Home Blog Page 24

চোট পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়লেন নেইমার

0

পালমেইরাসের বিপক্ষে ব্রাজিলিয়ান কাপের ম্যাচে বড় ধাক্কা খেল সান্তোস। ডান ঊরুতে চোটের শঙ্কায় প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই মাঠ ছাড়তে হলো নেইমারকে। ম্যাচ শেষে তাঁকে কাঁদতে কাঁদতে ড্রেসিংরুমের দিকে যেতে দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে।

বুধবার ভিলা বেলমিরোয় কোপা দো ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী নেইমার। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। বিরতির আগে কষ্ট করেই মাঠে ছিলেন, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আর ফিরতে পারেননি।

পালমেইরাসের বিপক্ষে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় নেইমার

চোটের প্রকৃতি ও গুরুতরতা নিশ্চিত করতে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে পরীক্ষা করানো হবে নেইমারের। সান্তোস কোচ কুকা জানিয়েছেন, আপাতত তাঁকে ছাড়াই দলকে সামলাতে হবে।

নেইমারের পাশাপাশি ম্যাচে চোট পেয়েছেন সান্তোসের উইঙ্গার আলভারো বারেয়াল ও ডিফেন্ডার লুকাস ভেরিসিমো। একসঙ্গে তিন খেলোয়াড়ের চোটে হতাশ কুকা। তিনি বলেন, এখন দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়েই পরিস্থিতি সামলাতে হবে এবং আশা করছেন চোটগুলো গুরুতর নয়।

পালমেইরাসের বিপক্ষে এই ম্যাচে নামার আগে প্রথম লেগে ৩-০ গোলে হেরেছিল সান্তোস। ফলে সেমিফাইনালে ওঠার পথ কঠিনই ছিল তাদের জন্য। একই সঙ্গে ব্রাজিলিয়ান লিগেও কঠিন সময় কাটছে দলটির। অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে থাকা সান্তোস বর্তমানে পয়েন্ট তালিকার ১৪ নম্বরে, অবনমন অঞ্চলের চেয়ে মাত্র চার পয়েন্ট ওপরে।

চলতি মৌসুমে সান্তোসের হয়ে ২৪ ম্যাচে আট গোল করেছেন নেইমার। তাঁর চোট তাই দলটির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

মাঠ ছাড়ার পর ভিলা বেলমিরোর মাঠ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেইমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি মাঠের অসমতল অবস্থা ও গর্তের কথা উল্লেখ করে সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, খেলার এক দিন আগে মাঠের পরিচর্যার কারণে পিচের অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল এবং এতে খেলোয়াড়দের চোটের ঝুঁকি বেড়েছে।

টিভিতে আজকের খেলা: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

0

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের ম্যাচ আছে, লা লিগায় আছে রিয়াল মাদ্রিদের ম্যাচ। এ ছাড়া ইউএস ওপেনও আছে।

টেনিস
ইউএস ওপেন

তৃতীয় রাউন্ড
রাত ৯টা, স্টার স্পোর্টস ১ ও ২

ক্রিকেট
নারী এশিয়ান কাপ ক্রিকেট

আরব–আমিরাত–ইন্দোনেশিয়া
রাত ৮-৩০ মি., টি স্পোর্টস

ফুটবল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ

ইপসউইচ–লিভারপুল
রাত ১টা, রাজধানী ও স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

লা লিগা
বেতিস–রিয়াল মাদ্রিদ
রাত ১টা, টি স্পোর্টস

খাগড়াছড়িতে ‘অপরাজেয় আলো’ নারী হকি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

0

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের উদ্যোগে এবং খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ‘ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ২০২৬’। বিকেল ৪টায় খাগড়াছড়ি জেলা স্টেডিয়ামে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়। খাগড়াছড়ির উদীয়মান নারী খেলোয়াড়দের ক্রীড়াশৈলী ও দক্ষতার মানোন্নয়নে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব মো: নজরুল ইসলাম।

খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া অফিসার হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংক খাগড়াছড়ি শাখার রিস্ক ম্যানেজার মো: আশরাফ হোসাইন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য মাদল বড়ুয়া, ব্র্যাক ব্যাংক জেলা কো-অর্ডিনেটর মো: আব্দুস সালাম এবং ব্র্যাক ব্যাংক কর্মকর্তা কৌশলী চাকমা। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ক্রীড়া সংগঠক পরিমল কর্মকার এবং বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের তারকা খেলোয়াড় ও এই প্রশিক্ষণের প্রধান কোচ সুমি আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অথিতিরা জানান, জেলাজুড়ে তৃণমূল পর্যায়ের নারী খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে ২৫ জন প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে এই কোর্সের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণের আওতায় আগামী ২৫ দিনে মোট ৫০টি নিবিড় ও পেশাদার সেশন পরিচালনা করা হবে। এই দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর চূড়ান্তভাবে একটি শক্তিশালী ‘খাগড়াছড়ি জেলা নারী হকি দল’ গঠন করা হবে। এই নবগঠিত দলটি পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন টুর্নামেন্ট ও প্রতিযোগিতায় খাগড়াছড়ি জেলার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে পাহাড়ি জনপদ খাগড়াছড়িতে নারী হকির এক নতুন ও সম্ভাবনাময় অধ্যায়ের সূচনা হলো। সঠিক প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এখানকার নারীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অতিথিবৃন্দ।

চীনে ব্যস্ত বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল

0

চীন সফরে নিজেদের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি রাখতে চাইছে না বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দল। সামনে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা থাকায় অনুশীলন, পুনরুদ্ধার ও শারীরিক প্রস্তুতিকে সমান গুরুত্ব দিয়ে এগোচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

চীনের ফোশানে আজ দিনের প্রথম অনুশীলন সেশন সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ দল। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত শিসান ফুটবল গ্রাউন্ডে চলে এই অনুশীলন। প্রায় দুই ঘণ্টার সেশনে ফুটবলাররা নিজেদের প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ করেন।

ফোশানের শিসান ফুটবল বেসে অবস্থান করছে বাংলাদেশ নারী দল। সেখানকার শিসান ফুটবল গ্রাউন্ডেই হচ্ছে দলের নিয়মিত অনুশীলন। চীনের আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি মাঠের অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের ছন্দ আরও ভালোভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন ফুটবলাররা।

সকালের সেশন শেষ হওয়ার পর অবশ্য বিশ্রামে চলে যায়নি দল। অনুশীলনের ধকল কাটিয়ে খেলোয়াড়দের শরীরকে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আয়োজন করা হয় পুল সেশন। পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই সেশনে অংশ নেন দলের ফুটবলাররা।

আধুনিক ফুটবলে ম্যাচ ও অনুশীলনের পাশাপাশি রিকভারি সেশনও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশেষ করে টানা অনুশীলনের মধ্যে খেলোয়াড়দের শারীরিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুল সেশন কার্যকর ভূমিকা রাখে। চীন সফরেও সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজমেন্ট।

দিনের ব্যস্ততা অবশ্য এখানেই শেষ হচ্ছে না। একই মাঠে বিকেল ৪টায় আবারও অনুশীলনে নামবে বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দল। অর্থাৎ একদিনে দুই দফা মাঠের অনুশীলনের মধ্য দিয়ে নিজেদের প্রস্তুতিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ফুটবলাররা।

চীন সফর বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রস্তুতি পর্ব। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে হলে বড় দলগুলোর বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা এবং নিয়মিত উচ্চমানের অনুশীলনের বিকল্প নেই। সে কারণেই এই সফরে ম্যাচ প্রস্তুতির পাশাপাশি দলীয় সমন্বয়, শারীরিক সক্ষমতা এবং কৌশলগত দিকগুলোতেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা।

সকালের অনুশীলন শেষে রিকভারি, এরপর বিকেলে আবার মাঠে নামা, দিনভর এমন ব্যস্ত সূচির মধ্য দিয়েই নিজেদের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ। কোচিং স্টাফের পরিকল্পনা অনুযায়ী ধাপে ধাপে অনুশীলনের মাত্রা বাড়িয়ে ফুটবলারদের কাঙ্ক্ষিত অবস্থায় নিয়ে যাওয়াই এখন মূল লক্ষ্য।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নারী ফুটবলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রত্যাশা বেড়েছে। তাই প্রতিটি আন্তর্জাতিক সফরই দলের জন্য নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতা যাচাইয়ের সুযোগ। চীনের মতো শক্তিশালী ফুটবল পরিবেশে অনুশীলনের অভিজ্ঞতাও ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় কাজে লাগাতে চাইবে বাংলাদেশ।

সব মিলিয়ে চীন সফরে আপাতত মাঠের বাইরের বিশ্রামের চেয়ে মাঠের প্রস্তুতিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ নারী দল। সকাল ও বিকেলের অনুশীলন, এর মাঝে রিকভারি সেশন, ব্যস্ত এই রুটিনেই নিজেদের আরও প্রস্তুত করে তুলছে লাল-সবুজের মেয়েরা।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন এদিন জেকো

0

আন্তর্জাতিক ফুটবলে দীর্ঘ দেড় যুগের পথচলার ইতি টানতে যাচ্ছেন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কিংবদন্তি এডিন জেকো। আগামী ২ অক্টোবর উয়েফা নেশন্স লিগে সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচটিই হতে যাচ্ছে জাতীয় দলের জার্সিতে তার শেষ উপস্থিতি।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবসরের ঘোষণা দেন ৪০ বছর বয়সী এই তারকা স্ট্রাইকার। জাতীয় দলের হয়ে নিজের ১৫২তম ম্যাচটিই শেষ ম্যাচ হিসেবে বেছে নিয়েছেন জেকো। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বসনিয়ার জেনিৎসায়।

২০০৭ সালের জুনে তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বসনিয়ার জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল জেকোর। এরপর প্রায় ১৯ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে দলটির অন্যতম প্রধান ভরসায় পরিণত হন তিনি। এখন পর্যন্ত ১৫১ ম্যাচে করেছেন ৭৩ গোল, যা বসনিয়ার জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

তবে পরিসংখ্যানের বাইরেও জাতীয় দলের হয়ে খেলা জেকোর কাছে ছিল বিশেষ আবেগের বিষয়। ছোটবেলার স্বপ্ন ছিল দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামার। ক্যারিয়ারের প্রতিটি ম্যাচে সেই স্বপ্নের অনুভূতিই তাকে তাড়িত করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জেকোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়গুলোর একটি আসে ২০১৪ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে। তারকা এই ফরোয়ার্ডের নেতৃত্বে নয়, তবে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্বে জায়গা করে নেয় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। সেটিই ছিল দেশটির ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্জন।

এরপর ২০২৬ বিশ্বকাপেও বসনিয়ার হয়ে মাঠে নামেন জেকো। এবার দলের অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন জাতীয় দলকে। বিশ্বকাপ নিশ্চিত করার পথেও ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

বিশেষ করে গত মার্চে জেনিৎসায় ইতালির বিপক্ষে প্লে-অফ জয় করে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে বসনিয়া। সেই ম্যাচের আগে ওয়েলসের বিপক্ষে জেকোর করা গোলটিও ছিল আলোচনায়।

এখন জাতীয় দলের হয়ে শেষবার মাঠে নামার অপেক্ষা। বিদায়ী ম্যাচটিও স্মরণীয় করে রাখতে চান জেকো। দেশের সমর্থকদের পাশে নিয়ে, প্রিয় জার্সি গায়ে শেষবারের মতো জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামাই তার প্রত্যাশা।

বসনিয়ার ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক জেকোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তাই যোগ হতে যাচ্ছে শেষ একটি অধ্যায়। ২ অক্টোবর সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচের পর জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখা যাবে না এই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ডকে।

সিরিয়ার কাছে হেরে কঠিন সমীকরণে বাংলাদেশ

0

সাফ অ-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয়ের পর বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারদের সামনে খুলে গিয়েছিল নতুন সম্ভাবনার দরজা। সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতায় এবার লক্ষ্য ছিল এএফসি অ-২০ এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়া। কিন্তু বাছাইপর্বের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ।

উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এএফসি অ-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিরিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ২-০ গোলে হেরেছিলো স্বাগতিক উজবেকিস্তানের কাছে। ফলে দুই ম্যাচ শেষে পয়েন্টের খাতা শূন্যই রয়ে গেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। একই সঙ্গে গ্রুপের শেষ অবস্থানেও রয়েছে তারা।

প্রথম ম্যাচেও বাংলাদেশের শুরুটা ভালো ছিল না। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য ছিল সিরিয়ার বিপক্ষে। ম্যাচের বড় একটা সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলেও প্রথমার্ধের শেষ দিকে মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল হজম করায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় সিরিয়ার হাতে।

প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটে সিরিয়ার আক্রমণ থেকে আসে প্রথম গোল। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে পাঠায় তারা। এরপর বিরতির আগে যোগ করা সময়ে দূরপাল্লার শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সিরিয়া।

দুই গোলের পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা থাকলেও মাঠের খেলায় সেই চাপ তৈরি করতে পারেনি বাংলাদেশের যুবারা। বরং বেশিরভাগ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল সিরিয়ার দখলে। বাংলাদেশের আক্রমণও ছিল অনেকটা নিষ্প্রভ।

শেষ দিকে আবারও বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে তৃতীয় গোলটি করে সিরিয়া। ৮৯তম মিনিটের সেই গোলের পর ম্যাচের ফলাফল কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়।

এই পরাজয়ের ফলে বাংলাদেশের সামনে এখন কঠিন সমীকরণ। বাছাইপর্বে মোট আটটি গ্রুপের প্রতিটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি চূড়ান্তপর্বে জায়গা পাবে। এর পাশাপাশি সেরা সাত রানার্সআপ দলও পাবে এশিয়ান কাপের মূল পর্বের টিকিট।

বাংলাদেশের গ্রুপে এখন সমীকরণ অনেকটাই প্রতিকূল। সিরিয়ার বিপক্ষে হারের পরও বাংলাদেশের একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তবে অন্য ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করতে হবে তাদের। ভারত ও উজবেকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি ড্র হলে বাংলাদেশের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে দুই দলের পয়েন্ট চার হয়ে যাবে এবং বাংলাদেশ পরের ম্যাচে জয় পেলেও সেরা রানার্সআপ হওয়ার লড়াই থেকে ছিটকে যেতে পারে।

অর্থাৎ, নিজেদের শেষ ম্যাচে শুধু জয় পেলেই হবে না; অন্য ম্যাচগুলোর ফলও বাংলাদেশের পক্ষে আসতে হবে। ফলে এএফসি অ-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার স্বপ্ন এখন বড় পরীক্ষার মুখে।

বাংলাদেশের সামনে অবশ্য শেষ সুযোগ হিসেবে থাকছে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর গ্রুপের শেষ ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে জয় নিয়ে অন্তত নিজেদের সম্ভাবনা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখার লক্ষ্য থাকবে তরুণ ফুটবলারদের।

সাফের শিরোপা জয়ের পর এএফসি অ-২০ এশিয়ান কাপের মঞ্চে যাওয়ার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সিরিয়ার কাছে এই হার সেই পথ অনেকটাই কঠিন করে দিয়েছে। এখন শেষ ম্যাচে জয় এবং গ্রুপের অন্য ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশকে।

টানা তৃতীয় জয়ে ফাইনালে অনূর্ধ্ব-১৯ দল

0

গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফিতে (জিডি ট্রফি) টানা তৃতীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দলকে ১১৫ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৮৬ রান করেছিল অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে ৫০ ওভারে ১৭১ রানে অলআউট হয় অনূর্ধ্ব-১৭ দল। এই জয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

টসে জিতে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৭ দল। শুরু থেকেই দারুণ ব্যাটিং করে অনূর্ধ্ব-১৯ দল। দুই ওপেনার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুহি ও কাওসার আহমেদ মিলে গড়েন ১১৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।

ফিফটি তুলে নিয়ে ৫২ বলে ৫৯ রান করেন মুহি। কাওসার খেলেছেন ৮৪ বলে ৬৬ রানের ইনিংস। এরপর রাকিবুল হাসান রুসাফির ব্যাটে আসে আরেকটি কার্যকর ইনিংস। ৭৪ বলে ৬৫ রান করেন তিনি। রাকিব খান ৪১ বলে ৩৭ রান করেন। শেষ দিকে ফারহান সাদিকের ১২ বলে ১৩ রানের ইনিংসে ভর করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে মোহাম্মদ মাজাদুল ৩ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ আফিপ হাসান লিখন, আঝা বিন মুহিব জাগিরদার, মোহাম্মদ ইফতেখার ও ইমরান ভূঁইয়া।

২৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে ছিল অনূর্ধ্ব-১৭ দল। অধিনায়ক লরেন্স রয় সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন। ৮৪ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ফিফটিতে। সুজন ৭৭ বলে ৪৪ এবং আসাদউল্লাহ হিল গালিব ৪৩ বলে ৩০ রান করেন। এ ছাড়া আর কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।

শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ১৭১ রানে অলআউট হয় অনূর্ধ্ব-১৭ দল। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল রাকিবুল হাসান রুসাফি, নিয়েছেন ৩ উইকেট। তাঁর সঙ্গে অন্য বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১১৫ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

খেলোয়াড় বিক্রি করে বিশ্বরেকর্ড চেলসির

0

খেলোয়াড় কেনার ক্ষেত্রে বিপুল অর্থ ব্যয়ের জন্য চেলসির পরিচিতি নতুন নয়। তবে এবার খেলোয়াড় বিক্রি করেই আলোচনায় এসেছে ইংলিশ ক্লাবটি। চলতি গ্রীষ্মের দলবদলে খেলোয়াড় বিক্রি থেকে ৪৪৮ মিলিয়ন ইউরো আয় করেছে চেলসি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৬ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি।

ট্রান্সফারমার্কেটের হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপিয়ান ফুটবলে একটি দলবদল মৌসুমে খেলোয়াড় বিক্রি করে এর আগে কোনো ক্লাব এত বেশি অর্থ আয় করতে পারেনি। আর্থিক নিয়ম মেনে চলা এবং আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য ধরে রাখার চাপেই এবার বড় পরিসরে খেলোয়াড় বিক্রির পথে হাঁটতে হয়েছে চেলসিকে। সেই বিক্রিই শেষ পর্যন্ত তাদের এনে দিয়েছে বিশ্বরেকর্ড।

চেলসির এই বিশাল আয়ের সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে এনজো ফার্নান্দেজের দলবদল থেকে। দলবদলের শেষ দিনে বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে ১৪৫ মিলিয়ন ইউরোতে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে বিক্রি করেছে স্টামফোর্ড ব্রিজের ক্লাবটি। এই দলবদল প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ট্রান্সফার ফির রেকর্ডও গড়েছে।

এনজোকে বিক্রি করেই অবশ্য থামেনি চেলসি। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিয়ে দলবদল থেকে আয় বাড়িয়েছে তারা। আন্দ্রে সান্তোসকে ৫৬.৩ মিলিয়ন, নিকোলাস জ্যাকসনকে ৫৫.৫ মিলিয়ন এবং মার্ক কুকুরেইয়াকে ৫৫ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি করেছে ক্লাবটি।

এ ছাড়া লিয়াম ডেলাপ ৫২ মিলিয়ন, ট্রেভো চালোবাহ ৩০ মিলিয়ন, টাইরিক জর্জ ২১ মিলিয়ন, মার্ক গিয়েহি ১৫ মিলিয়ন এবং তোসিন আদারাবিওয়ো ১১.৭ মিলিয়ন ইউরোতে চেলসি ছেড়েছেন।

সব মিলিয়ে খেলোয়াড় বিক্রি থেকে ৪৪৮ মিলিয়ন ইউরোর বিশাল অঙ্ক আয় করেছে চেলসি। এতে একদিকে স্কোয়াডের আকার কমেছে, অন্যদিকে ক্লাবের আর্থিক হিসাবেও এসেছে স্বস্তি।

গত কয়েক বছরে খেলোয়াড় কেনায় বিপুল অর্থ খরচ করেছে চেলসি। এবার আর্থিক নিয়মের চাপ সামলাতে সেই স্কোয়াডের একাধিক খেলোয়াড়কে বিক্রি করতে হয়েছে। তবে বাধ্যতামূলকভাবে নেওয়া সেই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত ইউরোপিয়ান ফুটবলে নতুন ইতিহাস গড়েছে।

চেলসির জন্য তাই এবারের দলবদল শুধু খেলোয়াড় বিক্রির হিসাবেই বড় নয়, ক্লাব ফুটবলের আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রমী এক নজির হয়ে থাকল।

তিন ফরম্যাট নিয়ে নতুন টুর্নামেন্ট, ঘোষণা আসতে পারে সেপ্টেম্বরে

0

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে ও চার দিনের ক্রিকেট-তিন ফরম্যাটকে একই কাঠামোর আওতায় এনে নতুন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বোর্ড। আগামী নভেম্বরেই এই প্রতিযোগিতার প্রথম আসর মাঠে গড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে নতুন টুর্নামেন্টটির নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে, ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বরের দিকে বড় পরিসরে টুর্নামেন্টটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। তাঁর দাবি, পরিকল্পনার প্রায় ৮৫ শতাংশ কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এখন নিয়মকানুন ও অন্যান্য সাংগঠনিক বিষয় চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

নতুন ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসছে ক্রিকেটার ড্রাফটে। টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে ও চার দিনের ক্রিকেটের জন্য আলাদা সময়ে ড্রাফট না করে তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটারদের ড্রাফট একসঙ্গেই করার পরিকল্পনা করেছে বিসিবি। তবে ড্রাফট একসঙ্গে হলেও তিন ফরম্যাটের ম্যাচ একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে না। বছরের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তিন সংস্করণের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে।

বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, জাতীয় লিগের টি-টোয়েন্টি, বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চার দিনের ক্রিকেট ও বিসিএল ওয়ানডেকে একটি প্যাকেজের আওতায় এনে ছয়টি দল গঠন করা হবে। পরে দলগুলোর স্পনসরশিপ বা মালিকানা করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হবে। বিসিবি নিজে কোনো দল পরিচালনা করবে না।

নতুন টুর্নামেন্টে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদেরও খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি, বিশ্রাম ও খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোড বিবেচনা করেই তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

ঘরোয়া ক্রিকেটে দর্শকদের আগ্রহ ফিরিয়ে আনা এবং প্রতিযোগিতার পরিবেশ আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। তামিম ইকবালের আশা, নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন আকর্ষণ তৈরি হবে।

ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করল বিসিবি

0

ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি প্রায় দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় ক্রিকেট লিগসহ (এনসিএল) ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন সংস্করণে নতুন মৌসুম থেকে বাড়তি ম্যাচ ফি পাবেন ক্রিকেটাররা। বৃহস্পতিবার মিরপুরে ওয়ার্কিং কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে একটি ম্যাচের জন্য সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা ম্যাচ ফি পাবেন ক্রিকেটাররা। এত দিন এ সংস্করণে ম্যাচপ্রতি সর্বোচ্চ ৭০ হাজার টাকা পাওয়ার সুযোগ ছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত মে মাসে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ম্যাচ ফি ৭৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করেছিলেন তামিম। এবার সেটি আরও ৫০ হাজার টাকা বাড়ানো হলো।

শুধু প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট নয়, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। নারী ও পুরুষ-উভয় ক্রিকেটারের ক্ষেত্রেই নতুন কাঠামো কার্যকর হবে। আসন্ন ঘরোয়া মৌসুম থেকেই বর্ধিত ম্যাচ ফি কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বিসিবির।

ম্যাচ ফি বাড়ানোর পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য পেশাজীবীদের পারিশ্রমিক কাঠামোও পর্যালোচনা করছে বোর্ড। আম্পায়ার, কোচ, স্কোরার, ট্রেইনার ও ফিজিওদের বেতন-ভাতা ও পারিশ্রমিক নতুন করে নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।

তামিম ইকবাল বলেন, শুধু ক্রিকেটারদের নয়, দেশের ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত সবার বিষয়ই বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। ভালো কাজ করা প্রত্যেকের পারিশ্রমিক ও বেতন পর্যালোচনা করে দ্রুত একটি মানসম্মত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।

বিপিএল না হওয়ায় ক্রিকেটারদের ক্ষোভ প্রশমনের জন্য ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে-এমন ধারণাও নাকচ করেছেন তামিম। তাঁর মতে, এটি সাময়িক কোনো উদ্যোগ নয়। দেশের ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যেই ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে।

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তা বাড়ার পাশাপাশি জাতীয় দলের বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে বিসিবি।