শেষ ওয়ানডের ব্যর্থতা ভুলে নতুন সূচনার অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল। শনিবার (১৮ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে নিজেদের হারানো ছন্দ ফিরে পেতে মরিয়া ফিল সিমন্সের শিষ্যরা।
ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন কঠিন সময় পার করছে বাংলাদেশ। একসময় এই ফরম্যাটেই ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী, এখন সেখানে ধারাবাহিক ব্যর্থতা ঘিরে ধরেছে দলকে। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা নিয়েও তৈরি হয়েছে শঙ্কা। তাই মার্চ ২০২৭-এর আগে প্রতিটি ওয়ানডে এখন টাইগারদের জন্য বাড়তি গুরুত্বপূর্ণ।
ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সামনে পেয়ে সেই ফর্মে ফেরার মিশনে নেমেছে বাংলাদেশ। আরব আমিরাত সফর শেষে দেশে ফিরে মিরপুরে অনুশীলনে নামতেই দেখা গেল সিরিয়াস মেজাজে প্রস্তুতি নিচ্ছেন খেলোয়াড়রা।
সহকারী কোচ হিসেবে সালাউদ্দিন আহমেদ যুক্ত হওয়ার পর ওয়ানডে ফরম্যাটে ছয়বার আড়াইশ রানের আগেই অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে দুর্বল জায়গা হয়ে উঠেছে মিডল অর্ডার। এই জায়গাটিতেই নজর দিচ্ছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।
তিনি বলেন,
“আমরা মিডল অর্ডারে জুটি গড়তে পারছি না। টপ অর্ডার ভালো শুরু দিলেও পরে ধস নামছে। শ্রীলঙ্কা সিরিজেও একই জিনিস ঘটেছে। এখন আমাদের মানসিকভাবে আরও শক্ত হতে হবে এবং জুটি গড়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে মানিয়ে নিতে হয়, সে নিয়েই ব্যাটারদের সঙ্গে কাজ করছি।”
অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তার নেতৃত্বে টানা ১০ ওয়ানডে ম্যাচে জয়হীন বাংলাদেশ। তবে কোচ সিমন্স এখনই হতাশ নন—
“আমার কাছে মিরাজ একজন ভালো অধিনায়ক। কেবল স্কোরবোর্ড দেখে নেতৃত্ব বিচার করা যায় না। সে মাঠে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ক্রিকেটে জয় নির্ভর করে ব্যাটারদের রান তোলার ওপরও। পর্যাপ্ত রান না হলে কোনো অধিনায়কই কিছু করতে পারে না।”
২৫ মাস পর মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে ফিরছে ওয়ানডে ক্রিকেট। একদিনের ফরম্যাটে এখানেই নিজেদের শেষ সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ, তারপর থেকেই পারফরম্যান্সের গ্রাফ নিচে নামছে। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই সিরিজটাই হতে পারে ফর্মে ফেরার সূচনা বিন্দু।
তিন ম্যাচের এই ওয়ানডে সিরিজে জয়ের মধ্য দিয়েই আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে চায় টাইগাররা।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















