প্রথমার্ধ শেষ করলো ব্রাজিল ! ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই মাঠের দখল নিজেদের করে নিয়েছিল কার্লো আনচেলত্তির দল। প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। স্ট্রাইকার ম্যাথিউস কুনিয়ার জোড়া গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের অসাধারণ উইং প্লে-র সামনে দাঁড়াতেই পারেনি হাইতির রক্ষণভাগ।
ম্যাচ শুরুর আগে ব্রাজিলের আক্রমণ ঠেকাতে প্রথাগত চার ডিফেন্ডারের বদলে পাঁচ ডিফেন্ডার নিয়ে দল সাজিয়েছিলেন হাইতির কোচ সেবাস্তিয়ান মিগনে। প্রথম ২০ মিনিট তাঁর এই কৌশল কাজ করলেও ২৩ মিনিটের মাথায় তা চুরমার হয়ে যায়। বাঁ প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে বল ড্রিবলিং করে হাইতির বক্সে ঢুকে পড়েন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তাঁর বাড়িয়ে দেওয়া বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে হাইতি ডিফেন্ডার ডেলক্রোইস উল্টো ঠেলে দেন ম্যাথিউস কুনিয়ার দিকে। সুযোগ হাতছাড়া না করে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান কুনিয়া (১-০)।
প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ব্রাজিলের গোল উৎসব! ম্যাচের প্রায় ৩৬ মিনিটের মাথায় ঠিক আগের গোলের পুনরাবৃত্তি ঘটালেন ভিনিসিয়াস ও কুনিয়া। এবারও ভিনিসিয়াসের জাদুকরী পাস থেকে হাইতির গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে দলের এবং নিজের ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি করেন ম্যাথিউস কুনিয়া (২-০)।
রাফিনহার চোট ও ব্রাজিলের তৃতীয় গোল
সবকিছু ঠিকঠাক চললেও প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক ৫ মিনিট আগে বড় ধাক্কা খায় ব্রাজিল। ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন বার্সেলোনা তারকা রাফিনহা। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় তরুণ তুর্কি রায়ানিকে।
তবে এই ধাক্কা ব্রাজিলের গোলক্ষুধায় কোনো প্রভাব ফেলেনি। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে হাইতির রক্ষণ ভাগের ভুলে আরও একটি গোল আদায় করে নেয় সেলেসাওরা, যার ফলে ৩-০ ব্যবধানের বিশাল লিড নিয়ে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
প্রথমার্ধের চিত্র
পুরো প্রথমার্ধে হাইতি কেবল রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল। ম্যাচের শুরুতেই (৪ মিনিটে) হলুদ কার্ড দেখা কার্লেন্স আরকুস পুরোটা সময় ভিনিসিয়াসের গতি সামলাতে হিমশিম খেয়েছেন। বিরতির পর হাইতি ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করবে নাকি ব্রাজিলের এই গোলবন্যা আটকানোর দিকেই বেশি মনোযোগ দেবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩














