৮ কোটি টাকা ক্ষতি করেও বাংলাদেশ সিরিজ খেলবে অজিরা। বাংলাদেশ সিরিজের জন্য ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলবে না অজি ক্রিকেটাররা। অবশ্য অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অধিনায়ক প্যাট কমিন্স সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও বিশ্বব্যাপী ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের মধ্যে ক্রমবর্ধমান চাপ নিয়ে সতর্ক করেছেন।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে খেলোয়াড়দের জন্য এই দুইটির মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা আরও কঠিন হতে পারে, যদিও নিজে সব ফরম্যাটে খেলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার পাশাপাশি কামিন্স এটাও জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ডের লিগ দ্য হান্ড্রেডে নাম দেয়নি।
তবে কমিন্সের বেশকিছু জাতীয় দলের সতীর্থ ইতিমধ্যেই ওয়ানডে থেকে সরে এসেছেন। মিচেল স্টার্ক টি-টোয়েন্টি থেকে বিরতি নিয়েছেন। কিন্তু কমিন্স এখনও তিনটি ফরম্যাটে খেলার পরিকল্পনা করছেন, যদিও তা পর্যাপ্ত বিশ্রামের মাধ্যমে সম্ভব হচ্ছে।
এদিকে কমিন্সের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে অংশগ্রহণও বাড়ছে। তিনি ইতিমধ্যেই মেজর লিগ ক্রিকেটের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেছেন এবং ইংল্যান্ডের হান্ড্রেড টুর্নামেন্টেও খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে, জাতীয় দলে খেলতে আগ্রহ থাকা এবং বিশ্বব্যাপী ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের অর্থনৈতিক প্রলোভনের মধ্যে ভারসাম্য ভবিষ্যতে সবসময় বজায় থাকবে না।
বিজনেস অব স্পোর্ট পডকাস্টে কামিন্স বলেন, অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ও ওয়ানডে দলের অধিনায়ক বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়রা দেশের হয়ে খেলার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু ধরে নেয়া ঠিক হবে না যে এই মনোভাব চিরকাল থাকবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ভবিষ্যত এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের মধ্যে ভারসাম্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।’
এছাড়া কামিন্স বলেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য ইংল্যান্ডের লিগ দ্য হান্ড্রেডে নাম দেয়নি অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা। তিনি বলেন, ‘আমাদের কয়েকজন খেলোয়াড় বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলার জন্য ২০ দিনের বিনিময়ে দ্য হান্ড্রেডের পাঁচ লক্ষ পাউন্ডের (৮ কোটি টাকারও বেশি) প্রস্তাব ফিরিয়ে দিচ্ছে। আমার মনে হয়, এটি একটি উত্তেজনার বিষয়।
এ মুহূর্তে আমাদের খেলোয়াড়রা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার জন্য এতটাই আগ্রহী যে তারা এই প্রস্তাবটি ছেড়ে দিতেও রাজি। কিন্তু আমি মনে করি না যে আমরা এটা মেনে নিতে পারি যে পরিস্থিতি চিরকাল এমনই থাকবে।‘
এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখনও সব ফরম্যাট খেলতে আগ্রহী। আশা করি আগামী তিন–চার–পাঁচ বছর এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারব এবং টেস্ট ক্রিকেট ত্যাগ করতে হবে না।’
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩


















