বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের মেন্টর হিসেবে নতুন দায়িত্বে কাজ শুরু করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সিরিজটি তাঁর জন্য এই দায়িত্বে প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। শুরুতেই এইচপি দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাঁর কাজ বেশ সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন দলের প্রধান কোচ সোহেল ইসলাম।
মালয়েশিয়া জাতীয় দলের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ এইচপি দল। শনিবার ৮ আগস্ট মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে ১০ আগস্ট। এরপর ১২, ১৪ ও ১৬ আগস্ট বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে হবে তিনটি ওয়ানডে।
মেন্টর হিসেবে দলের অনুশীলনে ক্রিকেটারদের সঙ্গে নিয়মিত সময় কাটাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। শুধু মাঠের টেকনিক্যাল দিক নয়, নিজের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতাও তরুণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভাগাভাগি করছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে এইচপি দলের প্রধান কোচ সোহেল ইসলাম মাহমুদউল্লাহর কাজের প্রশংসা করে বলেন, ‘রিয়াদ প্রথম সিরিজে এসেছেন এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে চমৎকার কাজ করছেন। তাঁর যোগাযোগ খুবই ভালো এবং তিনি অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করছেন। বিভিন্ন সময়ে বিপাকে পড়লে কীভাবে চিন্তা করতেন, সেই বিষয়গুলো ওদের সঙ্গে ভাগাভাগি করছেন। পাশাপাশি ব্যাটিংয়ের টেকনিক্যাল বিভিন্ন বিষয় নিয়েও কথা বলছেন।’
মাহমুদউল্লাহর অভিজ্ঞতা তরুণ ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও মনে করেন সোহেল ইসলাম। বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার কারণে ক্রিকেটারদের কাছে তাঁর কথার আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।
সোহেল বলেন, ‘ছেলেরা তাঁকে বিশ্বাস করে, কারণ তিনি আমাদের দেশের ক্রিকেটে একটা উদাহরণ। তিনি যখন কথা বলেন, তখন ছেলেদের মধ্যে বিশ্বাসটা বেশি থাকে। এটা আমাদের ছেলেদের ওপর খুব ভালো প্রভাব ফেলছে।’
মালয়েশিয়া দল এরই মধ্যে বাংলাদেশে এসেছে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ খেলতে। মিরপুরে টি-টোয়েন্টি দিয়ে শুরু হবে দুই দলের লড়াই। এরপর ওয়ানডে সিরিজের তিন ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে।
তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া এইচপি দলের জন্য সিরিজটি যেমন নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের সুযোগ, তেমনি মাহমুদউল্লাহর মেন্টর হিসেবে কাজেরও বড় পরীক্ষা। তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ক্রিকেটাররা মাঠে কতটা নিজেদের মেলে ধরতে পারেন, সেটিই এখন দেখার।


