১২ শটের প্রথমার্ধ, একের পর এক আক্রমণ; অবশেষে ৬৯ মিনিটে মিলল কাঙ্ক্ষিত গোল। শেষ পর্যন্ত ইব্রাহিমের এক গোলেই পাওয়া জয়ে ‘এ’ গ্রুপে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিল বাংলাদেশ।
জয়ের জন্য মরিয়া বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হলো ৬৯ মিনিট পর্যন্ত। একের পর এক আক্রমণ, গোলের একাধিক সুযোগ তৈরি করেও ভুটানের রক্ষণভাগ ভাঙতে পারছিল না লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। শেষ পর্যন্ত বদলি হিসেবে মাঠে নামা মোহাম্মদ ইব্রাহিমের একমাত্র গোলেই মিলল স্বস্তির জয়। ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ‘এ’ গ্রুপে সেমিফাইনালে ওঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বাংলাদেশ। বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে ভুটানের রক্ষণে একের পর এক চাপ সৃষ্টি করেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। বিশেষ করে দুই উইং ব্যবহার করে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো। বারবার ক্রস থেকে গোলের সুযোগ তৈরির চেষ্টা করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা মিলছিল না।
প্রথমার্ধেই বাংলাদেশের আক্রমণের চিত্র ছিল স্পষ্ট। প্রতিপক্ষের গোলমুখে মোট ১২টি শট নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু একের পর এক চেষ্টা করেও ভুটানের জালে বল পাঠানো সম্ভব হয়নি। ফলে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যেতে হয় দুই দলকে।
দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের জন্য চেষ্টা অব্যাহত রাখে বাংলাদেশ। তবে ভুটানের জমাট রক্ষণ ভাঙতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত বদলি হিসেবে নামা মোহাম্মদ ইব্রাহিমই এনে দেন কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে ক্রস থেকে পাওয়া বলে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন তিনি।
গোল পাওয়ার পর ম্যাচে স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশের শিবিরে। অন্যদিকে সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের রক্ষণে ফাটল ধরাতে পারেনি ভুটান। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে ১-০ গোলের জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
এই জয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করল বাংলাদেশ। তিন দলের গ্রুপে প্রথম ম্যাচ জিতেই তিন পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে লাল-সবুজের দল। অন্যদিকে ভুটানের পয়েন্ট এখনো শূন্য। গ্রুপের অপর দল শ্রীলঙ্কা এখনো মাঠে নামেনি।
প্রতি দলের দু’টি করে ম্যাচ শেষে নির্ধারিত হবে সেমিফাইনালে ওঠা দুই দল। তাই ভুটানের বিপক্ষে এই জয় বাংলাদেশের জন্য শুধু তিন পয়েন্টই নয়, পরবর্তী ম্যাচের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাসেরও উপলক্ষ।


