জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ২০০ রান। শনিবার হারারে স্পোর্টস ক্লাবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। শুরুর দিকেই জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ। দলীয় ১২ রানের মধ্যে ওপেনার বেন কারানকে ফিরিয়ে দেন শরিফুল ইসলাম। ১৩ বলে মাত্র ২ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
এরপর তাসকিন আহমেদের শিকার হন আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। ১৯ বলে ৬ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ক্রেইগ আরভিন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও সেটি দীর্ঘ হয়নি। ২০ বলে ৫ রান করা আরভিনকেও ফেরান শরিফুল। মাত্র ২৭ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে।
সেখান থেকে ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলি মাধেভেরে চতুর্থ উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন। কাইয়া ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে ৬৭ বলে ২৫ রান করেন। তবে ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজের হাতে নেন মাধেভেরে। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ব্যক্তিগত ফিফটি পূর্ণ করে জিম্বাবুয়ের রানও এগিয়ে নেন তিনি।
কাইয়ার বিদায়ের পর অধিনায়ক সিকান্দার রাজা শুরুটা ভালো করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তানভীর ইসলামের বলে অদ্ভুত এক শট খেলতে গিয়ে ২৫ বলে ১১ রান করে আউট হন রাজা। এরপর ক্লাইভ মাদান্দেকে মাত্র ১ রানে ফিরিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট তুলে নেন শরিফুল।
অন্য প্রান্তে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান ওয়েসলি মাধেভেরে। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ৭৪ বলে ৭৫ রানের দারুণ ইনিংস খেলে বিদায় নেন তিনি। শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স দ্রুত রান তুলে জিম্বাবুয়েকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন। আগের ম্যাচের মতো এবারও ফিফটি করেন এই অলরাউন্ডার। ৪৩ বলে ৫০ রান করে আউট হওয়ার আগে দলকে ২০০ রানের খুব কাছাকাছি নিয়ে যান তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন। একটি উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
জিম্বাবুয়ে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯/১০


