ব্রিটিশ হাইকমিশনের সংবর্ধনায় উজ্জীবিত বাংলাদেশ নারী দল । যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে অংশ নিতে দেশ ছাড়ার আগে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাই কমিশন। আগামী সপ্তাহের রবিবার অর্থাৎ ২৪ মে রাতে ইংল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে আজ সন্ধ্যায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নারী ক্রিকেটারদের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, বিসিবি পরিচালক ও সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাইমা রহমানও।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ক্রিকেট বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্য, দুই দেশেই অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। তার মতে, এই খেলা দুই দেশের মানুষের মধ্যে আরও সংযোগ তৈরি করে। বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে আমন্ত্রণ জানাতে পেরে তিনি আনন্দিত বলেও জানান। সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলায় বাংলাদেশ দলের প্রতি সমর্থন আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের গ্রুপে নেই। এ প্রসঙ্গে হাইকমিশনারের মন্তব্যে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে স্বস্তি ও হাস্যরসের পরিবেশ তৈরি হয়। পরে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নারী উইংয়ের প্রধান রাশনা ইমাম ব্রিটিশ হাই কমিশনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটাররা বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিয়েছেন। তাদের লড়াইয়ের গল্প সমাজের নারীদের জন্যও বড় অনুপ্রেরণা।
অনুষ্ঠানে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি বাংলাদেশ নারী দলের জার্সির একটি স্মারক তুলে দেন হাইকমিশনারের হাতে। বিসিবির পরিচালক সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদও আরেকটি স্মারক প্রদান করেন। এরপর হাইকমিশনার ও জাইমা রহমান ক্রিকেটারদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। এ সময় জাইমা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবেও কথা বলেন।
অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি জানান, তার সঙ্গে আগেও আলাপ হয়েছিল, আজও হয়েছে। তিনি দলের সুযোগ-সুবিধা ও প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন এবং বিশ্বকাপের জন্য শুভকামনাও জানিয়েছেন। একজন ক্রিকেটারের বাড়ি বগুড়ায় হওয়ায় জাইমা রহমান বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের সংস্কার নিয়েও কথা বলেন বলে জানান জ্যোতি।
হাইকমিশনের এমন আয়োজনকে বিশ্বকাপ সফরের আগে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন নারী দলের অধিনায়ক। তিনি বলেন, যে দেশে খেলতে যাওয়া হচ্ছে, সেই দেশের দূতাবাস থেকে এমন সংবর্ধনা পাওয়া সত্যিই উৎসাহের। দলটি বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা ক্রিকেট উপহার দিতে চায় বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশের পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা মারুফা আক্তারকে নিয়েও আশাবাদী জ্যোতি। তার মতে, ইংল্যান্ডের কন্ডিশন পেস সহায়ক হবে, আর মারুফার গতি অন্য দলগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















