উন্নত চিকিৎসা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশের দুই পেসার নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিকল্পনা অনুযায়ী, চিকিৎসা শেষে তাসকিন অস্ট্রেলিয়াতেই থেকে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। মঙ্গলবার রাতেই উড়াল দেন দুই পেসার।
আগামী ৩১ জুলাই অস্ট্রেলিয়া সফরের উদ্দেশে রওনা দেবে বাংলাদেশ দল। অন্যদিকে চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়া নাহিদ রানা চিকিৎসা ও মূল্যায়ন শেষে দেশে ফিরে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করবেন। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার নাফিস জানিয়েছেন, রানার এই সফরের মূল উদ্দেশ্য কেবল সাম্প্রতিক সাইড স্ট্রেইনের চিকিৎসা নয়।
দীর্ঘদিন ধরে ভোগানো পায়ের হাড়ের (শিনবোন) সমস্যার বিস্তারিত মূল্যায়ন ও করণীয় নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন তিনি। শাহরিয়ার বলেন, সাইড স্ট্রেইনের চোট সময়ের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই সেরে উঠবে। তবে দীর্ঘদিনের শিনবোনের সমস্যাটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের জন্যই রানাকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হচ্ছে। তিনি আরও জানান, এটি হঠাৎ নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
বিসিবির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই পেসারদের শারীরিক অবস্থা ও সম্ভাব্য সমস্যাগুলো নিয়মিত মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হিসেবেই রানার এই সফর। এদিকে জিম্বাবুয়ে সফরে পাওয়া হ্যামস্ট্রিং চোট থেকে ভালোভাবেই সেরে উঠছেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম।
আগামী ১২ আগস্ট তাঁর ফিটনেস পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। বিসিবির আশা, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগেই দলে ফিরতে পারবেন তিনি। তবে প্রথম টেস্টে তাঁর খেলা হচ্ছে না। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০০৩ সালে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে স্বাগতিকদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল টাইগাররা।
এবারের দুই ম্যাচের সিরিজটি আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রের অন্তর্ভুক্ত। আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট ম্যাকায়ে


