এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। এখন সিরিজ বাঁচানোর সুযোগ নেই। এবার হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানোর চ্যালেঞ্জ। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে আজ (শনিবার) বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে টাইগাররা।
প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় টানা দুই হার দেখেছে বাংলাদেশ। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। এখন শেষ ম্যাচে জয়ের লক্ষ্য শুধু সান্ত্বনার নয়, ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোরও।
শেষ ম্যাচের আগে দলে এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। প্রথম ওয়ানডেতে চোট পাওয়া পেসার মোস্তাফিজুর রহমান সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে গ্রেড–ওয়ান মাসল টিয়ার ধরা পড়ায় প্রায় চার সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে। তার পরিবর্তে পাঁচ বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরেছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
নতুন বলে এবং শেষের ওভারে তার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে বাড়তি শক্তি যোগ করতে পারে। ব্যাটিং বিভাগে অবশ্য আরও দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ রয়েছে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তানজিদ হাসান ও তাওহীদ হৃদয় দারুণ শুরু করলেও কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। সেই ভুল শুধরে বড় জুটি গড়তে পারলেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ দাঁড় করানো সম্ভব বলে বিশ্বাস টিম ম্যানেজমেন্টের।
অন্যদিকে টানা দুই জয় পাওয়া জিম্বাবুয়ে রয়েছে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। নিজেদের কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে ব্যাটিং ও বোলিং-দুই বিভাগেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে স্বাগতিকরা। তাই শেষ ম্যাচেও জয়ের ধারা ধরে রেখে ২৫ বছর পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য তাদের।
হারারের পেস ও বাউন্স সহায়ক উইকেটে টস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটিয়ে দলীয় পারফরম্যান্স উপহার দেওয়া।


