বিশ্বকাপ ফুটবলের চূড়ান্ত দল ঘোষণা সময় শেষ হতে আর বাকি নেই। আগামী ১ জুনের মধ্যে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ফিফার কাছে জমা দেওয়ার শেষ দিন। ব্রাজিল, স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্সসহ বেশির ভাগ বড় দল এরই মধ্যে চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে। তবে এ দলে এখনো নাম লেখাতে পারেননি বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। কোচ স্ক্যালোনি এখনো পর্যন্ত দল চূড়ান্ত করতে পারেননি। সুযোগ নিচ্ছেন শেষ সময়ের।
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াড শুধু যে ২৬ জনের একটা ফুটবল দল তা নয়। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াড মানে একটা আবেগ। ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার নেতৃত্বে যেমন দেখা গেছে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পরও আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সে তেমন দেখা গেছে। লাখো মানুষের উচ্ছ্বাসে সেদিন উপভোগ করেছে বিশ্ববাসী। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের কাছে এবারও আর্জেন্টাইনদের তেমনই প্রত্যাশা। তাইতো দল নির্বাচনে হিমশিম অবস্থা স্ক্যালোনির।
এক সাক্ষাতকালে কোচ স্ক্যালোনি বলেন, খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে আমরা চূড়ান্ত সময়টা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি। প্রীতি ম্যাচগুলোতে আমরা খেলোয়াড়দের ঝুঁকিতে ফেলবো না। সেখানে বিভিন্নভাবে খেলোয়াড়দের মিলিয়ে দল গড়া হবে।
নিকো পাজকে নিয়ে আশাবাদী
এদিকে চূড়ান্ত দলে কারা থাকতে পারেন তার একটা ইঙ্গিত দিয়েছেন স্ক্যালোনি। একই সঙ্গে দলে না থাকা খেলোয়াড়দের নিয়েও কথা বলেছেন। বাদ পড়া খেলোয়াড়দের প্রসঙ্গ আসতেই পাউলো দিবালার কথা উঠে এসেছে। দিবালা গত এক দশক ধরে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলোয়াড়দের একজন। গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন। টাইব্রেকারে গোল করেছেন। তার আগে ফ্রান্সের একটা সুযোগ নষ্ট করে দিয়ে দলকে গোল হজম থেকে রক্ষা করেন।
দিবালাকে দলে না রাখার ব্যাপারে স্ক্যালোনি বলেন, তরুণ খেলোয়াড়দেরও সুযোগ দেওয়া দরকার। নিকো পাজ তরুণদের মধ্যে দারুণ প্রতিভাবান। তাকে আগামী দিনের বড় তারকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তার প্রশংসায় স্ক্যালোনি আরও বলেন, তাঁকে আরও কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে চায় কোচিং স্টাফ। সে ঠিক কোন পর্যায়ে আছে তা দেখতে চায় দল।
১৬ জুন প্রথম ম্যাচ
আগামী ২ জুন ফিফা বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ দল ঘোষণা করবে। তার আগেই চূড়ান্ত দল জমা দেবে আর্জেন্টিনা। ১১ জুন শুরু হবে বিশ্বকাপ। আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচ মাঠে নামবে ১৬ জুন। প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া। গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল সৌদি আরব। এ ম্যাচে হার দিয়ে শুরু হয়েছিল মেসির বিশ্বকাপ মিশন।
