জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে শুরুটা ছিল দুই ওপেনারের। মাঝখানে ছিল হঠাৎ ব্যাটিং ধস, আর শেষটা মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। সব মিলিয়ে ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ।
শুক্রবার বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই সাবলীল ব্যাটিং করেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। উইকেটের চারপাশে শট খেলে নিয়মিত রান তুলতে থাকেন দুজন। তাদের দৃঢ় উদ্বোধনী জুটিতে পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৪ রান তোলে বাংলাদেশ।
পাওয়ারপ্লের পরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং অব্যাহত রাখেন দুই ওপেনার। তানজিদ ছিলেন তুলনামূলক বেশি আগ্রাসী, আর সাইফ খেলেন নিয়ন্ত্রিত ইনিংস। দুজনই ব্যক্তিগত ফিফটি পূর্ণ করেন, পাশাপাশি ওপেনিং জুটিতে যোগ করেন ১২০ রান।
তবে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কেউই। ৪৫ বলে ৫৫ রান করে প্রথমে আউট হন সাইফ। তার ইনিংসে ছিল কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন বাউন্ডারি। পরের ওভারেই বিদায় নেন তানজিদ। ৪৪ বলে ৫৮ রান করা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের ইনিংসও বাংলাদেশকে শক্ত ভিত এনে দেয়।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পরই ছন্দ হারায় বাংলাদেশের ব্যাটিং। ১২০ রান থেকে ১৪১ রানে পৌঁছাতে আরও ৫ উইকেট হারায় দল। অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় ৬, পারভেজ হোসেন ইমন ১ এবং নুরুল হাসান সোহান ৪ রান করে ফিরলে বড় ধাক্কা খায় সফরকারীরা।
শেষ দিকে ইনিংস সামাল দেন ইয়াসির আলি চৌধুরী ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ইয়াসির ১২ বলে অপরাজিত ২২ রান করেন। আর শেষ ওভারে ব্যাটিংয়ের ঝড় তোলেন সাইফউদ্দিন। চারটি ছক্কায় ওই ওভার থেকেই আসে ২৮ রান। মাত্র ১০ বলে ৩১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৮৬ রানে নিয়ে যান এই অলরাউন্ডার।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স দুটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট শিকার করেন সিকান্দার রাজা। ১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ম্যাচে ফিরতে এখন শক্ত ব্যাটিং প্রদর্শনই প্রয়োজন স্বাগতিকদের।


