রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হারের পর ঘুরে দাঁড়াতে বেশি সময় নিল না বার্সেলোনা। স্প্যানিশ লা লিগায় ন্যু ক্যাম্পে আলাভেসকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আবারও নিজেদের আক্রমণাত্মক ফুটবলের ঝলক দেখিয়েছে হান্সি ফ্লিকের দল। জোড়া গোল করেছেন রাফিনিয়া ও লামিনে ইয়ামাল। একটি করে গোল করেছেন ফেরমিন লোপেজ ও বদলি হিসেবে নামা ইংল্যান্ডের অ্যান্থনি গর্ডন। আলাভেসের হয়ে গোল করেন মারিয়ানো দিয়াজ।
এর আগে নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল বার্সেলোনা। চলতি মৌসুমে সেটিই ছিল তাদের প্রথম পয়েন্ট হারানোর ঘটনা।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ফেরমিন লোপেজের দুর্দান্ত এক আক্রমণের পর পাওয়া বল থেকে সহজেই গোল করেন রাফিনিয়া। শুরুতেই এগিয়ে গিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় স্বাগতিকেরা। এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লোপেজ নিজেই। ইয়ামালের কাছ থেকে বল পেয়ে ডান দিক দিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর কঠিন কোণ থেকে জোরালো শটে গোল করেন স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডার।
রাফিনিয়ার দ্বিতীয় গোল
এরপর ইয়ামালের একটি শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন আলাভেস গোলরক্ষক আন্তোনিও সিভেরা। তবে বার্সেলোনার আক্রমণ থামানো সম্ভব হয়নি। মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দারুণ এক পাসে রাফিনিয়াকে গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন লোপেজ। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড বল কিছুটা এগিয়ে নিয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন।

বিরতির আগে আবার গোল
বিরতির ঠিক আগে আবারও গোল করে বার্সেলোনা। একের পর এক পাসে আলাভেসের রক্ষণকে ব্যস্ত রাখার পর ইয়ামালের দিকে বল বাড়িয়ে দেন সতীর্থরা। প্রথম স্পর্শেই জোরালো শটে গোল করেন স্প্যানিশ তরুণ। ফলে প্রথমার্ধেই ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের ব্যবধান বাড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠার প্রয়োজন ছিল না স্বাগতিকদের। তবে আক্রমণের ধার কমেনি। ম্যাচের এক ঘণ্টা পেরোনোর পর বদলি হিসেবে নামেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত স্পর্শ থেকে গোলের সুযোগ পান ইয়ামাল। প্রথমে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হলেও ভিডিও পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত বদলে যায়। ফলে নিজের দ্বিতীয় গোলের পাশাপাশি দলের পঞ্চম গোলটিও পেয়ে যান ইয়ামাল।
এরপর বদলি হিসেবে নামা গর্ডনও গোলের দেখা পান। তাঁর গোলে বার্সেলোনার ব্যবধান দাঁড়ায় ৬-০। তবে শেষ কথা বলে আলাভেস। যোগ করা সময়ে মারিয়ানো দিয়াজ বার্সেলোনার রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে গোল করেন। ফলে ৬-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।




