জস বাটলারের মাইলফলকের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে সফরকারীদের ৬ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে স্বাগতিকেরা। শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৪৬ রানের লক্ষ্য মাত্র ১২.১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ফলে ৪৭ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে হ্যারি ব্রুকের দল।
টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। শুরুতে শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার ভালো ব্যাটিং করলেও ইংলিশ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুতই ছন্দ হারায় তারা। একপর্যায়ে ৫৬ রানে কোনো উইকেট না হারানো দলটি শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান সংগ্রহ করে। ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন লিয়াম ডসন। তিনি ৩২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার পান। জোফরা আর্চার নেন ২ উইকেট। সনি বেকার ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেন এবং একটি মেডেন ওভারও করেন।
শ্রীলঙ্কার ইনিংসে শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও ডসনের আঘাতের পর ব্যাটিংয়ের গতি কমে যায়। ইংলিশ বোলাররা বিশেষ করে ইনিংসের শেষদিকে কার্যকর ইয়র্কার ও বৈচিত্র্যময় বল করে শ্রীলঙ্কাকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি। সফরকারীদের ব্যাটিংয়ে বড় কোনো জুটি গড়ে না ওঠায় শেষ ১৫ ওভারে ৯ উইকেট হারায় তারা।

জবাবে ইংল্যান্ডের শুরুটা ছিল আক্রমণাত্মক। ওপেনার আনিউরিন ডোনাল্ড ২১ এবং জস বাটলার ৩০ রান করে দলকে দ্রুত এগিয়ে দেন। বাটলার এই ম্যাচে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৫ হাজার রান পূর্ণ করা প্রথম ব্যাটার হওয়ার কীর্তি গড়েন। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক মাত্র আট বলে তিনটি ছক্কায় ২৩ রান করেন। তবে ইংল্যান্ডের জয়ের মূল নায়ক টম ব্যান্টন। তিনি মাত্র ২৪ বলে অপরাজিত ৫২ রান করে দলকে সহজ জয় এনে দেন।
এই জয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে টানা ১৪টি ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে।


