লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) জাফনা কিংসের জার্সিতে অভিষেকটা দারুণভাবেই রাঙালেন তাওহীদ হৃদয়। তার আগমনের ম্যাচেই জয়ের পথে ফিরেছে জাফনা। ক্যান্ডি রয়্যালসকে ৯৩ রানের বড় ব্যবধানে হারানো ম্যাচে ব্যাট হাতে কার্যকর ইনিংস খেলেছেন হৃদয়, আর বল হাতে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন সাকিব আল হাসান।
ডাম্বুলায় টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন জাফনা অধিনায়ক ভানুকা রাজাপক্ষে। একাদশে সুযোগ পান দুই বাংলাদেশি সাকিব ও হৃদয়। তবে ব্যাট করতে নামতে হৃদয়কে অপেক্ষা করতে হয়েছে অনেকক্ষণ। উদ্বোধনী জুটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে শক্ত ভিত গড়ে দেন অভিষকা ফার্নান্দো ও কামিল মিশারা।
১২.৫ ওভারে ১২৯ রান যোগ করে এই জুটি। ৩৬ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় ৬৬ রান করে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ফেরেন অভিষকা। এরপর ক্রিজে এসে মিশারার সঙ্গে ৩১ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। ৫৩ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৮ রান করে বিদায় নেন মিশারা।
ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন হৃদয়। মাঝের ওভারগুলোতে ক্যান্ডির নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান তোলার গতি কিছুটা কমে গেলেও শেষ দিকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলের সংগ্রহ বড় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ২১ বলে ২টি চার ও একটি ছক্কায় অপরাজিত ৩৫ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। শেষ ওভারে তার ব্যাট থেকেই আসে ১৯ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯৯ রান তোলে জাফনা।
২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ক্যান্ডি রয়্যালস। দ্বিতীয় ওভারেই আক্রমণে আসেন সাকিব আল হাসান। শুরু থেকেই কৃপণ বোলিং করেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। ইনিংসের ১৩তম ওভারে তিনি ফিরিয়ে দেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মঈন আলীকে।
সাকিব ৩ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। চতুর্থ ওভার করার আগেই অলআউট হয়ে যায় ক্যান্ডি। মাত্র ১০৬ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস।
৯৩ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাফনা কিংস। পাঁচ ম্যাচ শেষে এটি দলটির তৃতীয় জয়। আর জাফনার জার্সিতে প্রথম ম্যাচেই ব্যাট হাতে হৃদয় এবং বল হাতে সাকিবের অবদান দলটির জন্য হয়ে উঠেছে বড় প্রাপ্তি।


