এক ম্যাচ হারলেই ছিটকে পড়তে হবে, এমন পরিস্থিতিতে টানা দুটি জয় পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। বুধবার মুম্বাইকে হারিয়ে কলকাতার প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে। ইডেন গার্ডেনসে হওয়া ম্যাচে কলকাতা জিতেছে চার উইকেটে।
এদিন মুম্বাইকে হারিয়ে কলকাতার ১৩ ম্যাচে পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১৩। টস জিতে আগে মুম্বাইকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় কলকাতা। প্রথম থেকেই চাপে ছিল সফরকারী ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেটও হারিয়েছে তারা।
পাওয়ার প্লে’র মধ্যেই চারটি উইকেট হারিয়ে ফেলে মুম্বাই মাত্র ৪১ রানে। এরপর ৪৩ রানের একটি জুটি হয় তিলক ভার্মা ও হার্দিক পান্ডিয়ার মধ্যে। ৩২ বলে একটি ছক্কায় ২০ রানের একটি শ্লথগতির ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন তিলক।
হার্দিকও রান তোলার গতি বাড়াতে পারেননি। তিনিও ১৬তম ওভারে যখন আউট হন, তখনও শতরান হয়নি মুম্বাইয়ের। হার্দিক ২৭ বলে দুটি চার, একটি ছক্কায় ২৬ রান করেন।
পরের দিকে করবিন বশ ঝড়ো ব্যাটিং করে মুম্বাইয়ের রানকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গেছেন। ২০ ওভারে আট উইকেটে ১৪৭ রান করে তারা। বশ মাত্র ১৮ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় অপরাজিত ৩২ রান করেন।

কলকাতার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন সৌরভ দুবে, ক্যামেরন গ্রিন ও কার্তিক ত্যাগি। লক্ষ্যটা তেমন বড় না হলেও কলকাতাও সেটি সহজে ছুঁতে পারেনি। যদিও ১০ রানে প্রথম উইকেটের পতন হয়, তবে ৩৮ রানের জুটি গড়েন আজিঙ্কা রাহানে ও মনিষ পাণ্ডে।
রাহানে ১৭ বলে চারটি বাউন্ডারিতে ২১ রান করে আউট হন এবং কিছুক্ষণ পরেই ক্যামেরন গ্রিন (৪) সাজঘরে ফেরেন। একাই লড়াই চালিয়ে যাওয়া মনিষ ৬৪ রানের জুটি গড়েন। তাঁর সঙ্গে থাকা রোভম্যান পাওয়েলও রান তোলার গতি বাড়াতে পারেননি। এই ক্যারিবিয়ান ৩০ বলে চারটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪০ রানের ইনিংসটি খেলেন।
আর ওপেনিংয়ে নামা মনিষ ৩৩ বলে ৬টি চারে ৪৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৮.৫ ওভারে আট উইকেটে ১৪৮ রান করতে পেরেছে তারা। করবিন বশ তিন ওভারে ৩০ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
মুম্বাই- ১৪৭/৮; ২০ ওভার (বশ ৩২*, হার্দিক ২৬, তিলক ২০; গ্রিন ২/২৩, সৌরভ ২/৩৪, ত্যাগি ২/৩৭)।
কলকাতা- ১৪৮/৬; ২০ ওভার (মনিষ ৪৫, রোভম্যান ৪০, রাহানে ২১; বশ ৩/৩০, গজানফর ১/২৫ ও জাসপ্রিত বুমরাহ ১/২৬)।
ফল : কলকাতা নাইট রাইডার্স ৪ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : মনিষ পান্ডে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















