রেকর্ড ভাঙা বোলিংয়ের রহস্য জানালেন তাইজুল

সাকিবের রেকর্ড ভাঙা বোলিংয়ে সাফল্যের রহস্য জানালেন তাইজুল

সাকিবের রেকর্ড ভাঙা বোলিংয়ে সাফল্যের রহস্য জানালেন তাইজুল ইসলাম। হারারে টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে বাংলাদেশের হয়ে একাই লড়াই করেছেন তাইজুল ইসলাম। ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা বোলিংয়ে ৭ উইকেট শিকার করে জিম্বাবুয়ের বড় সংগ্রহ থামানোর মূল কারিগর ছিলেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

এই ইনিংসেই তিনি টেস্টে এক ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডে ছাড়িয়ে গেছেন সাকিব আল হাসানকে। দিনের খেলা শেষে নিজের সাফল্যের রহস্যও জানিয়েছেন অভিজ্ঞ এই স্পিনার।

সংবাদ সম্মেলনে তাইজুল বলেন, একজন বোলারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধারাবাহিকভাবে শৃঙ্খলা ধরে রাখা। তিনি বলেন, “যেকোনো কন্ডিশনেই লাইন-লেন্থ ঠিক রেখে বল করতে পারলে সাফল্য আসে। আমি সব সময় সেটাই অনুসরণ করার চেষ্টা করি। পাশাপাশি ব্যাটার কোন শট খেলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে, কোন জায়গায় সমস্যায় পড়ছে, সেগুলো বুঝে পরিকল্পনা সাজাই।”

হারারের উইকেট নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণও তুলে ধরেন তিনি। তাইজুলের মতে, এই উইকেটে পেসারদের জন্য কিছুটা সহায়তা থাকলেও ময়েশ্চারের কারণে স্পিনাররাও টার্ন ও বাউন্স পাচ্ছেন। সেই সুবিধা কাজে লাগিয়েই তিনি ধারাবাহিকভাবে উইকেট তুলে নিতে পেরেছেন।

ম্যাচের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী তাইজুল। তিনি বলেন, প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিং করা সহজ ছিল। বাংলাদেশের ব্যাটাররা যদি বড় জুটি গড়তে পারেন, তাহলে দল ভালো সংগ্রহ গড়ে ম্যাচে ফিরতে পারবে। দলের সবাই ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলছে বলেও জানান তিনি।

নিজের দীর্ঘ স্পেল নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তাইজুল বলেন, নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা ছিল না। যেহেতু উইকেট থেকে সাহায্য মিলছিল, তাই স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে দীর্ঘ সময় বল করতে পেরেছেন। প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, নিজের লক্ষ্য সবসময় একই থাকে-শৃঙ্খলা বজায় রেখে ধারাবাহিকভাবে সঠিক জায়গায় বল করা।

তবে ব্যক্তিগত সাফল্যের দিনেও চাপে রয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হওয়ার পর জিম্বাবুয়ে ৪১০ রান তুলে ২৭০ রানের লিড পায়। যদিও তাইজুলের সাত উইকেটের দুর্দান্ত বোলিং স্বাগতিকদের আরও বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ ১ উইকেট হারিয়ে ৪০ রান করেছে। ক্রিজে আছেন মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হক। ম্যাচে টিকে থাকতে তৃতীয় দিনে এই জুটির ওপরই বড় দায়িত্ব থাকবে।

Exit mobile version