জাতীয় দলে খেলার সম্ভাবনা নেই, নির্বাচক হিসেবে শামসুর রহমান দায়িত্ব নিয়েছেন বয়সভিত্তিক দলের। কিছুদিন আগে লঙ্গার ভার্সনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও স্বল্প পরিসর থেকে সরে যাননি। এর মধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব ১ মে থেকে শুরু করেছেন এই ব্যাটার।
বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলে এখন নির্বাচক হিসেবে শামসুর পথচলা শুরু করছেন। প্রায় ৩৮ বছর ছুঁই ছুঁই বয়সি শামসুর মূলত বিসিবির বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের সমসাময়িক ক্রিকেটার। তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই তিনি বাংলাদেশ দলকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
২০১৪ সালে টেস্ট অভিষেক হওয়ার পর এই ফরম্যাটে ৬ ম্যাচে ডানহাতি এই ওপেনার ৩০৫ রান করেছেন ২৫.৪১ গড়ে। একটিমাত্র সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকের বছরই। তবে ২০১৪ সালের পর আর টেস্টই খেলার সুযোগ হয়নি তার।

২০১৩ সালে তার ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়। ১০ ওয়ানডে খেলে দুই ফিফটিতে ২৬.৬০ গড়ে ২৬৬ এবং ৯ টি-২০ ম্যাচে একটি অর্ধশতকে ৮৬ রান করেছেন তিনি বাংলাদেশের জার্সিতে।
নির্বাচক হিসেবে শামসুর
সবমিলিয়ে দেড় বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শামসুর রহমান শুভর। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের সব ফরম্যাটেই বেশ বড় নাম ও তারকা হিসেবেই পরিচিত এই কুমিল্লার ক্রিকেটার। তবে দীর্ঘ সময় জাতীয় দলে আর ডাক না পেয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার আশা ছেড়েই দিয়েছেন তিনি। অবশেষে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেট থেকে বিদায় নেন সম্প্রতি।
হয়তো স্বল্প পরিসরের ক্রিকেট আরো কিছুদিন খেলতেন শামসুর। কিন্তু এখন বিসিবি তাকে নতুন দায়িত্বে বসিয়েছে। তাকে এবার খুদে ক্রিকেটারদের দেখভাল করতে হবে। তার হাত ধরেই দেশের পরবর্তী প্রজন্ম পেশাদার ক্রিকেটার হওয়ার প্ল্যাটফর্মে ঠাঁই পাবেন।

বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হিসেবে তাকে নিয়োগ করেছে বিসিবি। আগামী এক বছরের জন্য দায়িত্ব সামলাবেন শামসুর। তা আরো বর্ধিতও হতে পারে। চলতি মাসের প্রথম দিন থেকেই কাজে নেমে পড়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই ব্যাটার।
এখন নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তরুণ ক্রিকেটারদের তুলে আনাই হবে তার কাজ। বর্তমানে খুলনায় গিয়ে অনুর্ধ্ব-১৬ দলের খেলা দেখছেন তিনি। ১৬০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ, ১৮৫টি লিস্ট ‘এ’ (৫০ ওভার) ও ১১২টি টি-২০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে এখন দেশের উদীয়মান তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যত গড়ার কাজ শামসুরের।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩











