মাত্র ২১১ রানের লক্ষ্য। চতুর্থ ইনিংসে এমন লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের আশা করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা। ব্রায়ান লারা ক্রিকেট একাডেমিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯০ রানের হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সফরকারীরা। এই পরাজয়ে দেশের বাইরে টানা অষ্টম টেস্ট হারল পাকিস্তান।
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক বাবর আজম হারের জন্য ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছেন। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে বড় কোনো জুটি গড়ে তুলতে না পারাকেই পরাজয়ের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি। একই সঙ্গে কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে দারুণ বোলিং করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদেরও কৃতিত্ব দিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাবর বলেন, ‘ফলাফল আমাদের পক্ষে আসেনি। তবে শেষ দুই দিনে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। আজ ব্যাটিং ইউনিট প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। আমরা দ্রুত উইকেট হারিয়েছি। এই জায়গাটিই উন্নত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছি।’
হারের জন্য পিচকে দায় দিতে চাননি বাবর। তাঁর মতে, উইকেটে নতুন বলে কিছুটা মুভমেন্ট থাকাটা স্বাভাবিক ছিল এবং সে চ্যালেঞ্জের জন্য দল প্রস্তুতও ছিল।
বাবর বলেন, ‘উইকেট ভালোই ছিল। নতুন বলে কিছুটা মুভমেন্ট থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা কন্ডিশন খুব ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে। চতুর্থ দিনে বল কিছুটা নিচু হচ্ছিল, অসমান বাউন্সও ছিল। আমরা কোনো বড় জুটি গড়তে পারিনি, আর সেটাই হারের মূল কারণ।’
এই ম্যাচে আঙুলের চোটে পুরোপুরি ফিট ছিলেন না ওপেনার শান মাসুদ। দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর সীমিত অবদানও দলের ব্যাটিংয়ে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
বাবরের ভাষায়, ‘নতুন বল সামলাতে হলে প্রথম ২০ ওভার টিকে থাকতে হয়, জুটি গড়তে হয়। এরপর বল পুরোনো হলে ব্যাটিং সহজ হয়ে যায়। কিন্তু আমরা সেই জুটিগুলো গড়তে পারিনি।’
তবে এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ও জানিয়েছেন বাবর। তাঁর আশা, দ্বিতীয় টেস্টের আগে ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে সেগুলো শুধরে আরও ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারবে পাকিস্তান।


