Home Blog Page 68

বিদায়ের পর আবেগঘন বার্তায় রাহানে, ‘এই ভালোবাসা সারা জীবন মনে থাকবে’

0

সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার কয়েক দিন পর এবার সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান অজিঙ্ক রাহানে। অবসরের ঘোষণার পর দেশ-বিদেশ থেকে পাওয়া অসংখ্য শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় আপ্লুত হয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সেই ভালোবাসার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার।

নিজের পোস্টে রাহানে লিখেছেন, ‘এত বার্তা, শুভেচ্ছা ও সমর্থনের জন্য প্রত্যেককে মন থেকে ধন্যবাদ জানাই। এই ভালোবাসা দেখে মন ভরে গেছে। সারা জীবন এই ভালোবাসা মনে থাকবে।’

গত বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট, ঘরোয়া ক্রিকেট এবং আইপিএল থেকেও অবসরের ঘোষণা দেন ৩৭ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান।

ভিডিওবার্তায় নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়ে রাহানে বলেন, ‘জীবনের সব কিছুরই যেমন শুরু আছে, তেমনি শেষও আছে। সময় আসলে তাকে সম্মান জানিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। ব্যাটিংয়ের সময় আমি সবসময় টাইমিংয়ের ওপর গুরুত্ব দিতাম। তাই সময়ের গুরুত্ব জানি। আমার মনে হয়েছে, এগিয়ে যাওয়ার এটাই সেরা সময়।’

ক্রিকেটজীবনের শুরুর স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। ডম্বিভলির ছোট্ট এক ছেলের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলার স্বপ্ন পূরণের গল্প স্মরণ করে রাহানে বলেন, ‘ডম্বিভলির যে ছেলেটা প্রতিদিন সকালে অনুশীলনে যেত, সুযোগ পেলেই নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করত, তার একটাই স্বপ্ন ছিল ভারতের জার্সি পরা। সবসময় দলকে নিজের আগে রেখেছি, সততার সঙ্গে খেলেছি। বিশ্বাস করেছি, সঠিক মানসিকতা নিয়ে খেললে ক্রিকেট আপনাকে অনেক কিছু ফিরিয়ে দেবে।’

ভারতীয় ক্রিকেটের পরিবর্তনের সাক্ষী হতে পারাকে নিজের সৌভাগ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রাহানের ভাষায়, ‘অভিষেকের দিন থেকে গত ২০ বছরে ভারতীয় ক্রিকেট অনেক বদলেছে। সেই পরিবর্তনের অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত। জয়-পরাজয় থাকবে, কিন্তু একসঙ্গে ক্রিকেট খেলার আনন্দটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড়।’
ভারতের হয়ে রাহানে খেলেছেন ৮৫টি টেস্ট, ৯০টি ওয়ানডে এবং ২০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। টেস্ট ক্রিকেটে তার সংগ্রহ ৫ হাজার ৭৭ রান। ওয়ানডেতে করেছেন ২ হাজার ৯৬২ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৩৭৫ রান।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও ছিল সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার। ২০১ ম্যাচে ১৪ হাজারের বেশি রান করেছেন তিনি। রয়েছে ৪১টি শতক ও ৫৯টি অর্ধশতক। এছাড়া ভারতের হয়ে ছয়টি টেস্টে অধিনায়কত্ব করে চারটিতে জয় এবং দুটি ম্যাচ ড্র করার কৃতিত্বও রয়েছে তার।

নাহিদের বিকল্প তৈরির আশ্বাস কোচ আলমগীর কবিরের

0

অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে ইনজুরির কারণে জাতীয় দলের বাইরে ছিটকে গেছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে গতিময় পেসার নাহিদ রানা। তবে তার অনুপস্থিতি নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন বিসিবির পেস বোলিং কোচ আলমগীর কবির। তার বিশ্বাস, দেশের বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে নাহিদের মতো সম্ভাবনাময় আরও বেশ কয়েকজন পেসার উঠে আসছেন।

মিরপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আলমগীর কবির জানান, অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ এবং অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ে বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান ফাস্ট বোলারকে তিনি দেখেছেন। যদিও নাহিদের মতো প্রাকৃতিক গতির বোলার এখনই নেই, তবুও ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী তিনি।

আলমগীর বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৭ দলে দেখেছি, ১৯ দলেও দেখেছি। অনূর্ধ্ব-২৩ দলেও দেখলাম। বেশ কয়েকজন ভালো বোলার আছে। নাহিদ হয়তো আলাদা। ওর গতি গড গিফটেড। ওই পেস এখনও কেউ পায়নি। তবে ভালো ভালো বোলার আছে।’

নাহিদের ইনজুরিতে অস্ট্রেলিয়া সফরে না থাকাটা সমর্থকদের পাশাপাশি দলের জন্যও বড় ধাক্কা বলে মনে করেন এই কোচ। তার মতে, একজন ম্যাচজয়ী পেসারের অনুপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই হতাশার।

তিনি বলেন, ‘এটা স্বাভাবিক। প্রতিটি দেশেই সেরা খেলোয়াড়কে নিয়ে সবাই পরিকল্পনা করে। আমরা রানার দিকে তাকিয়ে ছিলাম, ও ভালো করলে দল ভালো করবে।’

দীর্ঘদিন ইনজুরির পর দলে ফেরা আরেক পেসার এবাদত হোসেনের বর্তমান অবস্থা নিয়েও কথা বলেন আলমগীর। তার মতে, এবাদতকে অফফর্ম বলা ঠিক হবে না। চোট কাটিয়ে ফেরার পর পুরো ছন্দে ফিরতে কিছুটা সময় লাগেই।

আলমগীরের ভাষায়, ‘অফফর্মে না ঠিক। ও তো ইনজুরিতে ছিল, এখন কামব্যাক করেছে। একটু তো মাথায় ইনজুরির ব্যাপারটা থাকবেই। সময় দিলে আগের ছন্দে ফিরে আসবে।’

আগস্টের শেষেই হতে পারে নারী এশিয়া কাপ, অপেক্ষা শুধু এসিসির চূড়ান্ত ঘোষণার

0

আগামী ২৮ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হতে পারে ২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ। যদিও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সূচি ও ভেন্যু ঘোষণা করেনি, তবে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে সম্ভাব্য এই সময়সূচি মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো জানিয়েছে, টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসিসির চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি, ভেন্যু ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

এরই মধ্যে গত ২২ জুলাই অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর কাছে টুর্নামেন্টের লোগো পাঠিয়েছে এসিসি। একই সঙ্গে ২৭ আগস্টের মধ্যে দলগুলোকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছানোর প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।
সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সম্ভাব্য স্কোয়াড প্রকাশ করলেও এসিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় পরে সেই তালিকা সরিয়ে নেয়। এতে স্পষ্ট হয়, আয়োজক সংস্থা এখনও চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেনি।

নারী এশিয়া কাপ শেষ হওয়ার পরপরই ক্রিকেটারদের সামনে অপেক্ষা করছে আরেকটি বড় আসর। আগামী ১৭ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর জাপানের নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেট ইভেন্ট। ফলে দুটি টুর্নামেন্টের মাঝখানে খুব অল্প সময়ের ব্যবধান থাকায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য ব্যস্ত সূচিই অপেক্ষা করছে।

প্রস্তুতি ম্যাচে বড় জয় জিমিদের – লক্ষ্য এখন দক্ষিণ কোরিয়া

0

এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল। সেই প্রস্তুতি ম্যাচে অনূর্ধ্ব-২০ দলের বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছে জাতীয় দল। ম্যাচে জুনিয়রদের ৭-১ গোলে হারিয়েছে এশিয়ান গেমসের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া রাসেল মাহমুদ জিমি-দের জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা।

বিকেএসপিতে এশিয়া কাপের ক্যাম্পে থাকা অনূর্ধ্ব-২০ দলের বিপক্ষে ম্যাচটিকে নিজেদের প্রস্তুতি যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছে জাতীয় দল। তবে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও এতে আত্মতুষ্ট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মনে করছেন দলের প্রধান কোচ পিটার গেরহার্ড।

ম্যাচ শেষে জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এই কোচ। বিশেষ করে অনুশীলনে যে কৌশল ও পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হয়েছে, খেলোয়াড়রা ম্যাচে সেটিই বাস্তবায়ন করতে পারায় খুশি তিনি।

পিটার গেরহার্ড বলেন, দলের পারফরম্যান্সে তিনি সন্তুষ্ট হলেও এখনই আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চান না। খেলোয়াড়দের কিছু মুভমেন্ট এবং দলীয় সমন্বয় তাঁকে মুগ্ধ করেছে। অনুশীলনে যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা হয়েছে, ম্যাচেও খেলোয়াড়রা সেগুলো কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে পেরেছেন বলে মনে করেন তিনি।

জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের দ্রুত শেখার ক্ষমতারও প্রশংসা করেছেন কোচ। তাঁর মতে, দলের মধ্যে প্রতিভার অভাব নেই। অনুশীলনে নতুন কোনো বিষয় শেখানো হলে খেলোয়াড়রা তা দ্রুত আয়ত্ত করে মাঠে প্রয়োগ করতে পারেন। তবে দলের কিছু দুর্বলতা এখনো রয়েছে এবং সেসব জায়গায় উন্নতির জন্য আরও কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

তবে প্রস্তুতি ম্যাচের এই জয়কে এশিয়ান গেমসের মূল লড়াইয়ের সঙ্গে তুলনা করতে নারাজ কোচ। কারণ, এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচই শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে। তাঁর মতে, কোরিয়ার মতো উচ্চমানের দলের বিপক্ষে লড়াই সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা হবে।

তাই জুনিয়র দলের বিপক্ষে পাওয়া জয়কে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উপকরণ হিসেবে দেখলেও সামনে যে কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে, সেটি মনে করিয়ে দিয়েছেন পিটার গেরহার্ড। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে দলকে আরও অনেক জায়গায় উন্নতি করতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জাতীয় দলের কোচের মতে, বর্তমান সময়ে দলটি সঠিক পথেই এগোচ্ছে। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে তিনি সামগ্রিকভাবে খুশি হলেও এশিয়ান গেমসের মতো বড় মঞ্চে ভালো করতে হলে প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।

প্রস্তুতি ম্যাচে ৭-১ গোলের জয় তাই বাংলাদেশের জন্য আত্মবিশ্বাস জোগানোর পাশাপাশি নিজেদের ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করারও সুযোগ তৈরি করেছে। এখন সেই ভুলগুলো শুধরে আরও শক্তিশালী হয়ে এশিয়ান গেমসে নামতে চায় বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল।

সবশেষে, কোচ পিটার গেরহার্ডের দৃষ্টি এখন একটাই, দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এশিয়ান গেমসের প্রথম ম্যাচ। প্রস্তুতির শেষ ধাপে নিজেদের সেরা অবস্থানে নিয়ে গিয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভালো শুরুর লক্ষ্যেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ।

প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন স্থগিত

প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর উদ্বোধন স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট টুর্নামেন্টটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে টুর্নামেন্টটি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (ডিএসএইচই) থেকে জারি করা এক আদেশে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন স্থগিতের বিষয়টি জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই নির্ধারিত সময়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।

তবে টুর্নামেন্টের নতুন উদ্বোধনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। সংশোধিত উদ্বোধনের তারিখ এবং প্রতিযোগিতার বিস্তারিত সূচি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

নতুন সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে দেশের সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য দেশের সব আঞ্চলিক পরিচালক, উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিজ নিজ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট দেশের বয়সভিত্তিক ফুটবলারদের প্রতিভা বিকাশের অন্যতম বড় আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও তরুণ ফুটবলারদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করার সুযোগ তৈরি হয়।

প্রতিযোগিতাটি ঘিরে প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। বিশেষ করে স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ের তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য এটি নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করে।

এবারও টুর্নামেন্টটি ঘিরে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রস্তুতি চলছিল। আগামী ৯ আগস্ট উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত হওয়ায় নতুন সূচির অপেক্ষায় রয়েছেন অংশগ্রহণকারী দল ও খেলোয়াড়রা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, সংশোধিত সময়সূচি চূড়ান্ত হওয়ার পর টুর্নামেন্টের উদ্বোধনের নতুন তারিখ ও বিস্তারিত ম্যাচ সূচি প্রকাশ করা হবে। সে অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে মাঠে গড়াতে পারে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। নতুন সূচি প্রকাশের পরই জানা যাবে কোন অঞ্চলের কোন দল কখন মাঠে নামবে এবং টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কোথায় ও কীভাবে আয়োজন করা হবে।

দুর্নীতিবিরোধী আইন ভেঙে ৮ বছরের জন্য নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার অখিলেশ রেড্ডি

0

দুর্নীতিবিরোধী আইন ভঙ্গের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের অফস্পিনার অখিলেশ রেড্ডিকে আট বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ২০২৫ সালের আবুধাবি টি-টেন লিগে তিনটি ধারায় আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

২০২৫-২৬ মৌসুমের আবুধাবি টি-টেন টুর্নামেন্টে অ্যাসপিন স্ট্যালিয়নসের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেছিলেন রেড্ডি। সেই আসরকে ঘিরেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো আনা হয়।

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার ২.১.১ ধারায় ম্যাচের ফল, গতিপ্রকৃতি বা অন্য কোনো দিক অবৈধভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা বা এ ধরনের চুক্তিতে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ২.১.৪ ধারায় অন্য কোনো অংশগ্রহণকারীকে একই ধরনের অপরাধে প্ররোচিত, উৎসাহিত বা সহায়তার চেষ্টা এবং ২.৪.৭ ধারায় তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ছিল।

তদন্তের সময় নিজের মোবাইল ফোন থেকে তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, এমন তথ্য ও বার্তা মুছে ফেলার অভিযোগও ছিল রেড্ডির বিরুদ্ধে।

গত বছরের নভেম্বরে তাঁকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে অভিযোগ আনা হয়েছিল। এবার আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ট্রাইব্যুনাল তিনটি অভিযোগেই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। ফলে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে তাঁর ওপর আট বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের ২১ নভেম্বর থেকে, যেদিন থেকে তাঁর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছিল। অর্থাৎ ওই তারিখ থেকেই আট বছরের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ গণনা হবে।

আবুধাবি টি-টেন লিগের দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) আইসিসিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই আইসিসির ট্রাইব্যুনাল রেড্ডির বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২৫ সালের এপ্রিলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় ইসিবি অখিলেশ রেড্ডির। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে এখন পর্যন্ত চারটি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। তবে দুর্নীতিবিরোধী আইনের এই গুরুতর অভিযোগে দীর্ঘ আট বছরের নিষেধাজ্ঞার ফলে তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ার কার্যত বড় ধাক্কার মুখে পড়ল।

আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের হাতে ‘ফকল্যান্ডস’ ব্যানার, কীভাবে মাঠে এলো – ফাঁস হলো নতুন তথ্য

২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর পর আর্জেন্টিনা দলের উদযাপনের একটি ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ম্যাচ শেষে মাঠে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের হাতে দেখা গিয়েছিল একটি ব্যানার। সেখানে লেখা ছিল, ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের এই উদযাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে এতদিন একটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট ছিল না, ব্যানারটি কীভাবে গ্যালারি থেকে মাঠে পৌঁছাল এবং খেলোয়াড়দের হাতে গেল?

এবার প্রকাশ্যে এসেছে সেই ঘটনার নতুন একটি ভিডিও। আর্জেন্টাইন সময় গত শনিবার, ১ আগস্ট, এক সমর্থক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, বিশ্বকাপ চলাকালে তিনি নিজেও বুঝতে পারেননি যে ক্যামেরায় ব্যানারটি মাঠে পৌঁছানোর মুহূর্তটি ধরা পড়েছে। পরে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ পর নিজের ফোনে থাকা ভিডিও ও ছবিগুলো দেখার সময় তিনি ঘটনাটি খেয়াল করেন।

ভিডিওটি প্রকাশ করে ওই সমর্থক লিখেছেন, তিনি বুঝতেই পারেননি যে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত তাঁর ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। বিশ্বকাপ থেকে ফেরার পর ছবি ও ভিডিও দেখার সময় হঠাৎ বিষয়টি নজরে আসে তাঁর। এরপরই তিনি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, ম্যাচে মাঠে না নামা আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসো প্রথমে মাঠে পড়ে থাকা ব্যানারটি তুলে নেন। ব্যানারে কী লেখা রয়েছে, সেটি দেখার পর তিনি সেটি দর্শকদের দিকে তুলে ধরেন। এরপর লো সেলসোর সঙ্গে ব্যানার হাতে উদযাপনে যোগ দেন দলের দুই ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও ক্রিস্তিয়ান রোমেরো।

পরে লো সেলসো ব্যানারটি মাঠের ওপর বিছিয়ে দেন। সেই সময় খেলোয়াড়দের হাতে ব্যানারটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি দুই দেশের রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয় আলোচনা।

তবে নতুন ভিডিও প্রকাশের পর আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে ব্যানারটির উৎস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন ব্যক্তি একটি ছবি প্রকাশ করে দাবি করেছেন, ব্যানারটি কোনো প্রস্তুতকৃত রাজনৈতিক পোস্টার ছিল না। বরং একটি হোটেলের বিছানার চাদরের অংশ ব্যবহার করে এটি তৈরি করা হয়েছিল।

ওই ব্যক্তির দাবি, তাঁর ভাবির এক আত্মীয় ব্যানারটি তৈরি করেছিলেন। একটি হোটেলের চাদরের অংশ নিয়ে তাতে ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’ বার্তা লেখা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরে সেটিই কোনোভাবে গ্যালারি থেকে মাঠে পৌঁছে যায় এবং আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের উদযাপনের অংশ হয়ে ওঠে।

ঘটনাটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস। তাদের প্রতিবেদনের পর ব্যানারটি কীভাবে তৈরি এবং মাঠে পৌঁছেছিল, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিসিবি’র সঙ্গে চুক্তি বাতিল কার্যকর হলো সৈকতের

অবশেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের চুক্তির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হতে যাচ্ছে। প্রায় এক বছর আগে জমা দেওয়া তার পদত্যাগপত্র অবশেষে ২০২৬ সালের এপ্রিলে কার্যকর করা হয়েছে বলে বিশ্বস্ত একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ঘটনার শুরু ২০২৫ সালের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ চলাকালে। ওই বছরের ২১ এপ্রিল বিসিবির চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য পদত্যাগপত্র জমা দেন সৈকত। তবে সে সময় বোর্ড তার আবেদন গ্রহণ করেনি এবং তিনি আগের মতোই চুক্তির আওতায় থেকে দায়িত্ব পালন ও বেতন-ভাতা পেতে থাকেন।

শেষ পর্যন্ত এক বছর পর এসে সেই পদত্যাগ কার্যকর করা হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে আম্পায়ার্স বিভাগের এক কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেননি। তিনি জানান, এমন তথ্য তারও জানা আছে, তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত নন।

অবশ্য সূত্রের দাবি, সৈকত নিজেও আর বিসিবির চুক্তিভিত্তিক কাঠামোয় থাকতে আগ্রহী নন। তবে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিং চালিয়ে যেতে চান তিনি। বর্তমানে তিনি আইসিসির এলিট প্যানেলের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

অস্ট্রেলিয়ার সুযোগ-সুবিধায় মজেছেন তাইজুল

দীর্ঘ বিমানযাত্রা যাত্রা শেষে ডারউইনে পৌঁছে অনুশীলনে নেমে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। প্লেয়ারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন কোচিং স্টাফের সদস্যরা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের ভেন্যু ডারউইনে পৌঁছে অনুশীলন শুরু করেছে বাংলাদেশ।

বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম জানান, উন্নতমানের সুযোগ-সুবিধা থাকায় সেরা প্রস্তুতি নিতে পারছেন তারা। বাংলাদেশ দলের বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম জানালেন, প্রস্তুতি এবং সুযোগ-সুবিধা বেশ ভালো হচ্ছে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ডারউইনে মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ। এর আগে ডারউইনেই আছে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ।

দীর্ঘ যাত্রা শেষে ডারউইনে পৌঁছে অনুশীলনে নেমে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। প্লেয়ারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন কোচিং স্টাফের সদস্যরা। বাংলাদেশ দলের বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম জানালেন, প্রস্তুতি এবং সুযোগ-সুবিধা বেশ ভালো হচ্ছে। বিসিবির প্রকাশিত ভিডিওতে তাইজুল বলেছেন, ‘জার্নিটা ভালো ছিল কারণ আসার সময় আমরা ট্রানজিট পেয়েছিলাম। ট্রানজিটে বিশ্রাম নেওয়ার একটা ব্যাপার ছিল। আলহামদুলিল্লাহ ভালো হয়েছে।’

সুযোগ-সুবিধার ব্যাপারে বেজায় খুশি তাইজুল, ‘আমরা এখানে যে সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি, সবকিছু মিলে প্রস্তুতি ভালোই হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ প্রথম দিনে প্রস্তুতিটা খুব ভালো হয়েছে। এখানে সুযোগ-সুবিধা অনেক ভালো। উইকেট থেকে শুরু করে, ফিল্ডিং থেকে শুরু করে রানিং থেকে শুরু করে সব ধরনের অ্যাক্টিভিটি আমরা ভালোভাবে করতে পেরেছি, তো খুব ভালো।’
সফরে ১৩ আগস্ট ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্ট। সিরিজের দ্বিতীয় এবং সর্বশেষ টেস্ট আগামী ২২ আগস্ট, সাউথ ম্যাকায়ে।

অস্ট্রেলিয়ায় এখনকার লক্ষ্যটা ভিন্ন-হাবিবুল বাশার

প্রায় ২৩ বছর পর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছে টাইগারদের প্রথম বহর। শনিবার রাতে দ্বিতীয় বহরের দলে ছিলেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা। ঢাকা ছাড়ার আগে বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন সাবেক এই অধিনায়ক।

এ বিষয়ে বাশার বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে বাংলাদেশের মানসিকতা বদলেছে। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার শুরুর দিকে লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের জায়গা ধরে রাখা। কিন্তু এখন দল সেই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভালো ফল অর্জনের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ তো ২৩ বছর আগেও ছিল, এখনো আছে। অবশ্যই ২৩ বছর আগের লক্ষ্যটা এক রকম ছিল, এখনকার লক্ষ্যটা ভিন্ন। তখনকার প্রেক্ষাপট এক রকম ছিল, এখনকার প্রেক্ষাপট অন্য রকম। অবশ্যই, তখন তো আমরা যখন গেছি, আমি আগেও বলেছি, তখন আসলে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল টিকে থাকা। তবে আমরা শুধু টিকে থাকতে যাচ্ছি না, আমরা ভালো কিছু করতে চাই।’

দলের জন্য ইতিবাচক খবর হিসেবে দেখছেন লিটন কুমার দাসের স্কোয়াডে ফেরা। তবে পেসার নাহিদ রানাকে পাওয়া নিয়ে এখনও শঙ্কা রয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচক। শরিফুল ইসলাম সুস্থ হয়ে ফিরতে পারলে সেটিও দলের জন্য বড় স্বস্তি হবে বলে মনে করেন তিনি।

বাশার আরও বলেন, ‘আমাদের নিয়মিত সদস্য তিনজন বাইরে চলে গিয়েছিল, নাহিদ রানা, শরিফুল, লিটন। তাই লিটনকে ফিরে পেয়েছি, যা খুবই ভালো। নাহিদ রানাকে হয়তো পাব না। শরিফুলকেও যদি পাই, তাহলে সেটা আমাদের জন্য অনেক ভালো হবে। তবে লিটনের ফিরে আসা অবশ্যই ইতিবাচক লক্ষণ। লিটন ফিরে আসায় আমাদের ব্যাটিংটা একটু শক্ত হলো।’

অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সিরিজ হলেও দলের ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাসী বলেই মনে করছেন প্রধান নির্বাচক। তার বিশ্বাস, এই সফরকে ক্যারিয়ারের স্মরণীয় অধ্যায়ে পরিণত করতে মুখিয়ে আছেন ক্রিকেটাররা। বাশারের ভাষায়, ‘আমার মনে হয়, সবাই খুব রোমাঞ্চিত। যাদের সঙ্গে দলের যতটুকু কথা হয়েছে, গেলে আরও ভালোভাবে কথা হবে। সবাই এখানে বিশেষ কিছু করে তাদের ক্যারিয়ারে মনে রাখার মতো কিছু করতে চায়। আমরা জানি যে চ্যালেঞ্জটা অনেক বেশি। অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া খুব শক্তিশালী দল। কিন্তু সবাই এমন কিছু করতে চায়, যেটা সারা জীবন মনে রাখতে পারবে, যেটা তাদের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন হতে পারে। আমার মনে হয়, সবাই খুব ইতিবাচক। জানি কাজটা কঠিন, অবশ্যই কঠিন। কিন্তু কাজটা করতে পারলে সবারই ভালো লাগবে।’