সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে ২৭৫ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ । রবিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। ফলে সিরিজে ইতোমধ্যে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ এখন হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে বোলারদের দিকে তাকিয়ে।
ইনিংসের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ওভারেই জেভিয়ার বার্টলেটের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সৌম্য সরকার। মাত্র ৪ বলে ২ রান করেন তিনি। তবে এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম ৫১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন। তানজিদ ২০ বলে ১৯ রান করে ম্যাট রেনশর শিকার হন।
লিটন-হৃদয়ের জুটিতে স্বস্তি টাইগার শিবিরে
অধিনায়ক শান্তও ইনিংস বড় করতে পারেননি। অফ স্পিনার রেনশর বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হওয়ার আগে ৫০ বলে তিন চারসহ ২৪ রান করেন তিনি। ১৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৬২ রান তুলে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই চাপ থেকে দলকে বের করে আনেন লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে দুজনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে গড়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ জুটি। লিটন শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও উইকেটে থিতু হয়ে দলের স্কোর এগিয়ে নিতে থাকেন। অন্যদিকে হৃদয় ছিলেন আরও আত্মবিশ্বাসী।
২৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১১৪। এরপর ইনিংসের গতি বাড়ান দুই ব্যাটার। যদিও ৪৮ রানে থাকা অবস্থায় চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন লিটন। তবে হৃদয় দারুণ ব্যাটিং চালিয়ে যান এবং ৬২ বলে ক্যারিয়ারের ১৩তম ওয়ানডে ফিফটি তুলে নেন। লিটনের অনুপস্থিতিতে মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে বড় জুটি গড়েন হৃদয়।
দুজনের ৯৩ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহের ভিত পায় বাংলাদেশ। তবে ইনিংসের ৪৬তম ওভারে বেন ডোয়ার্শাসের বলে আউট হওয়ার আগে ৮৮ বলে আট চার মেরে ৮৩ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন হৃদয়।
শেখ মেহেদি হাসান ৩ রান করে ফিরে গেলে আবার ব্যাটিংয়ে নামেন লিটন। ফিরে এসে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূরণ করেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। শেষদিকে মোসাদ্দেক ও লিটনের অপরাজিত জুটিতে দ্রুত রান তোলে বাংলাদেশ। মোসাদ্দেক ৬৬ ও লিটন ৫৮ রানে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন।
প্রতিকূল শুরু সামলে মধ্য ও শেষভাগে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৭৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। এখন অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করতে প্রয়োজন শৃঙ্খলিত ও ধারালো বোলিং।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩














