যে মন্ত্রে বদলে গেল বাংলাদেশ

যে মন্ত্রে বদলে গেল বাংলাদেশ

রান তাড়ায় বাংলাদেশের দাপট।

যে মন্ত্রে বদলে গেল বাংলাদেশ । অ্যাটাক ইজ দ্যা বেস্ট ডিফেন্স-এই সূত্র মেনেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দারুণ জয় পেয়েছে টাইগাররা। ১৮৩ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ধীর গতিতে। তার ওপর দ্রুত কিছু উইকেট হারিয়ে দল পড়ে যায় চাপে। এ সময় ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হন চারে নামা হৃদয়।

চাপের মুখে দেখে খেলার চেয়ে আগ্রাসী ব্যাটিংই কেন বেছে নিলেন। অবশ্য গত বছরই এই সংস্করণে নিজেদের প্রায় সব রেকর্ড নতুন করে লিখেছে লিটন দাসের দল। এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি জয়, ছক্কা, স্ট্রাইক রেট, বোলিংয়ে উইকেট-সবই বাংলাদেশ করেছে ২০২৫ সালে।

যে মন্ত্রে বদলে গেল বাংলাদেশ

আর টি-টুয়েন্টিতে ভিন্ন ধাঁচের ক্রিকেট খেলার শুরুও এখান থেকেই। যে সংস্করণটার সঙ্গে আগের সময়ে প্রতিপক্ষের সেভাবে পাল্লা দিতে পারেনি তারা, সেখানেই তারা গত বছর জিতেছে টানা চার সিরিজ। গত বছরের শুরুর দিকেও নতুন তানজিদ হাসান-পারভেজ হোসেনরা এখন দলের একরকম মেরুদণ্ড হয়ে উঠেছেন।

তাওহিদ হৃদয়-শামীম হোসেনরাও নিজেদের চেনাচ্ছেন নতুন করে। বোলিংটা তো এখন সব সংস্করণেই বাংলাদেশের জন্য ত্রাতা। নতুন ধাঁচের সেই টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশ পরের ধাপে পৌঁছানোর মিশনটা কি নিউজিল্যান্ড সিরিজে শুরু করেছে? ঘরের মাঠে রেকর্ড ১৮২ রান তাড়া করে জিতেছে।

৭৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর তা সম্ভব হয়েছে চাপের মুখে দাঁড়িয়েও হৃদয়-পারভেজদের প্রতি-আক্রমণের কারণে। যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই হোক না কেন, সাধারণত এভাবে ঘুরে দাঁড়াতে খুব একটা দেখা যায় না বাংলাদেশকে। ম্যাচ শেষে প্রশ্নটা করা হয়েছিল গতকাল ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা তাওহিদ হৃদয়কে।

উত্তরে তিনি বলেছেন,

ভালোর তো শেষ নেই। সবাই সবার জায়গা থেকে যতটুকু ভালো করা যায়, সব সময় চেষ্টা করে। অনেক দিন ধরে সবাই একসঙ্গে খেলছি। বোঝাপড়া অনেক ভালো আছে প্রতিটা খেলোয়াড়ের। আমার কাছে যেটা ইতিবাচক মনে হয়েছে যে আমরা চাপটা নিইনি।

হৃদয় মনে করেন, এ রকম পরিস্থিতি থেকে যত তাঁরা ম্যাচ জেতাবেন, দলের আত্মবিশ্বাসও ততই বাড়বে তাতে। এখন তাঁদের যে এ রকম ম্যাচ বের করার সময় এসেছে, তাও স্বীকার করতে দ্বিধা ছিল না তাঁর। বছরের প্রথম টি-টুয়েন্টি খেলতে নেমে তাঁরা দিয়েছেন ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত-লম্বা পথে হোঁচট না খেয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার।

তা খোলাসা করেছেন এই ব্যাটার। তিনি বলেন,

কথায় আছে না, অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স। তো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে আপনি যদি বেশি বো ডাউন থাকেন আসলে হয় না।

Exit mobile version