শেষ মুহুর্তের গোল – বসনিয়ার বিপক্ষে পরাজয় এড়ালো কানাডা

বসনিয়ার বিপক্ষে পরাজয় এড়ালো কানাডা

টরন্টো স্টেডিয়ামে কানাডা এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মধ্যকার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর 'গ্রুপ বি'র ম্যাচ চলাকালীন দুর্দান্ত এক হেডে দলকে এগিয়ে দেন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার জোভো লুকিচ। গেটি ইমেজেস

জোভো লুকিচের গোলে ম্যাচের ২১ মিনিটে লিড নিয়েছিলো বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে ফরোয়ার্ড কাইল লারিনের গোলে সমতায় ফেরে কানাডা। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে দু’দল।

টরন্টো স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হওয়ার আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিলো। জাঁকজমকপূর্ণ এবং অর্থবহ এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনকে বরণ করে নেয় কানাডা।

মাঠের লড়াই শুরুর আগে টরন্টোর গ্যালারি মেতে উঠেছিল এক মনকাড়া সাংস্কৃতিক উৎসবে।

আদিবাসী সংস্কৃতির প্রতি অনন্য সম্মান

কানাডার এই ঐতিহাসিক ক্ষণের সূচনা হয় দেশটির মাটির আদি বাসিন্দাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই তুলে ধরা হয় কানাডার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। আদিবাসী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় কানাডীয় সংগীতশিল্পী উইলিয়াম প্রিন্স তার সুরের জাদুতে মাতিয়ে রাখেন পুরো স্টেডিয়াম। ঐতিহ্যবাহী গান ও নাচের এই যুগলবন্দী উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।

নোরা ফাতেহি ও সঞ্জয়ের পারফরম্যান্সে দর্শকদের উন্মাদনা

ঐতিহ্যের পর উদ্বোধনী মঞ্চে লাগে আধুনিকতার ছোঁয়া। ড্রামের তুমুল আর আকর্ষণীয় বিটের সাথে মাঠ মাতাতে আসেন বলিউড সেনসেশন নোরা ফাতেহি। তার সাথে যোগ দেন ফ্রেঞ্চ হিপ হপ তারকা ভেগেড্রিম এবং বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয়।

গ্যালারিতে উপস্থিত হাজারো দর্শক তাদের এই যৌথ ও ছন্দময় পরিবেশনা দারুণভাবে উপভোগ করেন। আধুনিক পপ ও হিপ হপের এই ধামাকা মুহূর্তের মধ্যেই স্টেডিয়ামের আবহ বদলে দেয় এবং দর্শকদের মাঝে এক অভূতপূর্ব উন্মাদনার সৃষ্টি করে।

ঐতিহ্যবাহী লোকজ সংস্কৃতি আর আধুনিক বিশ্বসংগীতের এই নিখুঁত সমীকরণ কানাডার বিশ্বকাপ অভিযাত্রার শুরুটাকে সত্যিই স্মরণীয় করে রাখলো।

Exit mobile version