আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) আগস্ট মাসের সেরা খেলোয়াড় (প্লেয়ার অব দ্য মান্থ) নির্বাচনের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করেছে। পুরুষদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের গতি তারকা হাসান মাহমুদ, শ্রীলঙ্কার ব্যাটার সোনাল দিনুশা এবং ইংল্যান্ডের পেসার ওলি রবিনসন। অন্যদিকে, নারীদের তালিকায় মনোনীত হয়েছেন থাইল্যান্ডের সুলেপোরন লাওমি ও নান্নাপাত কঞ্চারোইনকাই এবং আইল অব ম্যান-এর লুসি বার্নেট।
পুরুষদের মনোনয়ন
হাসান মাহমুদ (বাংলাদেশ): ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ৯ উইকেটের টেস্ট জয়ে ম্যাচসেরা হন হাসান মাহমুদ। ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে ৬ উইকেট এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। সিরিজে মোট ৯টি উইকেট নিয়ে আইসিসি টেস্ট বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে ২৬ ধাপ এগিয়ে ৩৮ নম্বরে উঠে এসেছেন এই পেসার।
সোনাল দিনুশা (শ্রীলঙ্কা): ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আলো কেড়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটার। প্রথম টেস্টে ১০০ ও ৮৪ রানের পর কলম্বোয় দ্বিতীয় টেস্টে ফলো-অনে পড়েও ১০৩ ও অপরাজিত ১৩৩ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ ড্র করান। টেস্ট ইতিহাসে ফলো-অনে পড়ে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করা মাত্র তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে রেকর্ড গড়েন তিনি।
ওলি রবিনসন (ইংল্যান্ড): পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে বল হাতে তাণ্ডব চালিয়েছেন এই ইংলিশ পেসার। প্রথম দুই টেস্টেই ম্যাচ সেরা হয়ে ইংল্যান্ডকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। দুই ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়ে র্যাঙ্কিংয়ে ৫ নম্বর স্থানে উঠে এসেছেন তিনি।
নারীদের মনোনয়ন
সুলেপোরন লাওমি (থাইল্যান্ড): লেগ-স্পিনার লাওমি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি-দুই ফরম্যাটেই দারুণ বোলিং করেছেন। পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ে ৩/২৭ বোলিং সহ মোট ৪ উইকেট নেন। এরপর নারী এশিয়া কাপে ভারতের বিরুদ্ধে ২৬ রানে ৩ উইকেট শিকার করে টুর্নামেন্ট শুরু করেন।
নান্নাপাত কঞ্চারোইনকাই (থাইল্যান্ড): পাপুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক ছিলেন কঞ্চারোইনকাই। ওয়ানডে সিরিজেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ওয়ানডেতে ১২১ রান এবং চার টি-টোয়েন্টিতে ১৪৪ রান সংগ্রহ করেন এই ব্যাটার।
লুসি বার্নেট (আইল অব ম্যান): আইল অব ম্যান-এর প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসির এই সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন অধিনায়ক লুসি বার্নেট। রুমানিয়ায় অনুষ্ঠিত কন্টিনেন্টাল কাপে ৪টি টি-টোয়েন্টিতে ১২৮.৫ গড় ও ১৭৮.৪৭ স্ট্রাইক রেটে ২৫৭ রান করেন, যার মধ্যে নরওয়ের বিপক্ষে ৬৪ বলে ১২৩* রানের ইনিংস রয়েছে। পাশাপাশি অফ-স্পিন করে ৪টি উইকেটও নেন তিনি।





