টেস্টে তাসকিনের ফিফটি , তাসকিনের ৫০ পূর্ণ হওয়ার সেশন নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। তাই তো নাজমুল হোসেন শান্তদের উচ্ছ্বাসটা একটু বেশিই ছিল। পাকিস্তানের ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে সালমানা আগা আউট করেন তিনি। লিটন দাস ক্যাচ ধরার পর ক্রিকেটাররা একে অপরের সঙ্গে হাই-ফাইভ করছেন। বোলার তাসকিন আহমেদের উদ্যাপনও চলছে। কিন্তু হঠাৎ করে বেজে উঠল সতর্কতামূলক সাইরেন-নো বল।
বলটি করার সময় তাসকিনের পা পপিং ক্রিজ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তাই সালমানকে আর প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়নি। তাতে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মন কি একটু খারাপ হলো? হলে হতেও পারে। তবে পুরো সেশন বিবেচনা করলে মন খারাপের তেমন কারণ নেই।
মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে তৃতীয় দ্বিতীয় ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তানের ৪টি উইকেটই টাইগাররা আজকের প্রথম সেশনে তুলে নিয়েছে। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের স্কোরলাইন তাই ৫/২৫১। প্রথম ইনিংসে ৪১৩ করা বাংলাদেশের খুশি না হওয়ার কোনো কারণ কি আছে?
আজানের প্রতিরোধ ভেঙে তাসকিনের অনন্য কীর্তি
দ্বিতীয় দিন শেষে পাকিস্তানের শক্ত অবস্থানে থাকার কারণ আজান আওয়াইস। অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা এই ওপেনার আজকের দিন শুরু করেছিলেন ৮৫ রান নিয়ে। ১৫৩ বলে সেটিকে সেঞ্চুরিতে রূপ দেন। তবে এরপর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, ১০৩ রানের মাথায় তাসকিন আহমেদ তাকে তুলে নেন। এ উইকেটের মাধ্যমেই ১৮তম টেস্ট ক্রিকেটে তাসকিনের ৫০ উইকেট পূর্ণ হলো। তৃতীয় টাইগার পেসার হিসেবে এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন তিনি। তার আগে গেছেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও শাহাদাত হোসেন।
আজান বিদায়ে নিয়েছিলেন দলীয় ২১০ রানে, পরের ২০ রানের মধ্যে টাইগাররা আরও তিন উইকেট তুলে নেয়। ২২৬ রানে তাসকিন আহমেদ শান মাসুদকে শর্ট লেগে সাদমানের ক্যাচ বানান। একটু পর মিরাজকে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন সৌদ শাকিল। মিরাজ নেন পরের উইকেটটিও। ৬০ রান করা আবদুল্লাহ ফজল মিডঅনে ক্যাচ দেন তাইজুল ইসলামকে।
লাঞ্চ শেষে সালমান আগা ১২ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৮ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামবেন। এই দুজনই এখন বাংলাদেশের সামনে একমাত্র চ্যালেঞ্জ, বাকিরা সবাই বোলার। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তৃতীয় দিন দ্বিতীয় সেশনে বেশ ভক্ত জুটি গড়েছেন পাকিস্তানের দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। সালাম ৫০ ও রিজওয়ান ৪৩ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩



















