Home Blog Page 19

এএফসি অ-২০ বাছাইপর্বে ভারতের কাছেও বড় ব্যবধানে হার বাংলাদেশের

0

ভারতের কাছে ৩-০ গোলের হার দিয়ে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্ব শেষ করেছে বাংলাদেশ। উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিত চার দলের গ্রুপে তিন ম্যাচের সবকটিতেই হেরে পয়েন্টশূন্য অবস্থায় তলানিতে থেকে অভিযান শেষ করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

প্রথমবারের মতো এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার লক্ষ্য নিয়ে উজবেকিস্তানে গিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শুরু থেকেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয় দলকে।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক উজবেকিস্তানের কাছে ২-০ গোলে হারে বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে সিরিয়ার বিপক্ষেও একই রকম হতাশা। ওই ম্যাচে ৩-০ গোলে পরাজয়ের পরই কোচিং স্টাফে বড় পরিবর্তন আসে। ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্সকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের দায়িত্ব পান সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশু।

তবে কোচ পরিবর্তনেও বদলায়নি বাংলাদেশের পারফরম্যান্স। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে এগিয়ে ছিল প্রতিবেশী দলটি। প্রথমার্ধেই একবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠায় তারা।

বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ভারত। বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে চাপে রেখে আরও দুটি গোল আদায় করে নেয় তারা। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত।

এই হার আরও হতাশার, কারণ মাত্র কয়েক মাস আগেই ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সাফল্যের পর এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে দলটির কাছ থেকে প্রত্যাশাও ছিল বেশি।

কিন্তু উজবেকিস্তানের মাটিতে তিন ম্যাচে বাংলাদেশ কোনো গোলই করতে পারেনি। বিপরীতে হজম করেছে আট গোল।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে টুর্নামেন্টের আগে কোচিং স্টাফকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। ঢাকায় দলের হোটেলে জেরার্ড জোন্স ও আতিকুর রহমান মিশুর মধ্যে শারীরিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে জোন্স পুলিশে অভিযোগ করেন। সেই ঘটনার পরও দুজনই দলের সঙ্গে উজবেকিস্তান সফরে গেলেও টুর্নামেন্টে মেশুকে ডাগআউটে দেখা যায়নি।

সব মিলিয়ে মাঠের ব্যর্থতা আর মাঠের বাইরের অস্থিরতা, দুই মিলিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের অভিযানটা বাংলাদেশের জন্য হয়ে থাকল হতাশার।

গ্রুপের তলানিতে থাকায় পরবর্তী বাছাইপর্বে ফেরার আগে ডেভেলপমেন্ট কাপে খেলতে হতে পারে বাংলাদেশকে। ফলে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার স্বপ্ন আপাতত অধরাই রয়ে গেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

প্রস্তুতি ম্যাচে বড় পরীক্ষার মুখোমুখি বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল

0

এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতে এবার বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল। চীনের সিনিয়র জাতীয় দলের বিপক্ষে তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

আগামীকাল তিয়ানজিনের জিংহাই জেলার তুয়ানবো স্পোর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় শুরু হবে দুই দলের লড়াই।

এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে বর্তমানে চীনে অবস্থান করছে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল। মূল আসরে নিজেদের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতেই সেখানে মোট পাঁচটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে দলের।

এরই মধ্যে চীনের দুটি প্রাদেশিক দলের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচগুলোতে নিজেদের সামর্থ্য ও কৌশল পরখ করার সুযোগ পেয়েছেন খেলোয়াড়রা। তবে এবার প্রতিপক্ষ আরও শক্তিশালী। সরাসরি চীনের মূল জাতীয় দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

ফলে আগামীকালের ম্যাচটি বাংলাদেশের প্রস্তুতির জন্য হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এক পরীক্ষা। চীনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলে নিজেদের রক্ষণভাগ, আক্রমণ এবং ম্যাচ পরিকল্পনার কার্যকারিতা যাচাই করতে পারবে বাংলাদেশ।

এশিয়ান গেমসের আগে আন্তর্জাতিক মানের শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমন ম্যাচ খেলাকে দলের প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ম্যাচের গতি, চাপ সামলানো এবং নিজেদের কৌশল বাস্তবায়নে চীনের বিপক্ষে ম্যাচটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

চীনে পাঁচ ম্যাচের প্রস্তুতি পর্বের অংশ হিসেবে আগামীকালের ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার লক্ষ্য বাংলাদেশের। প্রাদেশিক দলের বিপক্ষে দুই ম্যাচের পর এবার চীনের মূল জাতীয় দলের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্যের আরও কঠিন পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ঋতুপর্ণাদের প্রতিপক্ষ গুয়াংডং এফসি

0

জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠেয় এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে চীনের ফোশানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। মূল আসরে মাঠে নামার আগে চীনে নিজেদের আরও একবার ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে সাবিনা-কৃষ্ণারা। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শক্তিশালী গুয়াংডং উইমেন্স এফসির বিপক্ষে দু’টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

আজ ৬ সেপ্টেম্বর শিসান ফুটবল বেসে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অনুশীলনে ঘাম ঝরায় বাংলাদেশের মেয়েরা। এশিয়ান গেমসের আগে নিজেদের কৌশল, ফিটনেস ও ম্যাচের প্রস্তুতি আরও নিখুঁত করতেই এই অনুশীলনকে গুরুত্ব দিচ্ছে দল।

আগামীকাল সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায়, বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় গুয়াংডং ফুটবল বেসে গুয়াংডং উইমেন্স এফসির বিপক্ষে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি হবে ক্লোজড-ডোর, অর্থাৎ দর্শক ও গণমাধ্যমের উপস্থিতি থাকবে না।

গুয়াংডং উইমেন্স এফসি চীনের শীর্ষ পর্যায়ের নারী ফুটবল কাঠামোর একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল। ২০২৬ সালের লিগে বর্তমানে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে তারা। চীনের শীর্ষ সারির বেশ কয়েকটি ক্লাবের বিপক্ষে নিয়মিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এই দলের বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ এক পরীক্ষা।

গুয়াংডংয়ের দলে রয়েছেন ঘানা অনূর্ধ্ব-২০ দলের ফরোয়ার্ড অ্যাগনেস ইয়েবোয়াহ। ২০২৬ মৌসুমে ক্লাবটিতে যোগ দেওয়া এই ফরোয়ার্ডের উপস্থিতি বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচে বাড়তি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও মান যোগ করবে।

গুয়াংডংয়ের বিপক্ষে ৭ ও ১০ সেপ্টেম্বর দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর চীন থেকে জাপানের উদ্দেশে রওনা হবে দল। সেখানে আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের মূল লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশের মেয়েরা।

চীনে প্রস্তুতির শেষ ধাপ পার করে জাপানে মূল পরীক্ষার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। তাই গুয়াংডংয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচে নিজেদের শক্তি, দুর্বলতা ও কৌশল যাচাই করে এশিয়ান গেমসের জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়াই এখন দলের মূল লক্ষ্য।

পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

0

চাইনিজ তাইপের পর পাকিস্তানও বাংলাদেশের সামনে দাঁড়াতে পারল না। একের পর এক গোল করে নারী জুনিয়র এশিয়া কাপ হকির চ্যালেঞ্জার পুলে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।

হুলুনবুইরে রোববার পাকিস্তানকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে কনা আক্তার-নাদিরা এমাররা। প্রথম ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশ। নবম মিনিটে ফিল্ড গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লনিমা নুপুর। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে নাদিরা এমার গোল করলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই ব্যবধান আরও বাড়ান রিমন সারিকা। পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে গোল করেন তিনি। তিন গোল হজমের পর অবশ্য একটি গোল শোধ করে পাকিস্তান।

তবে এরপর আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ দেয়নি বাংলাদেশ। তৃতীয় কোয়ার্টারের শেষ দিকে কনা আক্তার গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন। চতুর্থ কোয়ার্টারের শেষ দিকে আইরিন রিয়া গোল করলে ৫-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয়।

চ্যালেঞ্জার পুলে বাংলাদেশের তৃতীয় ম্যাচ মঙ্গলবার। ওই ম্যাচে কাজাখস্তানের মুখোমুখি হবে তারা।

বালিকা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল জেলা

0

ধানমন্ডিস্থ শহীদ রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে আন্তঃবিভাগীয় অনূর্ধ্ব-১৬ বালিকা ফুটবল প্রতিযোগিতা। ১৪টি জেলার অংশগ্রহণে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের ফাইনালে রাঙ্গামাটি জেলাকে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা।

প্রতিযোগিতা শেষে আয়োজিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার পর তিনি দেশের নারী ক্রীড়ার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমাদের এই নারী ক্রীড়াবিদদের আমরা দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে চাই। নারী অগ্রযাত্রায় আমরা বিশেষ ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। নারীরা খেলাধুলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আমাদের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিধি পেরিয়ে আরও বহুদূরে এগিয়ে যাবে-এটাই আমাদের বিশ্বাস। এ লক্ষ্যে সরকার নারী ক্রীড়াবিদদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি আরও জানান, মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সসহ সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা ক্রীড়া অবকাঠামোগুলোকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। বর্তমান সরকার ছেলে ও মেয়ে উভয়ের খেলাধুলাকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের নারীরা কেবল আবদ্ধ ঘর বা নির্দিষ্ট মাঠে সীমাবদ্ধ থাকবে না; তারা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। প্রান্তিক অঞ্চল থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান নারী ক্রীড়াবিদরা নিজ পরিবার ও দেশের নাম বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল করবে।’

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা, সাধারণ সম্পাদক শারমিন আক্তার রত্না এবং সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

জুনিয়র এশিয়া কাপে আবারও হার বাংলাদেশের

0

দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। আব্দুল্লাহ ও মাহাদীর গোলে সমতায় ফিরেছিল ম্যাচ। কিন্তু শেষ কোয়ার্টারে আবারও ছন্দ হারিয়ে ম্যাচটি হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশের যুবারা।

জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে পুল ‘বি’-এর ম্যাচে রোববার মালয়েশিয়ার কাছে ৪-২ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। চীনের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হেরে আসর শুরু করা দলটি টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও পেল না জয়ের দেখা।

প্রথম কোয়ার্টারে দুই দলের লড়াই ছিল বেশ সমানে সমান। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ হলেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

দ্বিতীয় কোয়ার্টারে অবশ্য দ্রুত দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে মালয়েশিয়া। দুই মিনিটের ব্যবধানে গোল দুটি করে তারা। তবে পিছিয়ে পড়ে ভেঙে পড়েনি বাংলাদেশ।

২৪তম মিনিটে সতীর্থের পাস ধরে সার্কেলে ঢুকে জোরাল হিটে মালয়েশিয়ার জালে বল পাঠান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তাঁর গোলে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে বাংলাদেশের।

তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই সেই আশা আরও জোরালো করেন মাহাদী হাসান। ৩৩তম মিনিটে দুরূহ কোণ থেকে রিভার্স হিটে গোল করে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান তিনি। চীনের বিপক্ষেও গোল করেছিলেন মাহাদী।

তবে শেষ কোয়ার্টারে আর ম্যাচ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। তিন মিনিটের ব্যবধানে ফাহমি সুজাইনি জোড়া গোল করে মালয়েশিয়ার জয় নিশ্চিত করেন।

টানা দুই ম্যাচ হেরে পয়েন্টশূন্য বাংলাদেশ পুল পর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলবে মঙ্গলবার। প্রতিপক্ষ কাজাখস্তান। বাংলাদেশের মতো কাজাখস্তানও এখনো কোনো পয়েন্ট পায়নি।

শেষ হলো চায়না অ্যাম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপ

0

১৯টি ক্লাবের ২৭৯ জন খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণে মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘অষ্টম চায়না অ্যাম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপ’। প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, চীনের সাথে সুসম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে সরকার ‘স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি’কে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং কেবল উশু নয়, সকল খেলাধুলার মানোন্নয়নে চীনের সহায়তা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

মার্শাল আর্টের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে চীনকে আখ্যা দিয়ে তিনি উশুর পাশাপাশি তায়কোয়ান্দো, কারাতে ও জুডোকেও সমান্তরালে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক দিলদার হাসান দিলু জানান, তৃণমূল থেকে নতুন খেলোয়াড় তুলে আনাই এই টুর্নামেন্টের প্রধান উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান এস এম শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

প্রতিযোগিতায় জিতি সার্ভিস ইভেন্টে প্রথম স্থান অর্জন করে বাংলাদেশ আর্মি এবং দ্বিতীয় স্থান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। জিতি সিভিল ইভেন্টে চাইনিজ উশু স্কুল প্রথম এবং রাজশাহী ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অর্গানাইজেশন দ্বিতীয় হয়। ডিসপ্লে ইভেন্টে প্রথম স্থান লাভ করে মডার্ন মার্শাল আর্ট ট্রেনিং সেন্টার এবং দ্বিতীয় হয় রাজশাহী ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অর্গানাইজেশন।

এছাড়া ডিসপ্লে সার্ভিস টিম ইভেন্ট এবং ডুইলিয়ান সার্ভিস টিম ইভেন্ট-উভয় বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ আর্মি এবং রানার্স-আপ হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। ডুইলিয়ান সিভিল ইভেন্টে কক্সবাজারের চাইনিজ উশু স্কুল প্রথম ও আব্দুল জলিল চৌধুরী মার্শাল আর্ট একাডেমি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে।

আয় বাড়াতে পিএসএল জানুয়ারিতে!

0

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) পরবর্তী আসর জানুয়ারিতে আয়োজনের কথা ভাবছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। বিজ্ঞাপনের বাজার থেকে আয় বাড়াতেই টুর্নামেন্টের সময় এগিয়ে আনার এই আলোচনা।

লন্ডনে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত পিএসএল গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় পিসিবি ও আট ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকেরা এ নিয়ে আলোচনা করেন। ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর খবর, পিএসএলের মিডিয়া স্বত্বাধিকারী ওয়ালি টেকনোলজিসই আগামী বছরের শুরুতে টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে।

এর পেছনে মূল কারণ বিজ্ঞাপনের বাজার। রমজানের পর এপ্রিল-মে মাসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিপণন ও টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের বাজেট কমে যাওয়ায় ওই সময়ে বিজ্ঞাপন থেকে আয় সীমিত থাকে। ফলে জানুয়ারিতে পিএসএল আয়োজন করা গেলে বাণিজ্যিকভাবে বেশি লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে সংশ্লিষ্টরা।

তবে সময় পরিবর্তন নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কিছু উদ্বেগও আছে। সম্প্রচার স্বত্ব থেকে প্রত্যাশিত আয় না হলে তাদের প্রাপ্য রাজস্ব ঠিকভাবে দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় রাজস্ব তহবিলের সম্প্রচার আয়ের ৯৫ শতাংশ পায় আট ফ্র্যাঞ্চাইজি।

২০১৬ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত পিএসএল হয়েছে ফেব্রুয়ারি-মার্চে। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ও চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কারণে গত দুই আসর এপ্রিল-মেতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ওই সময়ে আইপিএলের সঙ্গে সূচি সংঘাত তৈরি হলেও পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আইপিএলে অংশ না নেওয়ার কারণে পিএসএল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধা পেয়েছে।

জানুয়ারিতে ফিরলে অবশ্য বিগ ব্যাশ ও এসএ২০-এর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে পিএসএলকে। পাশাপাশি পাঞ্জাবের শীত, কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতাও হতে পারে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই করাচিতে টুর্নামেন্ট শুরু করে পরে লাহোর, মুলতান, রাওয়ালপিন্ডি ও পেশোয়ারে নেওয়ার প্রস্তাব এসেছে।

এ ছাড়া পিএসএলের পরিধি বাড়াতে ই-স্পোর্টসে প্রবেশ এবং বছরের মাঝামাঝি সময়ে আরেকটি সংস্করণ আয়োজনের সম্ভাবনাও আলোচনা করেছে গভর্নিং কাউন্সিল।

রোনালদো-এমবাপেকে ছাড়িয়ে মেসির ঠিক পেছনে হলান্ড

0

সুযোগ পেয়েছিলেন একের পর এক। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি আর্লিং হলান্ড। তাতে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত স্বস্তিতে থাকতে পারেনি ম্যানচেস্টার সিটি। শেষ পর্যন্ত সেই হলান্ডই পার্থক্য গড়ে দিলেন। দুর্দান্ত এক হেডারে দলকে এনে দিলেন জয়। একই সঙ্গে নিজের নাম লেখালেন নতুন এক রেকর্ডে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শনিবার রাতে কভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছেন হলান্ড। ক্লাব ক্যারিয়ারে এটি তাঁর ৩০০তম গোল। এই মাইলফলকে পৌঁছাতে তাঁর লেগেছে ৩৬৮ ম্যাচ।

পরিসংখ্যানভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম অপ্টা জো জানিয়েছে, ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩০০ গোল করতে হলান্ডের চেয়ে কম ম্যাচ লেগেছে শুধু লিওনেল মেসির। ২০১৩ সালে ৩৬৫ ম্যাচে ৩০০ গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন মেসি। ফলে নরওয়ের এই স্ট্রাইকার মাত্র তিন ম্যাচের ব্যবধানে থেকে গেলেন মেসির পেছনে।

তবে এই মাইলফলকে পৌঁছানোর পথে হলান্ড পেছনে ফেলেছেন কিলিয়ান এমবাপে ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে। এমবাপের লেগেছিল ৩৯৮ ম্যাচ, আর রোনালদোর ৪৯৯ ম্যাচ।

কভেন্ট্রির বিপক্ষে জয়ের পরও নিজের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন হলান্ড। ম্যাচে আরও গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সেগুলো কাজে লাগাতে না পারায় শেষ পর্যন্ত দলকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে বলে মনে করেন এই স্ট্রাইকার।

ম্যাচ শেষে হলান্ড বলেন, ‘ম্যাচটা পুরোপুরি শেষ করে দেওয়ার জন্য আমার আরও গোল করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু আমি সেটা করতে পারিনি। এতে দলের কাজ কঠিন হয়ে গেছে। একই সঙ্গে কভেন্ট্রির সুযোগও বেঁচে ছিল। প্রিমিয়ার লিগে আপনি সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে সবকিছুই কঠিন হয়ে পড়ে।’

ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩০০ গোলের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে হলান্ড করেছেন ১৬৫টি। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে তাঁর গোল ৮৬টি। রেড বুল সালজবার্গের হয়ে ২৯ এবং মোলদে এফকের হয়ে ২০টি। জাতীয় দলের হয়ে নরওয়ের জার্সিতে তাঁর গোলসংখ্যা ৬২।

কভেন্ট্রির বিপক্ষে হেডে করা গোলটিও হলান্ডের জন্য ছিল বিশেষ। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগে হেড থেকে এটি তাঁর ২০তম গোল। এর মধ্য দিয়ে ক্লাবটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগে হেডে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। এত দিন ১৯টি করে গোল নিয়ে রেকর্ডটি ছিল ম্যানচেস্টার সিটির কিংবদন্তি সার্জিও আগুয়েরোর দখলে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ে চোখ জুয়াইরিয়ার

0

নারী এশিয়া কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামীকাল রোববার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বড় জয় দিয়ে আসর শুরু করা বাংলাদেশ এবারও জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায়। লঙ্কানদের হারিয়ে সেমিফাইনালের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য জুয়াইরিয়া ফেরদৌসদের।

আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়াকে ৭১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে খেলার মধ্য দিয়ে দুবাইয়ের মাঠ ও উইকেট সম্পর্কে ভালো ধারণা পেয়েছে দল। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের আগে সেটিকেই বাড়তি সুবিধা হিসেবে দেখছেন দলের ওপেনার জুয়াইরিয়া।

ম্যাচের আগে জুয়াইরিয়া বলেন, ‘আমরা দুবাইতে এসেছি এশিয়া কাপে খেলতে। প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে খুব ভালোভাবে জয়লাভ করেছি। মাঠের পরিবেশ, উইকেটের আচরণ সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পেরেছি, অভিজ্ঞতা নিতে পেরেছি।’

অন্যদিকে শ্রীলঙ্কাও এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে অপরাজিত। দুই ম্যাচ খেলে দুটিতেই জয় পেয়েছে তারা। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় আছে লঙ্কানরা। তবে প্রতিপক্ষের ফল নয়, নিজেদের পরিকল্পনাতেই মনোযোগ বাংলাদেশের।

জুয়াইরিয়া বলেন, ‘কালকে আমাদের শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ। আগের ম্যাচে খেলার অভিজ্ঞতা আমাদের বেনিফিট দেবে। কালকে আমরা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততে পারলে সেমির দিকে ভালোভাবে এগিয়ে যাব এবং আমাদের লক্ষ্যের কাছাকাছি চলে যাব।’

দলের প্রত্যেকে নিজেদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করলে জয় পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন জুয়াইরিয়া। নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার প্রত্যয় জানিয়ে সবার কাছে দোয়াও চেয়েছেন তিনি।

জুয়াইরিয়া বলেন, ‘সেভাবেই পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার যে দায়িত্ব, সে যেন সেটা পালন করে। আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করব এবং অবশ্যই জেতার চেষ্টা করব। সবাই দোয়া করবেন আমাদের জন্য।’

ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে অবশ্য জুয়াইরিয়া নিজে ভালো করতে পারেননি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাই ব্যাট হাতে দলকে ভালো শুরু এনে দেওয়াই তাঁর ব্যক্তিগত লক্ষ্য। ওপেনার হিসেবে পাওয়ারপ্লের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বড় ইনিংস খেলতে চান তিনি।

জুয়াইরিয়ার ভাষায়, ‘আমার ব্যক্তিগত লক্ষ্য থাকবে, যেহেতু ওপেনিং করি, পাওয়ারপ্লের ব্যবহার করার, ভালো বড় একটা ইনিংস খেলার। ম্যাচটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সবাই দোয়া করবেন।’