গ্রুপ পর্বের ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ড বা নকআউট পর্বের টিকিট কাটার পথে বিশাল এক ধাপ এগিয়ে গেল কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিল। ফিলাডেলফিয়ার মাঠে প্রথমার্ধের বিধ্বংসী রূপ ধরে রেখেই পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়েছে সেলেসাওরা। এই জয়ের সুবাদে মরক্কোকে টপকে গ্রুপ ‘সি’-এর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানও দখল করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
প্রথমার্ধেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ
ম্যাচের শুরু থেকেই হাইতির রক্ষণভাগকে চেপে ধরে ব্রাজিল। আক্রমণভাগের দুই তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং ম্যাথিউস কুনিয়ার জুটিতে তছনছ হয়ে যায় হাইতির রক্ষণভাগ।
- ২৩ মিনিট: ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত ড্রিবলিং ও পাস থেকে নিখুঁত শটে গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে নেন ম্যাথিউস কুনিয়া (১-০)।
- ৩০ মিনিট: ঠিক একই কম্বিনেশনে আবারও গোল! এবারও ভিনিসিয়ুসের জাদুকরী অ্যাসিস্ট থেকে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন কুনিয়া (২-০)।
- ৪৫+ মিনিট: প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে হাইতির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র নিজেই। তাঁর অসাধারণ গোলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় দল।
রাফিনহার চোট ও দ্বিতীয় গোলখরা
ব্রাজিলের এই দাপুটে জয়ের মাঝে একমাত্র অস্বস্তি ছিল বার্সেলোনা উইঙ্গার রাফিনহার চোট। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ৫ মিনিট আগে ইনজুরিতে পড়ে তিনি মাঠ ছাড়লে তরুণ তুর্কি রায়ানিকে মাঠে নামানো হয়।
বিরতির পর হাইতির কোচ সেবাস্তিয়ান মিগনে কৌশল পরিবর্তন করে ৫ ডিফেন্ডারের বদলে ৪ ডিফেন্ডার নিয়ে খেলতে নামেন। এই পরিবর্তনের পর হাইতি প্রথমার্ধের তুলনায় কিছুটা গোছানো ফুটবল খেলে এবং ব্রাজিলের আক্রমণ রুখে দিতে সক্ষম হয়। ম্যাচের শেষার্ধে আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।
টেবিলের শীর্ষে সেলেসাওরা
হাইতির বিপক্ষে এই জয়ে গ্রুপ ‘সি’-তে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে চলে গেছে ব্রাজিল। ২ ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্সের পর এখন তাদের পরবর্তী লক্ষ্য নকআউট পর্বে নিজেদের স্থানটি গাণিতিকভাবেও নিশ্চিত করা। ব্রাজিলের ফুটবলারদের বর্তমান ফর্ম ভক্তদের মনে আরও একবার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বুনে দিচ্ছে।
