমা রাওয়াতের ঘূর্ণিতে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরের জন্য ম্যাচটি ছিল আরও বিশেষ। পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পুরুষ ও নারী মিলিয়ে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে ১৫০টি ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।

ম্যাচ শেষে ভারতের পারফরম্যান্সে স্পষ্ট ছিল তাদের নিয়ন্ত্রণ। আগের ম্যাচগুলোতে ভালো খেলেও প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া ভারত এই ম্যাচে শুরু থেকেই পাকিস্তানের ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। যদিও ফিল্ডিংয়ে কয়েকটি ভুল করেছে তারা, সেটি ম্যাচের ফলে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।

অন্যদিকে পাকিস্তানের জন্য বড় ধাক্কা এই ব্যাটিং বিপর্যয়। সেমিফাইনালের দৌড়ে এখনও টিকে আছে তারা। পরের ম্যাচে হংকংকে হারাতে পারলেই শেষ চারে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে নকআউট পর্বে এমন ব্যাটিং পারফরম্যান্স চলতে থাকলে বড় সমস্যায় পড়তে হতে পারে পাকিস্তানকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান: ৫৫/১০ (১৮.১ ওভার) অলআউট
ভারত: ৫৭/৩ (৮.৪ ওভার)
ফল: ভারত ৭ উইকেটে জয়ী
সেরা খেলোয়াড়: এন শ্রী চারানি

কণ্ঠ থেমেছে, স্মৃতি অমলিন-প্রয়াত ক্রীড়া ভাষ্যকারদের ভালবাসা-শ্রদ্ধায় স্মরণ করলো বিএসসিএ

0

স্মরণ সভা

খেলার মাঠের উত্তেজনা, রোমাঞ্চ আর আবেগকে কণ্ঠের জাদুতে যারা দর্শক-শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, খেলার মাঠকে যারা শ্রোতাদের চোখের সামনে ভাসিয়ে তুলতেন, সময়ের স্রোতে সেই প্রিয় কণ্ঠগুলো আজ আমাদের মাঝে নেই কিন্তু ক্রীড়াপ্রেমীদের হৃদয়ে যেন এখনো অমলিন তাদের কন্ঠের উত্তেজনা আর হৃদয়গ্রাহী খেলার মাঠের ধারাবর্ণনা। ক্রীড়া ধারাভাষ্যের সেইসব কিংবদন্তিদের কন্ঠ থেমেছে, কিন্তু স্মৃতিতে যারা এখনও অমলিন সেই সব প্রয়াত ক্রীড়া ভাষ্যকারদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করলো বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস এসোসিয়েশন (বিএসসিএ)

স্মরণ সভার একটি দৃশ্য

রাজধানীর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলন কক্ষে ৫ সেপ্টেম্বর, আয়োজিত দোয়া ও স্মরণসভায় স্মরণ করা হয় বাংলা ক্রীড়া ধারাভাষ্যের পথিকৃৎ আবদুল হামিদ, আতাউল হক মল্লিক, বদরুল হুদা চৌধুরী, তৌফিক আজিজ খাঁন, মোহাম্মদ শাহজাহান, খোদা বকস মৃধা, মন্জুর হাসান মিন্টু, নুর আহমেদ, মোহাম্মদ মুসা, এস কে মাহবুব, হান্নান খান সহ প্রয়াত সকল ক্রীড়া ভাষ্যকারদের।

স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসসিএর সভাপতি ডা. অনুপম হোসেন, প্রধান উপদেষ্টা ও জীবন্ত কিংবদন্তি ক্রীড়া ভাষ্যকার আলফাজ উদ্দিন আহমেদ, উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কমেন্টেটর শামীম আশরাফ চৌধুরী, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক শামসুল ইসলাম এবং ক্রীড়া সাংবাদিক, সংগঠক, তরুন ক্রীড়া ভাষ্যকার এবং প্রয়াত ক্রীড়া ভাষ্যকারদের পরিবারের সদস্য বৃন্দ।

স্মরণ সভায় উপস্থিত বাঁ দিক থেকে ডা. অনুপম হোসেন, আলফাজ উদ্দিন আহমেদ, শামীম আশরাফ চৌধুরী ও শামসুল ইসলাম

প্রয়াত ধারাভাষ্যকারদের মধ্যে আবদুল হামিদ ছিলেন বাংলা ধারাভাষ্যের পথিকৃৎ, এছাড়া আতাউল হক মল্লিক ছিলেন ধারাভাষ্যকার ও ফুটবল রেফারি এবং ক্রীড়া লেখকসহ নানা গুনে গুণান্বিত। খোদা বকস মৃধা ধারাভাষ্যে সাহিত্যের কথা আর কন্ঠের মডুলেশনে ধারাভাষ্যকে শ্রুতি মধুর করে তুলতেন এমন নানা গুনের কথা স্মরণ করে আলোচনা করা হয়। এছাড়া বদরুল হুদা চৌধুরী, মোহাম্মদ মুসা, মঞ্জুর হাসান মিন্টু সহ অনেকের ধারাভাষ্যের স্মৃতি রোমন্থণ করেন অনুজ ধারাভাষ্যকার ও পরিবারের সদস্যরা।

আতাউল হক মল্লিকের ছেলে জাহিদুল হক মল্লিক বাবার স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে বলেন- বাবা ধারাভাষ্য দিয়ে বাসায় ফিরে আমাদের লেখা পড়ার খোঁজ খবর নিতে ভুল করতেন না এছাড়া অনুষ্ঠানে মন্জুর হাসান মিন্টুর সহধর্মিনী পারভিন হাসান, ধারাভাষ্যকার মোহাম্মদ মুসার ছোট বোন সুরাইয়া বেগমও প্রয়াতদের স্মরণ করে তাদের ভাল গুন ও কাজ নিয়ে স্মৃতি চারণ করেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি পলাশ খান, নির্বাহী সদস্য কাজল সরকার, সহ সাধারন সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বোরহান, ধারাভাষ্যকার এম এ মুরাদ, তামান্না সিদ্দিকী, আমানুল্লাহ সরকার এবং সমন্বয় ঘোষ সহ সম্ভাবনাময় তরুণ ধারাভাষ্যকারগণসহ প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানের একাংশ

যাদের কণ্ঠে একসময় রেডিও কিংবা টেলিভিশনের সামনে বসে অসংখ্য মানুষ উপভোগ করেছেন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের নানা ঐতিহাসিক মুহূর্ত: বক্তারা বলেন, ক্রীড়া ভাষ্যকাররা শুধু একটি ম্যাচের বর্ণনাকারী নন; তারা একটি সময়, একটি প্রজন্ম এবং একটি ক্রীড়া ইতিহাসের সাক্ষী। তাদের কণ্ঠে খেলার মুহূর্তগুলো হয়ে উঠতো প্রাণবন্ত আরও স্মরণীয়। তাই তাদের অবদানকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং প্রতিবছর এই স্মরণ সভার যাত্রা অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

স্মরণসভায় ক্রীড়া ধারাভাষ্যের মান উন্নয়ন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে কর্মশালার আয়োজন করা হবে বলে সভাপতি ডা. অনুপম হোসেন আশান্বিত করেন তরুন ধারাভাষ্যকারদের। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্টেডিয়ামের কমেন্ট্রি বক্স প্রয়াত গুণী ভাষ্যকারদের নামে নামকরণের দাবি উঠলে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে বলে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা বর্ষিয়ান ধারাভাষ্যকার আলফাজ উদ্দিন আহমেদ এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার শামীম আশরাফ চৌধুরী আশা প্রকাশ করেন।

স্মরন সভায় তরুন উপস্থিতি

অনুষ্ঠানে হিন্দি ধারাভাষ্যের পাইওনিয়ার ড. রবি চতুর্বেদীর (অনুষ্ঠানের জন্য শুভ কামনা জানিয়ে) পাঠানো একটি খুদে বার্তা পাঠ করে শোনান বিএসসিএর সাধারন সম্পাদক শামসুল ইসলাম এবং স্মরণ সভা অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন বিএসসিএর সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান।

মোনাজাত: অনুষ্ঠানে প্রদান অতিথির বক্তব্য শেষে প্রয়াত ক্রীড়া ভাষ্যকারদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। প্রিয় সেই কণ্ঠগুলো আজ মাইক্রোফোনে নেই, কিন্তু তাদের বলা প্রতিটি শব্দ বাংলাদেশর জয়ের জন্য তারা প্রকাশ করে গেছেন। তাদের ভাল কাজের প্রতিদানস্বরূপ মহান আল্লাহ যেন তাঁদের ক্ষমা করে জান্নাত বাসী হিসেবে কবুল করেন বলে আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করা হয়।