লিওনেল মেসির প্রশংসায় নতুন করে বলার খুব বেশি কিছু যেন অবশিষ্ট নেই। প্রায় দুই দশক ধরে নিজের অসাধারণ নৈপুণ্যে ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করে চলেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। বয়স ৩৯ হলেও বড় ম্যাচে তাঁর প্রভাব যে এখনো অটুট, সেটিই আবারও দেখা গেল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। আর সেই ম্যাচ শেষে মেসির প্রশংসায় মুখ খুললেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে গোল করতে না পারলেও আর্জেন্টিনার দুটি গোলেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মেসি। তাঁর দুটি নিখুঁত পাস থেকেই গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মেসির প্রশংসা করেন কেইন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এমনটাই হয়। তারা যখন প্রতিপক্ষের বক্সের আশপাশে বল পায়, তখন যেকোনো মুহূর্তে জাদু দেখাতে পারে।’
এরপর মেসিকে সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কেইনের ভাষায়, ‘মেসি আজ আবার সেটাই করেছে। নিঃসন্দেহে সে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। কেন তাকে এত বড় খেলোয়াড় বলা হয়, সে তার প্রমাণ বারবার দিয়েছে।’
ম্যাচে অবশ্য দীর্ঘ সময় এগিয়েই ছিল ইংল্যান্ড। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে লিড নেয় ইউরোপের দলটি। তবে শেষ দিকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ সমতা ফেরানোর পর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির বাড়ানো বল থেকে হেডে জয়সূচক গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ।
এগিয়ে থেকেও হার মানতে হওয়ায় হতাশা লুকাননি কেইন। তাঁর মতে, শেষ কয়েক মিনিটে রক্ষণভাগের মনোযোগ হারানোই ইংল্যান্ডের সর্বনাশ ডেকে আনে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে আর্জেন্টিনা ম্যাচ নিজেদের করে নেয় এবং আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে।


