গোল না করেও নায়ক হ্যারি কেইন

বুন্দেসলিগায় জয়ের ধারায় ফিরেছে বায়ার্ন মিউনিখ। হ্যারি কেইনের জোড়া অ্যাসিস্টে মেইঞ্জকে তাদের মাঠে ২-১ গোলে হারিয়েছে জার্মান জায়ান্টরা। বায়ার্নের হয়ে গোল করেছেন জশুয়া কিমিখ ও লেনার্ট কার্ল।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ফিলিপ টিটজের গোলে ব্যবধান কমালেও হার এড়াতে পারেনি মেইঞ্জ। এই জয়ে চলতি মৌসুমে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ধরে রাখার পাশাপাশি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ পাঁচ ম্যাচে চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে বায়ার্ন।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে সফরকারীরা। বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকা বায়ার্নের সামনে খুব বেশি প্রতিরোধ গড়তে পারেনি মেইঞ্জ। ম্যাচের ১৪ মিনিটেই এগিয়ে যায় ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। বক্সের বাইরে বল পেয়ে হ্যারি কেইন সেটি বাড়িয়ে দেন জশুয়া কিমিখকে। জার্মান মিডফিল্ডারও সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর জোরালো শট সরাসরি জালে জড়ায়। চলতি মৌসুমে এটিই কিমিখের প্রথম গোল।

গোল না করেও নায়ক হ্যারি কেইন
ম্যাচ শেষে বায়ার্ন মিউনিখের খেলোয়াড়রা

গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা করে মেইঞ্জ। তবে বায়ার্নের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ও রক্ষণভাগের সামনে বারবার বাধা পেতে হয় স্বাগতিকদের। নাথানিয়েল ব্রাউনের শট এবং দায়ো উপামেকানোর হেড ঠেকিয়ে দেন মেইঞ্জের গোলরক্ষক রবিন জেন্টনার।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল মেইঞ্জ। লি জে-সাংয়ের হেড থেকে বল জালে প্রবেশ করলেও দীর্ঘ সময় ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে গোল বাতিল করা হয়। ওই ঘটনার পর চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয় বায়ার্নের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে। বায়ার্নের হয়ে নিজের ৫৫০তম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন তিনি। তাঁর পরিবর্তে গোলবারের দায়িত্ব নেন ইয়োনাস উরবিগ।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে বায়ার্ন। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সফরকারীরা। কেইনের নেওয়া শট প্রতিপক্ষের রক্ষণে আটকে গেলে ফিরতি বল নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। এরপর দারুণ বুদ্ধিমত্তায় সতীর্থ লেনার্ট কার্লকে পাস বাড়ান। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জেন্টনারকে পরাস্ত করেন তরুণ এই ফুটবলার। বায়ার্নের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি এনে দেওয়ার পাশাপাশি ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় অ্যাসিস্টও পূর্ণ করেন কেইন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ফিলিপ টিটজের হেড থেকে একটি গোল শোধ করে মেইঞ্জ। ইয়োনাস উরবিগকে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-১ করেন তিনি। তবে ততক্ষণে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বায়ার্নের হাতেই ছিল। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে জার্মানির সফলতম ক্লাবটি।

spot_imgspot_img
spot_img

Related Articles