ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একই পরিবারের ৯ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সদস্যের পাশে দাঁড়িয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্যারা স্পোর্টস কার্নিভালে নিজস্ব বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে গান গেয়ে মুগ্ধ করা এই পরিবারটিকে ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন তিনি।
আজ মিরপুরে প্রতিমন্ত্রীর নিজস্ব রাজনৈতিক কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সহায়তার অর্থ হস্তান্তর করা হয়। প্যারা স্পোর্টস কার্নিভালে এই বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিল্পীদের প্রতিভা দেখে মুগ্ধ হয়ে প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আজ তারই বাস্তবায়ন ঘটল।

সহায়তা প্রদান শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের বাদ্যযন্ত্র দিয়ে গান গেয়ে কষ্ট করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। দেশের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এবং প্রতিবন্ধী মানুষদের নিয়ে গণমাধ্যমসহ যারা মানবিক দিক থেকে কাজ করছেন, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী মনে করেন, এই ধরনের অসহায় ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমাজের সবার নৈতিক দায়িত্ব। প্রতিমন্ত্রী সমাজ ও রাষ্ট্রের সব দায়িত্বশীল ও সামর্থ্যবান মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে এই মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান, যাতে সমাজের বড় বড় সমস্যাগুলো অনায়াসেই সমাধান হয়ে যায়।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ন্যাশনাল প্যারালিম্পিক কমিটি ইতিমধ্যে নতুন ফেডারেশন গঠনের মাধ্যমে সারা দেশের ৬৪টি জেলায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য নতুন পরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে বাবা-মা যেন আর কোনো হতাশা বা লজ্জায় না ভোগেন, বরং তারা যেন সুস্থ সাধারণ মানুষের মতো স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারেন, সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করছে।
আগামী জুনের পর থেকেই দেশের সবকটি জেলায় প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণে দেশব্যাপী বড় পরিসরে ক্রীড়া অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
অর্থ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল প্যারালিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম এবং মহাসচিব ডক্টর মারুফ আহমেদ মৃদুল।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















