Home Blog Page 23

দ্বিতীয় রাউন্ডেও জভেরেভের কষ্টের জয় – তৃতীয় রাউন্ডে জার্মান তারকা

0

ইউএস ওপেনে প্রথম শিরোপার মিশন চালিয়ে যাচ্ছেন শীর্ষ বাছাই আলেকজান্ডার জভেরেভ। তবে দ্বিতীয় রাউন্ডে জার্মান তারকাকে ছুটতে হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে। ফ্রান্সের কোয়েন্টিন হালিসকে পাঁচ সেটের ম্যারাথন ম্যাচে হারিয়ে তৃতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করেছেন জভেরেভ।

আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলা ম্যাচে ৫২তম র‍্যাঙ্কিংয়ের হালিসকে ৬-৪, ৪-৬, ৭-৬, ৬-৭, ৬-৩ গেমে হারান জভেরেভ। ম্যাচটি স্থায়ী হয় ৪ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট। এর আগে প্রথম রাউন্ডেও লরেঞ্জো সোনেগোর বিপক্ষে পাঁচ সেটের লড়াই করতে হয়েছিল তাঁকে, যে ম্যাচ শেষ হয়েছিল বুধবার রাত ২টার কিছু আগে।

টানা দুই ম্যাচে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরও জয় পাওয়ায় স্বস্তিতে জভেরেভ। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে অবশ্য সন্তুষ্ট নন তিনি। ম্যাচ শেষে জার্মান তারকা বলেন, তাঁর পারফরম্যান্স ভালো ছিল না, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তিনি জয় পেয়েছেন। তাঁর ভাষায়, এই মুহূর্তে তিনি ভালো টেনিস না খেলেও ‘কুৎসিতভাবে জয়’ পাওয়ার দক্ষতা রপ্ত করে ফেলেছেন।

জভেরেভ টিকে গেলেও পুরুষদের ড্রয়ে একের পর এক বড় অঘটন ঘটেছে। তৃতীয় বাছাই ফেলিক্স অজে-আলিয়াসিমেকে হারিয়ে দিয়েছেন ৫০তম র‍্যাঙ্কিংয়ের রুশ তারকা কারেন খাচানভ। প্রথম সেটে টাইব্রেকারে হেরে গেলেও পরের চার সেটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৬-৭, ৬-৩, ৬-২, ৬-২ গেমে জয় পান খাচানভ।

শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন কানাডিয়ান অজে-আলিয়াসিমে। ম্যাচের সময় মাথা ঘোরা এবং চোখে ঝাপসা দেখার কথাও জানান তিনি। সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগান খাচানভ। কানাডিয়ান তারকার ৪৭টি আনফোর্সড এরর ও ৮টি ডাবল ফল্টও ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।

ষষ্ঠ বাছাই অ্যালেক্স দে মিনরও বিদায় নিয়েছেন। তাঁকে ৬-৪, ৭-৫, ৬-২ গেমে হারিয়েছেন বোটিক ভ্যান ডে জান্ডশুল্প। ইউএস ওপেনে এর আগেও বড় অঘটন ঘটানোর নজির রয়েছে ডাচ এই খেলোয়াড়ের। ২০২৪ সালে দ্বিতীয় রাউন্ডে কার্লোস আলকারাজকে হারিয়ে চমকে দিয়েছিলেন তিনি।

আরও বড় চমক দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ১২৩তম র‍্যাঙ্কিংয়ের ডেন সুইনি। ১৩তম বাছাই লরেঞ্জো মুসেত্তিকে ৩-৬, ৬-১, ৬-২, ৬-২ গেমে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লামের তৃতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

পুরুষদের ড্রয়ে অঘটনের বিপরীতে নারী বিভাগে বড় তারকারা নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছেন তৃতীয় রাউন্ডে। চতুর্থ বাছাই ও ২০২৩ সালের চ্যাম্পিয়ন কোকো গফ হারিয়েছেন সাবেক দুই নম্বর খেলোয়াড় পাওলা বাদোসাকে। আরথার অ্যাশ স্টেডিয়ামের রাতের ম্যাচে ৬-৪, ৭-৬ ব্যবধানে জয় পান গফ।

বাদোসার বিপক্ষে আগের আট দেখায় পাঁচটিতেই হেরেছিলেন গফ। তাই দ্বিতীয় সেটে স্প্যানিশ প্রতিপক্ষ চাপ বাড়িয়ে টাইব্রেকারে নিয়ে গেলেও মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচ বের করে নেন ২২ বছর বয়সী মার্কিন তারকা।

ছয়বারের গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন ইগা শিয়নটেকও সহজ জয় পেয়েছেন। নাদিয়া পোদোরোস্কাকে ৬-৩, ৬-২ গেমে হারিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন ২০২২ ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন।

জাপানের নাওমি ওসাকাকেও কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে। প্রথম সেটে ৬-২ ব্যবধানে জেতার পর দ্বিতীয় সেটে ৫-৭ গেমে হেরে যান তিনি। তবে নির্ণায়ক সেটে ঘুরে দাঁড়িয়ে ক্যাটেরিনা সিনিয়াকোভাকে ৬-১ গেমে হারিয়ে জয় নিশ্চিত করেন চারবারের গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন এলেনা রিবাকিনা ৬-২, ৬-৪ গেমে জেসিকা বুজাস মানেইরোকে হারিয়েছেন। জার্মানির ইভা লাইসকে ৬-০, ৬-২ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছেন মিরা আন্দ্রেয়েভা।

এদিকে নাটকীয় জয় পেয়েছেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন ম্যাডিসন কেইসও। আন্না বন্ডারকে হারাতে তাঁকে বাঁচাতে হয়েছে পাঁচটি ম্যাচ পয়েন্ট। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ম্যাচ জিতে তৃতীয় রাউন্ডের টিকিট নিশ্চিত করেন কেইস।

তবে দিনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটি এসেছে লুই আর্মস্ট্রং স্টেডিয়ামে। মাত্র ২০ বছর বয়সী আমেরিকান লিয়ার্নার টিয়েন ৪০ বছর বয়সী গায়েল মনফিলসকে ৬-৩, ৬-৪, ৬-৩ গেমে হারিয়ে দিয়েছেন। এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে গ্র্যান্ড স্লামে মনফিলসের দীর্ঘ ক্যারিয়ারেরও ইতি ঘটেছে।

নিউইয়র্কের দর্শকদের উদ্দেশে বিদায়ী মনফিলস বলেন, দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন তিনি। প্যারিসের দর্শকদের পর নিউইয়র্কের দর্শকরাই তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয়।

সব মিলিয়ে ইউএস ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডেই পুরুষদের বিভাগে একের পর এক অঘটনে জমে উঠেছে লড়াই। তবে জভেরেভের মতো শীর্ষ তারকারা টিকে থাকায় টুর্নামেন্টের পরের রাউন্ডগুলোতে আরও বড় লড়াইয়ের অপেক্ষায় টেনিসপ্রেমীরা।

এশিয়ান গেমসের হকিতে রোমান অধিনায়ক, সহ-অধিনায়ক আমিরুল

0

আসন্ন এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। মিডফিল্ডার রোমান সরকারকে অধিনায়ক এবং ডিফেন্ডার আমিরুল ইসলামকে সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন।

শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়। দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার রোমান সরকারের ওপর এবার পড়েছে জাতীয় দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব। আর সম্প্রতি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখানো ডিফেন্ডার আমিরুল ইসলাম পেয়েছেন সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব।

এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বর্তমানে চীনে অবস্থান করছে বাংলাদেশ দল। সেখানে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে তিয়ানজিন প্রদেশের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ওই ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ে বড় অবদান রাখেন আমিরুল ইসলাম। দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে আলো ছড়ান এই ডিফেন্ডার। তাঁর তিন গোলের সঙ্গে সোহানুর রহমান সবুজের একটি গোলে তিয়ানজিন প্রদেশকে ৪-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ।

প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে এমন পারফরম্যান্সের পরই আমিরুল ইসলামের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব। ফলে মাঠে তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে তাঁকে।

এদিকে নতুন অধিনায়ক রোমান সরকারও দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। মিডফিল্ডে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণকে কাজে লাগিয়ে এশিয়ান গেমসের আগে দলকে আরও সংগঠিত করার প্রত্যাশা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

বাংলাদেশ দলের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আশাবাদী টিম ম্যানেজমেন্ট। রোমান ও আমিরুল দুজনই সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেবেন বলে প্রত্যাশা তাদের।

চীনে বাংলাদেশের প্রস্তুতির পরবর্তী পরীক্ষা আরও কঠিন। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে চীন জাতীয় হকি দলের। আগামীকাল তিয়ানজিনের জিংহাই ডিস্ট্রিক্ট তুয়ানবো স্পোর্ট সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি।

বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ম্যাচটি।

এশিয়ান গেমসের মূল লড়াইয়ের আগে চীনের বিপক্ষে এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির সুযোগ। প্রথম ম্যাচে ৪-০ গোলের বড় জয় আত্মবিশ্বাস বাড়ালেও শক্তিশালী চীন জাতীয় দলের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্যের আরও বড় পরীক্ষা দিতে হবে রোমান সরকারদের।

নতুন অধিনায়ক রোমান সরকার ও সহ-অধিনায়ক আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেই পরীক্ষায় কেমন করে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

ইংল্যান্ড সিরিজে নেই কুশল মেন্ডিস, নেতৃত্বে আসালাঙ্কা

0

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে বড় ধাক্কা খেল শ্রীলঙ্কা। চোট থেকে সময়মতো সেরে উঠতে না পারায় ইংল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন দলের অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস। তাঁর অনুপস্থিতিতে শ্রীলঙ্কাকে নেতৃত্ব দেবেন চারিথ আসালাঙ্কা।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর। সাউদাম্পটনের দ্য রোজ বোলে মুখোমুখি হবে দুই দল।

জুলাইয়ে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে কলম্বো ক্যাপসের হয়ে খেলার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন মেন্ডিস। টুর্নামেন্টে মাত্র দুই ম্যাচ খেলার পরই চোটের কারণে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় তাঁকে। এরপর সেই চোট পুরোপুরি সেরে না ওঠায় ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ থেকেও ছিটকে যান শ্রীলঙ্কার এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হওয়ার আগেও মেন্ডিসের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। ফলে ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে সিরিজ থেকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। তাঁর জায়গায় দলে নেওয়া হয়েছে ব্যাটার পাভান রাথনায়েকেকে।

মেন্ডিসের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন চারিথ আসালাঙ্কা। শুরুতে তাঁকে এই সফরে শ্রীলঙ্কার সহ-অধিনায়ক করা হয়েছিল। কিন্তু মেন্ডিস ছিটকে যাওয়ায় এখন দলের নেতৃত্ব দিতে হবে তাঁকেই।

আসালাঙ্কার জন্য সিরিজটি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়ার পর এটাই হবে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের ক্রিকেটে তাঁর প্রত্যাবর্তন। ফলে একদিকে দলে ফেরার চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব। দুই চাপ নিয়েই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে তাঁকে।

শুধু অধিনায়ক পরিবর্তন নয়, শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি দলে আরও একটি পরিবর্তন এসেছে। বাঁহাতি পেসার বিনুরা ফার্নান্দো পিঠের চোটের কারণে সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। তাঁর বদলি হিসেবে দলে ডাক পেয়েছেন আরেক বাঁহাতি পেসার দিলশান মাদুশাঙ্কা।

অর্থাৎ ইংল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজে শ্রীলঙ্কাকে খেলতে হবে গুরুত্বপূর্ণ দুই ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস ও বিনুরা ফার্নান্দোকে ছাড়াই। বিশেষ করে মেন্ডিসের অনুপস্থিতি দলের ব্যাটিং ও নেতৃত্ব, দুই জায়গাতেই প্রভাব ফেলতে পারে।

শ্রীলঙ্কার জন্য এই সিরিজ তাই শুধু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লড়াই নয়, বরং নতুন নেতৃত্ব ও পরিবর্তিত কম্বিনেশন নিয়ে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের পরীক্ষাও। চোটের কারণে মেন্ডিসের অনুপস্থিতিতে ব্যাটিংয়ে যেমন নতুন সমন্বয় করতে হবে, তেমনি অধিনায়ক হিসেবে আসালাঙ্কাকেও সামলাতে হবে বাড়তি দায়িত্ব।

সব মিলিয়ে মেন্ডিসের চোট শ্রীলঙ্কার জন্য বড় অস্বস্তির কারণ হলেও তাঁর জায়গায় সুযোগ পাওয়া পাভান রাথনায়েকে এবং নেতৃত্ব পাওয়া আসালাঙ্কার সামনে নিজেদের প্রমাণের বড় সুযোগ। ইংল্যান্ডের মাটিতে এই সিরিজেই সেই পরীক্ষায় নামবে শ্রীলঙ্কা।

জাপানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলবে ভারত

0

প্রথমবারের মতো পুরুষদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে জাপানের মুখোমুখি হবে ভারত। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের তোচিগি প্রিফেকচার (প্রদেশ) এর সানো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে এক ম্যাচের এই বিশেষ লড়াই।

ভারত-জাপান কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হচ্ছে ম্যাচটি। সুজুকি কাপ নামে আয়োজিত এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন।

এই ম্যাচটি হবে ‘স্পোর্ট ৭৫’ উদ্যোগের প্রথম ধাপ। দুই দেশের মধ্যে খেলাধুলার সহযোগিতা বাড়ানো এবং জাপানে ক্রিকেটের প্রসার ঘটানোই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি ২০৩৬ সালের অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিক আয়োজনের জন্য ভারতের যে আগ্রহ রয়েছে, সেই লক্ষ্যেও দুই দেশের ক্রীড়া সহযোগিতা জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ভারতের বিপক্ষে এই ম্যাচকে জাপান ক্রিকেটের জন্য বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছে জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। জেসিএর প্রধান নির্বাহী নাওকি মিয়াজি বলেছেন, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতকে জাপানের ক্রিকেটের ঘরে আমন্ত্রণ জানানো তাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

অন্যদিকে বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া বলেছেন, ভারতের মতো বড় ক্রিকেট দলের নতুন অঞ্চলে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে জাপান ও পূর্ব এশিয়ার আরও বড় দর্শকের কাছে ক্রিকেটকে পরিচিত করার সুযোগ তৈরি হবে।

পরিসংখ্যানেও ম্যাচটি বিশেষ। জাপান হবে ২০তম দল, যাদের বিপক্ষে পুরুষদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে ভারত। বর্তমানে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে জাপানের অবস্থান ৪১তম।

এদিকে চলতি মাসের শেষ দিকে এশিয়ান গেমসেরও আয়োজক জাপান। তবে ভারত-জাপান ম্যাচের ভেন্যু সানো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড, এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ভেন্যু নয়।

ক্রিকেটকে প্রচলিত অঞ্চলগুলোর বাইরে ছড়িয়ে দিতে এই ম্যাচকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে বিসিসিআই। জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দেশটিতে ক্রিকেটের অবকাঠামো ও জনপ্রিয়তা বাড়ানোর কথাও জানিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

ফলে ২২ সেপ্টেম্বরের ম্যাচটি শুধু ভারত ও জাপানের ক্রিকেট লড়াই নয়, দুই দেশের ক্রীড়া ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছরের উদযাপনেরও একটি ঐতিহাসিক অংশ হয়ে উঠতে যাচ্ছে।

বয়স জালিয়াতি করে নিষিদ্ধ হলেন ভারতীয় ক্রিকেটার

0

ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটার রোহিত যাদবকে বয়সসংক্রান্ত জালিয়াতির দায়ে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই অভিযোগে আরও ৬৪ জন ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করেছে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল, সিএবি। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আছেন ২০২২ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য রবি কুমারও।

লেগস্পিনার রোহিত যাদব চলতি বছরের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলেছিলেন। তবে সিএবির প্রাক-মৌসুম নথিপত্র যাচাই কার্যক্রমে তাঁর বয়স নিয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপরই তাঁকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে এবং বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত সব রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাকেও বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সিএবির তথ্য অনুযায়ী, রোহিতের বয়সের নথিতে প্রায় ২৭ মাসের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এর ফলে চলতি মাসের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ভারতের নির্ধারিত পাঁচটি ওয়ানডে ও দুটি মাল্টি-ডে ম্যাচের দল থেকেও তাঁকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

রোহিত বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে বাংলার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে নেওয়া এই শাস্তি শুধু তাঁকেই ঘিরে নয়। একই ধরনের বয়সসংক্রান্ত অসঙ্গতির অভিযোগে আরও ৬৪ ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করেছে সিএবি।

এই তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম রবি কুমার। বাঁহাতি পেসার রবি কুমার ২০২২ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া।

একই বছর বাংলার সিনিয়র দলে অভিষেক হয়েছিল রবি কুমারের। তবে ২০২৩ সালের পর আর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে খেলেননি তিনি। ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, রবি কুমারের বয়সসংক্রান্ত অসঙ্গতি ৪০ মাসেরও বেশি।

এই ঘটনায় তাঁর বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের অভিষেক থেকে ২০২৫-২৬ মৌসুম পর্যন্ত সব রেকর্ড অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

ভারতীয় ক্রিকেটে বয়স জালিয়াতি ঠেকাতে অতীতেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বিসিসিআই। ২০২০ সালে বয়সসংক্রান্ত তথ্যের অসঙ্গতি স্বেচ্ছায় জানানোর সুযোগ দিয়ে একটি অ্যামনেস্টি স্কিম চালু করার প্রস্তাব দিয়েছিল বোর্ড। প্রকৃত জন্মতারিখ জানালে শাস্তি এড়ানোর সুযোগ থাকলেও পরে বয়সসংক্রান্ত নিয়ম ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে বয়স যাচাইয়ের অংশ হিসেবে ক্রিকেটারদের জন্মনিবন্ধন সনদের পাশাপাশি স্কুল ও কলেজের শিক্ষাগত নথিও জমা দিতে হয়। এসব নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমেই বয়সসংক্রান্ত অসঙ্গতি শনাক্ত করা হয়।

রোহিত যাদবসহ ৬৫ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে সিএবির এই কঠোর ব্যবস্থা ভারতীয় বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে বয়স জালিয়াতির বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

লড়াই করেও চীনের কাছে হার বাংলাদেশ যুব হকি দলের

0

জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি

ম্যাচে প্রথমে গোল করে সেই গোলের লিড ধরে না রাখার খেসারত দিয়েছে প্রথম ম্যাচে হেরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ পুরুষ হকি দল। আর তাতে জুনিয়র এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চীনের কাছে ৩-২ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। লড়াই করেও চীনের কাছে হার বাংলাদেশ হকি দলের’ পরের ম্যাচ আগামী রোববার মালয়েশিয়ার বিপক্ষে।

চীনে অনুশীলনরত বাংলাদেশ জুনিয়র হকি দল

‎ভেন্যু: চীনের মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে আজ ম্যাচের শুরুটা ভালোই হয়েছিল বাংলাদেশের। ১২ মিনিটে শিমুল ইসলামের ফিল্ড গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ, তবে ১৯ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি কর্নার থেকে ওয়াং ইউবোর গোলে চীন সমতায় ফিরে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দেয়।

‎‎২য় লিড: দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ২৬ মিনিটে মেহেদী হাসানের ফিল্ড গোলে স্কোরলাইন ২-১ করে বাংলাদেশ ম্যাচে ২য় বার লিড নিলে জমে উঠে খেলা। কিন্তু তৃতীয় কোয়ার্টারে রক্ষণভাগের ভুলে সেই ব্যবধানও ধরে রাখতে পারেনি যুবারা। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে ২য় গোল করে চীনকে সমতায় ফেরান ছিউ ওয়েন শুয়ান।

‎৪র্থ কোয়ার্টারে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেও ব্যার্থ হয় বাংলাদেশ। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে না পারায় উল্টো ৫৩ মিনিটে সুন জিংরানের ফিল্ড গোলে প্রথমবারের মতো ম্যাচে এগিয়ে যায় চীন। শেষ পর্যন্ত ওই গোলই হয়ে ওঠে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী জয় সূচক গোল।

গ্রুপ ছবিতে বাংলাদেশ জুনিয়র হকি দল

‎ জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে বাংলাদেশ এবার ৯ম বারের মত খেলছে। প্রতিযোগিতায় যুবাদের সর্বোচ্চ সাফলতা হলো ১৯৯৬ সালে সেমিফাইনালে খেলা। এই টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল ভারত। ১০ দলের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ‘বি’ গ্রুপে খেলছে এই গ্রুপের অপর দলগুলো হল পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া ও কাজাখস্তান। আর ভারত খেলছে ‘এ’ গ্রুপে।

রেকর্ড গড়ে স্মৃতি মান্ধানার হুংকার – ‘এটা কেবল শুরু’

0

নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইতিহাস গড়েছেন ভারতের সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা। হংকংয়ের বিপক্ষে বিধ্বংসী সেঞ্চুরি করে একসঙ্গে গড়েছেন একাধিক রেকর্ড। ছাড়িয়ে গেছেন ভারতের কিংবদন্তি মিতালি রাজকে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সংখ্যায়ও নতুন রেকর্ড গড়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপে হংকংয়ের বিপক্ষে মাত্র ৬৪ বলে ১২৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন মান্ধানা। তাঁর ব্যাটে ছিল ১৪টি চার ও ৭টি ছক্কা। এই ইনিংসের পথেই নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে যান তিনি।

নারী এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে হংকংয়ের বিপক্ষে ৬৪ বলে ১২৪ রানের ইনিংস খেলেন ভারতের সহ অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা। ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬।

এর আগে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক মিতালি রাজ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মিতালির সংগ্রহ ছিল ১০ হাজার ৮৬৮ রান। হংকংয়ের বিপক্ষে ইনিংস চলাকালেই সেই রেকর্ড টপকে যান মান্ধানা। এখন তাঁর আন্তর্জাতিক রানের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৮০।

রেকর্ডটি গড়ার পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মান্ধানা বলেন, ব্যাটিংয়ের সময় তিনি জানতেনই না কোন রেকর্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। তবে মিতালি রাজকে ছাড়িয়ে যাওয়াটা তাঁর কাছে বিশেষ কিছু। ছোটবেলা থেকে মিতালির ব্যাটিং দেখে বড় হয়েছেন তিনি। তাই তাঁর রেকর্ড পেরিয়ে যাওয়াটা এমন একটি অর্জন, যা কখনো কল্পনাও করেননি মান্ধানা।

ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির পর উদযাপন করছেন স্মৃতি মান্ধানা। নারী এশিয়া কাপ ২০২৬, দুবাই, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

তবে এখানেই থামেননি ভারতের এই তারকা ব্যাটার। হংকংয়ের বিপক্ষে সেঞ্চুরিটি ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর ১৮তম শতক। এর মাধ্যমে মেগ ল্যানিং ও লরা ভলভার্টকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। দুজনেরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরি ছিল ১৭টি করে।

বর্তমানে নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক স্মৃতি মান্ধানা। তাঁর ১৮টি সেঞ্চুরির মধ্যে ১৪টি ওয়ানডেতে, দুটি টেস্টে এবং দুটি টি-টোয়েন্টিতে।

তবে ব্যক্তিগত রেকর্ডের রাত হলেও ম্যাচটি ভারতের জন্য পুরোপুরি নিখুঁত ছিল না। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মান্ধানা ও শেফালি ভার্মার উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র আট ওভারে আসে ৭৪ রান। এরপর ভারতের মিডল অর্ডার আবারও কিছুটা সমস্যায় পড়ে।

৩ থেকে ৭ নম্বরে ব্যাট করা ভারতীয় ব্যাটাররা ৩৯ বলে মাত্র দুটি চার মারতে পারেন। অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর ৯ বলে করেন ১০ রান। অন্যদিকে পরের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ ছিল মাত্র ১১ রান।

তবে এক প্রান্তে অবিচল ছিলেন মান্ধানা। ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করে ভারতকে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৩ রানের সংগ্রহ এনে দেন তিনি। ইনিংসের ১৮তম ওভারেই টানা তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের প্রমাণ দেন মান্ধানা।

এরপর হংকংকে মাত্র ৫৬ রানে আটকে দিয়ে ১৩৭ রানের বিশাল জয় পায় ভারত। এই জয়ের ফলে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা।

এর আগে থাইল্যান্ডের বিপক্ষেও ভারতীয় ব্যাটিংয়ের মিডল অর্ডারে ধস নেমেছিল। ১০৮ রানে মাত্র দুই উইকেট হারানো ভারত শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ইনিংস শেষ করে। ফলে বড় জয়ের পরও মিডল অর্ডারের পারফরম্যান্স নিয়ে কিছুটা চিন্তা থেকেই যাচ্ছে।

তবে মান্ধানা মনে করেন, মিডল অর্ডারের প্রতিটি ব্যাটারই বিশ্বমানের এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য তাদের রয়েছে।

এদিকে নিজের রেকর্ড নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চান না মান্ধানা। বরং রেকর্ড গড়ার পর তাঁর বার্তা, ‘এটা কেবল শুরু।’

নারী এশিয়া কাপে ভারতের পরবর্তী ম্যাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে। এরপর ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল। আর সেখানে মান্ধানার ব্যাটের দিকেই থাকবে ভারতের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।

শানাকার রেকর্ড সেঞ্চুরিতে প্যাট্রিয়টসের বিশাল জয়

0

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ, সিপিএলে ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েছেন দাসুন শানাকা। সেন্ট লুসিয়া কিংসের বিপক্ষে মাত্র ৩৯ বলে সেঞ্চুরি করে সিপিএলের দ্রুততম শতকের নতুন রেকর্ড গড়েছেন শ্রীলঙ্কার এই অলরাউন্ডার। তাঁর বিধ্বংসী অপরাজিত ১২১ রানের ইনিংসে ভর করে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস পেয়েছে ১৩৭ রানের বিশাল জয়।

ব্যাসেটেরেতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য খুব একটা স্বস্তির ছিল না প্যাট্রিয়টসের। দশম ওভারে ৮৯ রানে দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় তারা। তখনই ক্রিজে আসেন দাসুন শানাকা। এরপর ম্যাচের চিত্রই বদলে দেন তিনি।

শুরুতে দেখেশুনে খেললেও রস্টন চেজের বলে পরপর দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের আক্রমণাত্মক রূপ দেখান শানাকা। এরপর ফোর্ডের বোলিংয়েও চালান তাণ্ডব। একে একে ছক্কা হাঁকাতে থাকেন চেজ ও কিওন গ্যাস্টনের বলে। মাত্র ২৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।

অন্য প্রান্তে আন্দ্রে ফ্লেচারও দারুণ ব্যাটিং করেন। কয়েকবার জীবন পাওয়ার পর ৩৪ বলে ৬৪ রান করেন এই ওপেনার। ফ্লেচার আউট হয়ে গেলেও থামেননি শানাকা। শেষদিকে জেসন হোল্ডারও ফিরলে আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি।

নিজের স্বদেশি মহেশ থিকশানার করা এক ওভারে তিন বলে টানা ৬, ৬ ও ৪ মেরে ২০ রান তুলে নেন শানাকা। এরপর শেষ ওভারে কিওন গ্যাস্টনকে রীতিমতো তুলোধোনা করেন। চারটি ছক্কা ও একটি চার মেরে ওই ওভার থেকেই নেন ২৮ রান।

শেষ পাঁচ ওভারে প্যাট্রিয়টসের ব্যাটাররা তুলে নেয় ৯৩ রান। আর শানাকা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার জুটিতে মাত্র ৩১ বলে আসে ৯৩ রান। শেষ পর্যন্ত ৪৩ বলে ১২১ রানে অপরাজিত থাকেন শানাকা। তাঁর ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ১২টি ছক্কা। তাঁর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় প্যাট্রিয়টস।

২৩৬ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে সেন্ট লুসিয়া কিংস। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কামিল পুরান শূন্য রানে ফিরে যান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে কিংস।

ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার স্পিনে দুইবার স্টাম্প ভেঙে যায়। তাঁর বোলিংয়ে দ্রুত চার উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৫ রানে ধুঁকতে থাকে কিংস। এরপর জেরেমায়া লুইস জোড়া আঘাতে ম্যাচ পুরোপুরি প্যাট্রিয়টসের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। রস্টন চেজ ও ফোর্ডকে পরপর দুই বলে ফেরান তিনি।

এক প্রান্তে টিম সেইফার্ট লড়াই চালিয়ে যান। ৩৬ বলে ফিফটি তুলে নিলেও সতীর্থদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাননি। সেইফার্ট ছাড়া কিংসের আর মাত্র দুজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেন।

শেষ পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৫ ওভারে মাত্র ৯৮ রানে অলআউট হয় সেন্ট লুসিয়া কিংস। বল হাতে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স দেখান জেরেমায়া লুইস। মাত্র ১০ রান খরচ করে ৫ উইকেট নেন তিনি। টি-টোয়েন্টিতে এটি তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেটের শিকার, আর মাত্র দশম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই এমন কীর্তি গড়লেন এই বোলার। হাসারাঙ্গা নেন ২ উইকেট।

ফলে ১৩৭ রানের বিশাল জয় পায় সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। রান ব্যবধানে এটিই তাদের সবচেয়ে বড় জয়।

এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম অবস্থান আরও শক্ত করেছে প্যাট্রিয়টস। প্লে-অফের দৌড়ে নিজেদের সম্ভাবনাও জোরালো করেছে তারা। একই সঙ্গে বড় জয়ের কারণে তাদের নেট রানরেটও নাটকীয়ভাবে বেড়েছে, মাইনাস শূন্য দশমিক পাঁচ চার সাত থেকে বেড়ে হয়েছে প্লাস শূন্য দশমিক পাঁচ নয় তিন।

অন্যদিকে বড় ব্যবধানে হেরে সেন্ট লুসিয়া কিংসের নেট রানরেট নেমে গেছে মাইনাস শূন্য দশমিক আট আট আটে। পয়েন্ট ব্যবধানে খুব বেশি পিছিয়ে না থাকলেও প্লে-অফের লড়াইয়ে এই হার তাদের জন্য বড় ধাক্কা।

তবে ম্যাচের সব আলো কেড়ে নিয়েছেন দাসুন শানাকাই। মাত্র ৩৯ বলে সেঞ্চুরি করে সিপিএলের দ্রুততম শতকের রেকর্ড নিজের করে নেওয়ার পাশাপাশি ১২ ছক্কায় সাজানো তাঁর ১২১ রানের ইনিংসই প্যাট্রিয়টসকে এনে দিয়েছে বিশাল জয়। শানাকার ব্যাটিং ঝড় আর লুইসের পাঁচ উইকেটের দাপটে সেন্ট লুসিয়া কিংসকে ১৩৭ রানে উড়িয়ে দিয়ে প্লে-অফের স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল করেছে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস।

মিতালিকে টপকে নারী ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মান্ধানা

0

নারী ক্রিকেটে ব্যাটিংয়ের নতুন ইতিহাস লিখলেন স্মৃতি মান্ধানা। মিতালি রাজকে পেছনে ফেলে নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব সংস্করণ মিলিয়ে সর্বোচ্চ রানের মালিক এখন ভারতের এই বাঁহাতি ব্যাটার। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে নারী এশিয়া কাপের ‘গ্রুপ এ’-এর ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে চোখধাঁধানো এক সেঞ্চুরির পথে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন ৩০ বছর বয়সী মান্ধানা।

মাইলফলকটি আসে তার ৩০৩তম আন্তর্জাতিক ইনিংসে। মিতালি রাজের ১০ হাজার ৮৬৮ রান ছাড়িয়ে যাওয়ার পর মান্ধানার মোট রান দাঁড়ায় ১০ হাজার ৮৮০। ফলে ১০ হাজার ৭৪০ রান করা নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটসকেও পেছনে ফেলেছেন তিনি। চার বছর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো মিতালির সামনে অবশ্য হারানো শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধারের সুযোগ নেই।

হংকংয়ের বিপক্ষে মান্ধানার ব্যাট যেন রীতিমতো ঝড় তুলেছিল। শেষ ওভারে রানআউট হওয়ার আগে মাত্র ৬৪ বলে ১৪টি চার ও ৭টি ছক্কায় ১২৪ রান করেন তিনি। তার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ভারত ৫ উইকেটে ১৯৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে।

শুধু সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডই নয়, একই ইনিংসে আরও কয়েকটি কীর্তি গড়েছেন মান্ধানা। ১২৪ রানের ইনিংসটি ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার ১৮তম শতক-নারী ক্রিকেটে যা সর্বোচ্চ। এত দিন ১৭টি সেঞ্চুরি নিয়ে রেকর্ডটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক মেগ ল্যানিংয়ের দখলে। ল্যানিংকে ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষে উঠেছেন মান্ধানা।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও ভারতীয় নারী ক্রিকেটার হিসেবে অনন্য এক রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এই শতকের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দুটি সেঞ্চুরি করা প্রথম ভারতীয় নারী ব্যাটার হয়েছেন মান্ধানা।

ভারতীয় ক্রিকেটার স্মৃতি মান্ধানা

হংকংয়ের বিপক্ষে ইনিংসটি মান্ধানার ৯৩তম পঞ্চাশোর্ধ্ব আন্তর্জাতিক ইনিংসও। ফলে মিতালি রাজের সঙ্গে যৌথভাবে এই তালিকার বিশ্বরেকর্ডে উঠে এসেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য এই তালিকায় মান্ধানা এরই মধ্যে এককভাবে শীর্ষে। সেখানে তার পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস এখন ৩৭টি। ৩৩টি নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনি।

তিন সংস্করণ মিলিয়ে মান্ধানার ক্যারিয়ারও এখন রেকর্ডের ভারে সমৃদ্ধ। ৯ টেস্টে তার রান ৭৮৮, গড় ৫২.৫৩। ওয়ানডেতে ৪৭.৮৮ গড়ে করেছেন ৫ হাজার ৪১১ রান। আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার সংগ্রহ ৪ হাজার ৬৮১ রান।

নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় এখন মান্ধানার পেছনে মিতালি রাজ ও সুজি বেটস। শীর্ষ পাঁচে রয়েছেন ইংল্যান্ডের শার্লট এডওয়ার্ডস ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্টেফানি টেলরও।

এক মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ফিরছেন কিরগিওস

0

কোকেন সেবনের দায়ে পাওয়া এক মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার টেনিস তারকা নিক কিরগিওসের। ফলে ৩ সেপ্টেম্বর থেকেই প্রতিযোগিতামূলক টেনিসে ফেরার জন্য তিনি যোগ্য বলে বিবেচিত হচ্ছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি স্প্যানিশ মায়োর্কা ওপেনে পাওয়া ৬ হাজার ৫৭০ ইউরো প্রাইজমানিও হারাতে হয়েছে সাবেক বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের ১৩ নম্বর খেলোয়াড়কে।

৩১ বছর বয়সী কিরগিওসকে গত ৪ আগস্ট সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। মায়োর্কা ওপেনে অংশ নেওয়ার সময় দেওয়া নমুনায় পাওয়া যায় বেঞ্জয়লেকগোনিন-কোকেন সেবনের ফলে শরীরে তৈরি হওয়া একটি বিপাকজাত পদার্থ। তদন্তে আন্তর্জাতিক টেনিস ইন্টিগ্রিটি এজেন্সিকে (আইটিআইএ) কিরগিওস জানান, ২০ জুন ভোরে মাগালুফের একটি নাইটক্লাবে তিনি কোকেন সেবন করেছিলেন।

এর দুই দিন পর মায়োর্কা ওপেনে নিজের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ খেলেন তিনি। স্বদেশি অ্যাডাম ওয়ালটনের কাছে সরাসরি সেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেন কিরগিওস।

তদন্তের পর আইটিআইএ একজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে কিরগিওসের কোকেন সেবনকে ‘অফ-কম্পিটিশন’ অর্থাৎ প্রতিযোগিতার বাইরের সময়ে করা হয়েছে বলে মেনে নেয়। ফলে সর্বোচ্চ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে তার শাস্তি নির্ধারিত হয় এক মাস। চিকিৎসা কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় শাস্তি কমানোর সুযোগও পান তিনি। কিরগিওসের সেই চিকিৎসা কর্মসূচি শুরু হয় ২৮ আগস্ট।

কোকেন বিশ্ব ডোপিংবিরোধী সংস্থা (ওয়াডা)-র নিষিদ্ধ তালিকায় স্টিমুল্যান্ট ও ‘সাবস্ট্যান্স অব অ্যাবিউজ’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত। কিরগিওসের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ টেনিসের ডোপিং নীতিমালা নিয়ে তিনি আগেও সরব ছিলেন। জ্যানিক সিনার ও ইগা শিয়নটেকের ডোপিং-সংক্রান্ত মামলায় শাস্তিকে তিনি অতীতে ‘অত্যন্ত নরম’ বলে সমালোচনা করেছিলেন। টেনিসের ইন্টিগ্রিটি ব্যবস্থাকেও তিনি ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

নিক কিরগিওস

তবে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসার পর নিজের অবস্থানের বিষয়ে কিরগিওসও কোনো অজুহাত দাঁড় করাননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ২৮ দিনের জন্য সরে গিয়ে নিজের দিকে মনোযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। একই সঙ্গে গত কয়েক বছরের চোট তার মানসিক ও শারীরিক অবস্থায় বড় প্রভাব ফেলেছে বলেও স্বীকার করেন।

হাঁটু ও কবজির অস্ত্রোপচারের কারণে দীর্ঘ সময় কোর্টের বাইরে থাকা কিরগিওসের ক্যারিয়ার এখন কার্যত পুনরুদ্ধারের লড়াই। চলতি মৌসুমে মাত্র চারটি একক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ২০২৩ সালের শুরু থেকে খেলতে পেরেছেন মাত্র আটটি ম্যাচ, যার মধ্যে জয় মাত্র দুটি। সর্বশেষ উইম্বলডনে আলেক্সান্ডার বুবলিকের সঙ্গে পুরুষদের দ্বৈতে খেলেছিলেন; প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নেন তারা।

বর্তমানে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৯১৮ নম্বরে নেমে গেছেন কিরগিওস। অথচ ২০২২ সালে উইম্বলডনের ফাইনালে উঠে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা সময় কাটিয়েছিলেন তিনি। সেই ফাইনালে নোভাক জোকোভিচের কাছে চার সেটে হেরে রানার্সআপ হন। ক্যারিয়ারে সাতটি এটিপি একক শিরোপা রয়েছে তার। একই বছর থানাসি কোকিনাকিসকে সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের পুরুষ দ্বৈতের শিরোপাও জিতেছিলেন।

কোর্টের বাইরের বিতর্কেও কিরগিওস দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত। র‌্যাকেট ভাঙা, অশ্লীল শব্দ ব্যবহার ও আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কের কারণে একাধিকবার বড় অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়েছেন তিনি। ২০২৩ সালে সাবেক বান্ধবীকে দুই বছর আগে আঘাত করার কথা স্বীকার করেছিলেন, যদিও সে ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি দণ্ড হয়নি।