দুইবার সফলভাবে ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে জার্মানি। ১৯৭৪ ও ২০০৬ সালের পর এবার আবারও ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের আয়োজক হওয়ার পরিকল্পনা করছে দেশটি। ২০৩৮ অথবা ২০৪২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আবেদন করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন (ডিএফবি)।
ডিএফবির বোর্ড সদস্য এবং আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রধান নির্বাহী এক্সেল হেলম্যান জানিয়েছেন, ফেডারেশনের সভাপতি বের্ন্ড নয়েনডর্ফ ইতোমধ্যে সম্ভাব্য বিড নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ভর করবে ফিফার নীতিমালা ও আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর।
দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেলম্যান বলেন, ‘আমরা আবারও বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চাই। ২০৩৮ কিংবা প্রয়োজন হলে ২০৪২ সালের জন্য আবেদন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বিষয়টি পুরোপুরি ফিফার নিয়মের ওপর নির্ভর করছে।’
বিশ্বকাপ আয়োজনের ক্ষেত্রে নিজেদের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে অবকাঠামোকেই দেখছেন হেলম্যান। তার মতে, আধুনিক স্টেডিয়াম, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত হোটেল সুবিধার কারণে বড় কোনো প্রস্তুতির প্রয়োজন হবে না।
তিনি বলেন, ‘জার্মানির স্টেডিয়াম, পরিবহন ব্যবস্থা ও হোটেল অবকাঠামো বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমাদের বিশ্বাস, প্রতিটি ম্যাচের টিকিট বিক্রি হবে এবং সব মিলিয়ে এটি একটি সফল টুর্নামেন্টে পরিণত হবে।’
তবে জার্মানির সামনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ফিফার কনফেডারেশন রোটেশন নীতি। বিশ্বকাপ আয়োজনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মহাদেশকে পর্যায়ক্রমে সুযোগ দেওয়ার নীতিই অনুসরণ করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
যেহেতু ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে, তাই ২০৩৮ সালের আসরের স্বাগতিক হওয়ার দৌড়ে জার্মানিকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হতে পারে। ফলে ২০৪২ সালের বিশ্বকাপই দেশটির জন্য তুলনামূলক বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হয়ে উঠতে পারে।


